বাঙালী নারীর শাড়ীসজ্জা একটি নিখুঁত শিল্প।
প্রস্তুতি থেকে পরিধান পর্যন্ত চলে এই শিল্পের
বুননকার্য। তারা মনে মনে নানা ছক কাটেন,
আবার কখনো ছক বদলান, যেমন করে থাকেন
অপসরুমে বসা চৌকষ মিলিটারী স্ট্র্যাটেজিস্টরা,
ম্যাপের উপর মার্কার পেন দিয়ে আঁকাআঁকি করে।
নারীদের শাড়ীসজ্জার প্রতিটি স্তরই সুপরিকল্পিত।
এ ব্যাপারে তাদের স্মৃতিশক্তি ঐশ্বরিক বরধন্য।
কবে তারা কোন অনুষ্ঠানে সেজেছিলেন কেমন,
নিমেষেই করে নেন তার পারমুটেশন কম্বিনেশন।
চুড়ি ঘড়ি অধর রঞ্জনী হাতব্যাগ খোঁপাফুল আর
সেন্ডেল ম্যাচিং হলো কিনা পরখ করেন শতবার!
তাদের সব সন্দেহের নিমেষেই অবসান হয়ে যায়,
যদি তাদের ভালোবাসার মানুষটি সায় দিয়ে দেয়
শুধু একটিবার, আশ্বস্ত হন তারা পরম নির্ভরতায়।
নারীগণ শাড়ীসজ্জা ভালোবাসেন বয়স নির্বিশেষে,
আর কোন উপলক্ষ পেলে তাদের মুখে চাঁদ হাসে,
তাদের সজ্জাস্পৃহা সুশোভিত হয় শৈল্পিক ছোঁয়ায়।
পাদটীকাঃ আন্তর্জাতিক নারীদিবস উপলক্ষে বাঙালী নারীদের শাড়ীসজ্জার এই উপেক্ষিত অন্তর্নিহিত শৈল্পিক সুষমাকে স্বীকৃতি ও শ্রদ্ধা জানিয়ে রচিত এ কবিতাটি।
ঢাকা
০৮ মার্চ ২০১৫
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



