somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমাদের কাশ্মীর ভ্রমণ- ৭; ক্ষণিকের দেখা, তবু মনে গাঁথা

২৬ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১০:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সেদিন সোনামার্গে সারাটা দুপুর চমৎকার কাটলো। পুনরায় ঘোড়ায় চড়ে ফিরে আসার সময় সহিসদের সাথে গল্প করতে করতে ফিরেছি, তাই সময়টা দ্রুত ফুরিয়ে গেছে। ওদের কষ্টের কথা জেনে ব্যথিত হয়েছি। ঘোড়ার মালিককে আমরা যে মূল্য দিয়েছি, তা থেকে ওরা নাকি কিছুই পাবে না, কারণ ওরা মাসিক বেতনভুক্ত কর্মচারী। মাস শেষে ওরা পায় মাত্র চার হাজার রুপী। ঘোড়া থেকে নেমে ওদের যে বখশিস দিলাম, তা পেয়ে ওদের চোখেমুখে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছিল। ক্লান্ত শরীরে ফিরে এসে দেখি, “হোটেল স্নো ল্যান্ড” এর সামনে একটা জায়গায় সবুজ ঘাসের উপর তিনটে চেয়ার আর একটি সেন্টার টেবল লাগানো রয়েছে। মনে হলো যেন, আমাদের তিনজনের জন্যই এ ব্যবস্থা। আমরা উপস্থিত একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম, সেখানে আমরা কিছুক্ষণ বসতে পারি কিনা। সে বললো, হ্যাঁ হ্যাঁ, ট্যুরিস্টদের জন্যই এ ব্যবস্থা। আমরা কিছুক্ষণ চেয়ারে বসে বিশ্রাম নিলাম, তার পরে ফেরত পথে রওনা হ’লাম। আরো কিছুক্ষণ থাকার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু আমাদেরকে আবার শ্রীনগরে ফিরে যেতে হবে। সন্ধ্যের আগেই ফিরতি পথের অধিকাংশটুকু অতিক্রম করা বাঞ্ছনীয়। ইচ্ছে ছিল ফেরার পথে কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়টা একটু ঘুরে দেখার, কিন্তু সময়াভাবে তা আর সম্ভব হবেনা বলে মনে হচ্ছিল।

শ্রীনগরের ‘ডাল লেইক’ এর পশ্চিম তীরে কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়টি ২৬৩ একরের বিরাট একটি এলাকা জুড়ে অবস্থিত। “আঁধার থেকে আলোয়” বিশ্ববিদ্যালয়টির মূলমন্ত্র। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মোট ১২টি ফ্যাকাল্টি, ৪৭টি এ্যাকাডেমিক বিভাগ এবং ২১টি সেন্টার রয়েছে। তন্মধ্যে ওদের আইন ফ্যাকাল্টি এবং বিজনেস ফ্যাকাল্টি’র অত্যন্ত সুখ্যাতি রয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টিতে একটি বিরাট ও ঐশ্বর্যশালী পাঠাগার রয়েছে, যার নামকরণ করা হয়েছে মহাকবি ইকবাল এর নামানুসারে, “আল্লামা ইকবাল লাইব্রেরী”। সেখানে ছয় লক্ষাধিক বইপুস্তক রয়েছে এবং ৪১৫টি বিরল পান্ডুলিপি সংরক্ষিত আছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যালামনাই এর মধ্যে আছেন ভারত সরকারের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী গোলাম নবী আজাদ, ইরানের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী দাউদ দানেশ জাফারি, হিমাচল প্রদেশের প্রাক্তন হাইকোর্ট চীফ জাস্টিস মানসুর আহমাদ মীর, মেঘালয় প্রদেশের প্রাক্তন হাইকোর্ট চীফ জাস্টিস মোহাম্মাদ ইয়াকুব মীর, কাশ্মীরি কবি আগা শাহিদ আলী প্রমুখ বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ। সময়াভাব এবং সেই সাথে বৃষ্টির কারণে এত বড় একটি বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে দেখতে না পারার আফসোসটা রয়েই গেল।

কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়টি দেখতে না পারলেও এরই কাছাকাছি হযরতবাল মাসজিদের (দরগাহ শরীফ) নিকটে আসার সময় বৃষ্টি অনেকটা কমে গেল। এই দরগাহ শরীফ ‘ডাল লেইক’ এর উত্তর তীরে অবস্থিত। কথিত আছে যে দরগাহ শরীফে খাতামুন নাবিয়্যিন হযরত মোহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) এর একগোছা পবিত্র চুল সংরক্ষিত আছে। আমরা সেখানে পৌঁছেছিলাম মাগরিব এর নামাযের প্রায় এক ঘন্টা আগে। এর আগে ঘোড়ার পিঠে চড়েছিলাম এবং ওয়াশরুম ব্যবহার করেছিলাম বলে নিজ পোশাকের পবিত্রতা সম্বন্ধে নিশ্চিত ছিলাম না। তাই আমি আর মাসজিদের ভেতরে প্রবেশ করি নাই। দেখলাম কপালে সিদুর আঁকা এক হিন্দু ভদ্রলোক সেখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কিছু প্রার্থনা করছেন এবং প্রার্থনা শেষে মাসজিদের মেঝে স্পর্শ করে হাতের তালু দুটো নিজ কপালে এবং বুকে বুলিয়ে চলে গেলেন। আমি খুঁজছিলাম এমন একজনকে যিনি আমাকে এই ঐতিহাসিক স্থানটি সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দিতে পারবেন। পেয়েও গেলাম এমন একজনকে। বয়স ত্রিশের কাছাকাছি সেই নাম না জানা যুবকটি অতি চমৎকারভাবে ধর্ম ও ইতিহাস নিয়ে উর্দু, হিন্দী এবং ইংরেজী মিলিয়ে সুন্দর একটি বক্তব্য রাখছিলেন। আমি মন্ত্রমুগ্ধের মত শুনে যাচ্ছিলাম। কিন্তু ঐ সময়ে কে যেন একজন বারবার তার সাথে সেলফোনে কথা বলতে চাচ্ছিল বলে তার সেই বক্তব্য পুরোটা শোনা সম্ভব হয় নাই। মাগরিবের নামাযের সময় ঘনিয়ে আসাতে সে সময়ে এক কাশ্মীরি দম্পতি নামাযের উদ্দেশ্যে এসে আমাদের পাশে দাঁড়ালেন। আলাপে জানলাম ভদ্রলোক একজন ব্যাংকার এবং তার স্ত্রী একজন কলেজ প্রভাষিকা। আমরা বাংলাদেশী জেনে তারা অনেক অনুরোধ করলেন, নামাযের পর তাদের নিকটবর্তী বাসায় কিছুক্ষণের জন্যে হলেও আতিথ্য গ্রহণ করতে। আমরা তাদের অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে কোনমতে তাদেরকে নিবৃত করলাম।

রাতে হোটেলে ফিরে একটু ফ্রেশ হয়ে ডিনার করে নিলাম। শোয়ার সময় সবাই টের পেলাম, গায়ে পায়ে বেশ ব্যথা করছে। বুঝতে পারলাম, ঘোড়ায় চড়াটাই এর জন্য দায়ী। শরীর ক্লান্ত থাকায় সবাই এক নিমেষে ঘুমিয়ে পড়লাম। পরের দিন সকাল দশটায় আমরা গুলমার্গের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলাম। গুল অর্থ ফুল, মার্গ মানে ময়দান। আমরা যে সময়টাতে গুলমার্গে গিয়েছিলাম, সেখানে যাবার আসল সময় আসলে আরো অন্ততঃ কয়েক সপ্তাহ পরে শুরু হবার কথা। বরফ গলে যাবার পর বিধৌত ভূমি যেন স্নান সেরে ওঠে, তার উপরিভাগে কয়েকদিনের মধ্যে বিনা যত্নে খোদ-বা-খোদ নানা রঙের ফুল ফুটে পুরো এলাকাটাকে ফুলে ফুলে রাঙিয়ে দেয়। এজন্যেই এর নাম রাখা হয়েছে গুলমার্গ। আমরা যখন গিয়েছিলাম, তখন দুই একটি জায়গায় কেবল ছোট ছোট ফুল ফুটতে শুরু করেছে। মোহাম্মাদ শাফিকে জিজ্ঞেস করলাম, গুলমার্গে দেখার জিনিস কী কী? সে বললো, কেবল্ কার রাইড নিতে পারেন, অথবা ঘোড়ায় চড়ে উপত্যকায় ঘুরে ঘুরে যতক্ষণ খুশী সাইটি-সীয়িং-রাইড করতে পারেন।

