somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আরণ্যকের জীবনী।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১০:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আরণ্যকের আত্মজগতে শক্তি ছিল।চার দেয়ালের ভেতরে থেকে ওর মন পড়ে থাকত বনে ।যেন বনেই ওর সৃষ্টি হলে ভালো হত।দেখতাম ও স্কুলে সবার সাথে মিশত ।কিন্তু ওকে সবার মাঝে আলাদা মনে হত।আমি জানি ও আজ পড়া পেরেও স্যারের হাতে মার খাবে।
আমি ওর পিছু নিতাম । কিন্তু উকে ধরেও ধরতে পারতাম না।
স্কুলের প্রথম ক্লাসে পড়া পারা সত্তেও স্যার ওকে মারল কারণ
ও মাষ্টার মানুষের ছেলে । তাই উকে আরো মার খেতে হবে। তবেই তো ও আরো পড়া পারবে।বাবা শিক্ষককে মারার স্বাধীনতা দিয়েছি।আজ আরণ্যকের বুক জ্বলে গিয়েছে ঘামে। মার খেয়ে হাত পা কাপছে। শিক্ষক ক্লাসে আসলেই আরণ্যকের হাত পা কাপত । এখভাবেই কি আরণ্যকের কাব্য জগৎ তৈরি হবে একদিন?
আমি একজন লেখক। সব সময় আমার স্বভাব আগে ভাগেই সবকিছু বলে ফেলা ।লেখক হিসেব আমি ভালো নয় তা আমি জানি। কিন্তু আরণ্যককে ফ্রেমে বন্দী করতেই হবে। সেইজন্যে আরলণ্যকের পিছনে লাগলাম। ও সবাইকে মিশতে নিত। কিন্তু কায়দা করে সবাইকে এড়িয়ে চলত। আমার বয়স এখন দশ বছর । আরণ্যক আমার বাল্য বন্ধু -ছোট থেকেই ওর সাথে আমার চলাফেরা। প্রয়োজনে ওকে ফ্রেমে বন্দী করার জন্য আমি আরো সাহিত্য পড়ব।তবে আরণ্যককে উপরে তুলতেই হবে।
আমি জানি আরণ্যক মায়ের মারের ভয়ে স্কুল থেকে বাড়ী যাবে দেরিতে।আরণ্যক আমার বাড়ীর পাশের ছেলে।ছোট বেলায় থেকে দেখতাম আরণ্যক ছিল শান্ত । মার খাওয়া ওর স্বভাব। মা মারবে কারণ আরণ্যককে মানুষ হতেই হবে। বেশী মার খেলে আরণ্যক বেশী মানুষ হবে। আমি আরণ্যকের হাটা দেখতাম আর ভাবতাম আরণ্যক কতদূর যায় তাই দেখব। দেখতাম সে সাত পথ ঘুরে বহুদূর ঘেটে ঘেটে সন্ধার আড়ালে বাড়ী ফিরবে। বাড়ী ডুকলো মা নামাজ পড়ছে। বাবা বিছানায়। শুয়ে আছে। আরণ্যকের হাত পা কাপছে।
আরণ্যককে দৃশ্যে ডুকাবো। আরণ্যককে পটে আঁকব। আরণ্যকের ছবি আকব। এই আমার কল্পনা। হে সেটাই কি হবে? তবে যাই হোক মায়ের নামাজ পড়া শেষ হল। মায়ের নামাজ পড়া শেষ হল।“ হেরে আরণ্যক তুই কি টাকা চুরি করেছিস-তাই না?। ” মায়ের প্রশ্ন । আরষণ্যকের আর মাথা সরে না ।বাবা উপস্থিত। আরণ্যক অস্বীকার করতে পারেনি। বাবা বলল “ওকে দুটো গরু কিনে দিব। পড়া লেখা আর ওর দারা হবে না। “ মা যে ওকে মারল না আজ । এটা ওর বড় পাওনা।
যাইহোক সেই চোর আট টাকা চোর আরণ্যক চকলেট ,ঝালমুড়ি ও পাপুড় খেয়ে বাড়ী ফিরেছিল। বাবার কড়া্ শাসন ও মায়ের কড়া বকুনিতেও আরণ্যক খুশি । কারণ আরণ্যকের মাথায় পিঠে মার পড়েনি। সে খুব খুশি। বিশ্ব জগতে এটা যেন তার বড় ভাগ্য।
দেয়ালের আড়ালে দেয়াল থাকে কিনা জানিনা। তবে আরণ্যকের ভেতরে দেয়াল ছিল । আর সেই দেয়ালে আরণ্যক লিখেছিল যে আমার বাবার মা খুব টাকার অভাব। ছোট আরণ্যক এটুকু মাথায় ডুকেছিল।
আরণ্যক আবার বনে ফিরে যাবে । আর বাঘ বাঘ খেলা করবে। এই বই । এই তার বন। আরণ্যক মনের ভেতবে বনের ছবি আকত তা আমি জানতাম না
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১০:০৯
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈশ্বর আমার সঙ্গে আছেন

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



যুদ্ধের আগে
আকাশের দিকে তাকিয়ে,
মানুষ নিজ নিজ পতাকা ঈশ্বরের রঙে রাঙায়।

প্রথম আঘাতের পর,
প্রথম রক্তের ফোঁটা মাটিতে পড়ার পূর্বে,
মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে—
"ঈশ্বর আমার সঙ্গে আছেন।"

প্রতিটি যুদ্ধের আছে একেকটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ মোহাম্মদপুরে কখনও বিচ্ছেদ হয় না

লিখেছেন রাজসোহান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪





আমার দোকানের নাম নিউ শাপলা কম্পিউটার ও ফটোস্ট্যাট। সাইনবোর্ডের শাপলা ফুলটা এঁকে দিয়েছিলো তাজমহল রোডের এক সাইনম্যান, দেখতে হয়েছিলো কচুরিপানার মতো। চৌদ্দ বছর ধরে ঝুলে আছে। রোদে রঙ উঠে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×