পিছন ফিরে হাজার বছর খুঁড়ে
মোড়ে মোড়ে পাচ্ছি অধীনতা,
হঠাৎ কিছু মুক্তি মেখে মেখে
ঝলক মারে পলক স্বাধীনত।
অলিগলি,রাস্তা মাঠেঘাটে
লেপ্টে আছে দূর বিদেশী ছায়া...
রক্তঘেঁটে মিলছে যেসব ছবি
দেখছি তাতে আঁকা বিদেশ-মায়া !
সাগরটাগর হারমানিয়ে দিয়ে
রক্তসাগর গড়েছিলাম যেদিন
সেই সাগরের রক্তেভেজা দ্বীপে
রক্তনিশান উড়েছিলো সেদিন।
স্বাধীনতা মন্ত্র হয়ে হয়ে
বুকের ভেতর বৃক্ষমেলা বসে;
বর্ষা বানের নদীর বিলের পানি
মৃত্যুখেয়ে যাচ্ছে খসে খসে
পানিবিহন বৃক্ষমেলাগুলো
তৃষ্ণাখেয়ে হচ্ছে পক্ককেশী।
স্বভাবমতো দূরের দিকে চেয়ে
মনগুলোতে নেই যে রেশারেশি।
দীঘলকালো মেঘ ছড়িয়ে দিয়ে
মন রাঙিয়ে চক্র হতো ফুলে;
কেশবতী কন্যা দেখে দেখে
সব কবিরা কাব্য যেতো ভুলে !
দূরের হাওয়া মন দখলে নিতেই
কেশবতীর কেশ গিয়েছে উড়ে !
মুখজুড়ে যে কোমলতা ছিলো
সেটাও এখন দিচ্ছে ফেলে ছুঁড়ে !
অঙ্গশোভা রূপ ছড়িয়ে যেতো
অঙ্গেমেখে নানা রঙের শাড়ি
পুরানদেশী মোড় পেরিয়ে গিয়ে
রূপ দিয়েছে দূরবিদেশে পাড়ি।
ঘোড়ায়চড়া উপত্যকায় ঘোরা
পাহাড় দেশের বুনো রাখাল বালক
অনেক পুরান বৃক্ষ তুলে ফেলে
হয়ে গেছে আমার ফ্যাশন-চালক !
ছেলেমেয়ে সব হারিয়ে দেখি
কাঁদছে আমার রক্তেভেজা মাটি
আমার এবং তাহার দোষে দোষে
হয়ে গেছে সমান কাটাকাটি !

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