আমরা ইতোপূর্বে ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া সফরকালে কেবল্ কারে উঠেছিলাম। আমাদের ছেলেও আলাদাভাবে তার বন্ধুদের নিয়ে বেড়ানোর সময় উঠেছিল। তাই কেবল্ কারে ওঠার জন্য আমাদের কেউই ততটা আগ্রহী ছিলাম না। আবার পরের চয়েস- ঘোড়ায় চড়ে পাহাড়ে ঘুরে ঘুরে “যতক্ষণ খুশী সাইটি-সীয়িং-রাইড”- সেটাতেও তেমন আগ্রহী ছিলাম না। নিজেদের মধ্যে আলাপ করে আমরা শেষ পর্যন্ত কেবল্ কারেই ওঠার সিদ্ধান্ত নিলাম। কিন্তু তবুও, ঘোড়ায় চড়া থেকে মুক্তি মিললো না। কেবল্ কার স্টেশন পর্যন্ত যেতে হলেও, ঘোড়ায় চড়েই যেতে হবে। রাস্তা থাকলেও, আমাদের গাড়ী নিয়ে সেখানে যাওয়া যাবেনা। ঐ এলাকার ঘোড়াওয়ালাদের বাঁচিয়ে রাখতে তাদের পর্যটন বিভাগ এমন ব্যবস্থা রেখেছে। অগত্যা, আবার সেই ঘোড়া ভাড়া করা, আবার সেই গামবুট, রেইনকোট ভাড়া করা!

এবারে ঘোড়ায় চড়ে পার হবার রাস্তাটা আগের দিনের মত এতটা উঁচু নীচু ছিলনা, তবে একটি বিশেষ জায়গা আগের দিনের চেয়ে বেশী বিপজ্জনক ছিল। আগের দিনের সহিসেরা বয়সে ছিল বিশোর্ধ্ব, সেদিনের দু’জন ছিলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব। ওনারা দু’জন খুব সাবধানতার সাথে সেই বিশেষ জায়গাটি পার করে দিলেন। তারপর আমাদের ঘোড়াগুলো গুলমার্গ গলফ কোর্সের আশ পাশ দিয়ে হেঁটে কেবল কার স্টেশনে এসে পৌঁছলো। তুলনামূলকভাবে সোনামার্গের তুলনায় গুলমার্গের ঐ এলাকায় দালালদের দৌরাত্ম্য অনেক বেশী ছিল। মানুষগুলোকেও পর্যটকবান্ধব মনে হয়নি। ওরা অনেক দর কষাকষি করে। কেবল্ কারের টিকেট কাটতে গিয়েও দেখি দালালেরা নিরীহ পর্যটকদেরকে ফাঁকি দিয়ে লাইন ভেঙ্গে টিকেট কিনে তাদের কাস্টমারদেরকে খুশী করছে। অর্থাৎ যারা দালাল ধরবেনা, তাদেরকে পিছেই থাকতে হবে- এ অব্যবস্থাটুকু আমার মোটেই ভাল লাগেনি। এক দালাল আমার ছেলেকে এসে বললো, ‘আপনি নিজে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট করলে সে টিকেট দিয়ে এক ঘন্টার বেশী ঘুরতে পারবেন না, আমাকে দিয়ে কাটলে যতক্ষণ খুশী, ঘুরতে পারবেন’। এ কথা শুনে আমি একজন কর্তব্যরত ব্যক্তির শরণাপন্ন হ’লাম। তিনি জানালেন, ‘এক ঘন্টার বেশী থাকতে চাইলেও থাকতে পারবেন। কেউ কিছু বললে বলবেন, আমরা বিদেশী ট্যুরিস্ট’। ভেতরে গিয়ে দেখি, ওসব মিথ্যে ভয় দেখানো ছিল, সময় চেকিং এর কোন বালাই ছিলনা। শুধু, ফিরে আসার শেষ সময়সীমাটুকু মানতে সবাইকে বারে বারে মেগাফোনে ঘোষণার মাধ্যমে অনুরোধ জানানো হচ্ছিল। এক প্রৌঢ় মালয়েশীয় দম্পতির সাথে কথা হচ্ছিল। তারাও দেখলাম, দালালদের অত্যাচারে বীতশ্রদ্ধ। যাহোক, আমরা তিনজনে কেবল কার রাইডটা বেশ উপভোগ করলাম। অপর প্রান্তের স্টেশনে নেমে দেখলাম, চারিদিক বরফে ঢাকা। অনেকক্ষণ সে বরফের উপর দিয়ে আমরাও ঘোরাঘুরি করে দু’চোখ ভরে সে সৌন্দর্য উপভোগ করে বিকেল ৫টার কিছু আগে আবার কেবল্ কারে করে ফিরে এলাম।

ঢাকা
১৮ মে ২০১৯


কেবল্ কার/ cable car


কেবল্ কার হতে নেমে.... গুলমার্গ, ০৪ মে ২০১৯, ০৩ঃ০০ মধ্যাহ্ন।
After dismounting from the cable car, at Gulmarg, Kashmir.


