১। বেকাররা বেকার। এমনিতেই লেখাপড়া শিখতে প্রচুর টাকা পয়সা খরচ। যেখানে লেখাপড়া থাকা উচিত ছিল বিনামূল্যে।তার উপর চকরির দরক্ষাস্ত করতে লাগে ৫০০/ ১০০০ টাকা ফিস।এটা কি বেকারদের সাথে খেলা নয়?
২। একটা চাকরির পরীক্ষা দিতে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে যারা যায় তাদের গাড়ী ভাড়া , খাওয়া খরচ সহ পড়ে ২০০০-৪০০০ টাকা। একবার ভাইভা, প্রিলি, রিটেন সব পরীক্ষার জন্য আলাদা আলাদা করে ঢাকায় যেতে হয়।খরচ হয় আলাদা আলাদা। আর কোন কারণ না থাকলেও নিয়োগের সময় নিজস্ব থানায় পুলিশকে খুশি করার টাকা মানে ভেরিফিকেশন বিল দিয়ে আসতে হয়।
৩। এমিনতেই কোটা পদ্ধতি। দু,চারটি পোষ্ট হলে ওগুলো কোটাতেই খেয়ে ফেলে। চাকরির কোটা ৫৬% । এটা কি বৈষম্য নয়। সঠিক কথা বললে কি আমি জামাত শিবিরের খাতায় চলে যাবো ? না আমি জামাত শিবির করি না। সঠিক কথা বলে মত প্রকাশ করছি। প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগে ৯০% কোটা। এটা কি বৈষ্যম্য নই। নাকি রাজনৈতিক ব্যবহার।
৪।সময়। আজ একটা সরকারি সার্কুলার। ছয় মাস পরে প্রিলি। তিন মাস পরে প্রিলির রেজাল্ট। তার তিন মাস পরে রিটেন । তার ছয় মাস পরে ভাইভা। ছয় মাস পর রেজাল্ট। তার দুইমাস পর শারিরীক পরীক্ষা। ভেরিফিকেশন। ছয় মাস পর নিয়োগ। মগের মুল্লুক নাকি?
সরকারি চাকরির একটি নিয়োগ হওয়ার জন্য সময় লাগে এক থেকে তিন বছর পর্যন্ত । কি অদ্ভূদ!
নিয়োগ বাণিজ্য স্বজনপ্রীতি ও দলীয় নিয়োগ এই কথাগুলো কেন যে শুনি?
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১০:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