মেঘ, বৃক্ষ ও তুষার/ The clouds, the trees and the snow; a delightful combination


গুলমার্গের একটি পর্যবেক্ষণ পোস্টে মোহাম্মদ শাফি শাহ এর সাথে
With Mohammad Shafi Shah at an observation post at Gulmarg


নীলাকাশ, শুভ্র মেঘ এবং সবুজ বৃক্ষের এক অপরূপ সমাহার!
Blue sky, white patches of clouds and the green trees- a delightful combination


গুলমার্গের একটি অনুপম উপত্যকা এবং আকাশরেখা/ Beauty of Gulmarg landscape and skyline


গুলমার্গের একটি অনুপম উপত্যকা এবং আকাশরেখা/ Beauty o f Gulmarg landscape and skyline


এক বিমুগ্ধ মোসাফির

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:২৪
১৫টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছেলেধরা গুজবে কান দিবেন না প্লিজ! দয়া করে কাউকে পিটিয়ে হত্যার মত জঘন্যতা পরিহার করুন।

লিখেছেন নতুন নকিব, ২২ শে জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১:২৩



মানুষের কী হল? কী হয়ে গেল আমাদের এই সমাজ, এই দেশটার? কী ভয়ানক অরাজকতায় ছেয়ে যাচ্ছে সমাজ-সংসার? ভয়ঙ্কর সব হত্যাযজ্ঞের নৃশংসতা প্রত্যক্ষ করতে হচ্ছে প্রায় প্রতিটি দিন! ছেলেধরা কল্লাকাটার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বের শ্রমজীবি মানুষের ঐক্যকে সঙ্ঘবদ্ধ করে সাম্রাজ্যবাদী প্রতিযোগিতার নীতির বিরূদ্ধে সহযোগিতামুলক বিশ্বব্যাবস্থার তত্বকেই খাড়া করে তুলতে হবে

লিখেছেন এম. বোরহান উদ্দিন রতন, ২২ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৩:১৩



২০শে জুলাই বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষেরা এই দিনটিকে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী দিন হিসেবে পালন করে থাকে । লেনিন সহ বিশ্বের তদানিন্তন তাবড় কম্যুনিষ্টরা রুশ বিপ্লবের বহু পুর্বেই পুঁজিবাদের সর্ব্বচ্চ রূপ হিসাবে সাম্রাজ্যবাদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আর কতটা অধ:পতন হলে জাতি হবে লজ্জিত? বুঝতে পারবে বাঙ্গালীর নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। খুবই বড় একটা সমস্যা আছে আমাদের সমাজে।

লিখেছেন নতুন, ২২ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:০৭


Something is very Wrong in our Society. কিছু দিন ধরে দেশে যেই সব ঘটনা আমরা ঘটিয়ে চলছি তা দেখে কিছু বলার ভাষা খুজে পাচ্ছিনা।

* ৭ বছরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

» সোনারগাঁও-এ ভ্রমণ করেছিলুম একদা.....

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২২ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:২১

সোনারগাঁ জাদুঘর ভ্রমন
=কাজী ফাতেমা ছবি=



কোন এক শীতের দিন অফিসের পিকনিক ছিলো, নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁয়ে। সেই সুবাদে দেখতে পেরেছিলাম পানাম শহর আর সোনারগাঁ জাদুঘর -শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প যাদুঘর। ঢাকায় আছি... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি (প্রায়) মৌলিক গল্প

লিখেছেন মা.হাসান, ২২ শে জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮




নীল পাখি নাক বাহিয়া বাঁশ গাছের উপরে উঠিয়া তাহার তেলের ভান্ড দেখিয়া আসিল (কৈ মাছ কান বাহিয়া গাছে উঠিতে পারে, যেহেতু গল্প মৌলিক কাজেই নাক বাহিয়া উঠিতে হইবে)।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×