somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আরণ্যকের ইশ্বর প্রেম , হিমা ও আদিম কামনা।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১০:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আরণ্যক কলম নিয়ে বসল। কেবল মাত্র মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হয়েছে।
না মাথায় কিচ্ছু আসছে না। আরণ্যকের উদ্দেশ্য ও এমন একটা কিছু লিখবে যাতে প্রকাশ পাবে হিমাকে ও কতটুকু ভালোবাসে। ভালোবেসেছিল। আরণ্যকের প্রভুকে আরণ্যক কতটুকু ভালোবাসে তাও তাতে লেখা হবে।

আচ্ছা সৃষ্টিকর্তাকে ভালোবেসে অনেক ভালোকাজ করা এটা কি কোন সৃজনশীলতা নয়? আচ্ছা মন্দ কাজ করতে গিয়ে বারবার ফিরে আসা কি সৃজনশীলতা নয়?

আরণ্যক পাপী । পাপ থেকে বাঁচতে চেয়েছিল সে। কিন্তু সে আর দশটি মানুষের মত পাপ করেছে। অনেক পাপ সে করেছে। তাহলে কি ইশ্বর কি তার থেকে দূরে সরে গেছে? আচ্ছা আরণ্যক ইশ্বরের কাছে কিভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করে, আরণ্যক কিভাবে শিশুকাল থেকে কালো মেঘ দেখলে অজানা আশঙ্কায় ভয় পায় সেটা কি সে লিখতে পারে না। আরণ্যকে ভেতরে আছে আদিম কালের ব্যভিচারের প্রবণতা। কাম লালসা। ইশ্বরভীতি ও সাহস। আরণ্যক পাপ করে । পাপ তার করা হয়ে যায়। আবার সে ইশ্বরের কাছে সে ক্ষমা চাই। ইশ্বর কি আরণ্যকের উপরে খুশি হয়েছিল ? ইশ্বরের প্রতি আরণ্যকে এ কেমন আন্তরিকতা?

আরণ্যক নিজেকে ভালোবাসে। নিজের লালসা ও ভোগকে ভালোবাসে। ইশ্বরকে ভালোবাসে। স্বর্গকে ভালোবাসে। হিমাকে ভালোবাসে।
এই ইশ্বর আরণ্যককে লিখতে বারণ করেছিল। এখন সে ইশ্বর তাকে লিখতে বলেছে। আরণ্যক ইশ্বরের সাথে কথা বলে । সে কথা সরসরি নয়। তবে সেটাও কি একরকমের যোগাযোগ?
আরণ্যক হিমাকেও ভালোবেসে গেল ছয়টি বছর । আরণ্যক বলতে পারেনি।আরণ্যক ভাবছিল কোনটা তার দরকার। নাকি সবই তার দরকার। আদিম কাম ও পশুত্ব উপভোগ করতে গেলে ইশ্বরকে পাওয়া যাবে না। তাহলে পশুত্ব তাকে কেন তাড়ায়?
আরণ্যকের মনে হয় সে মদ খাবে, নারী ললুপ, অর্থ কড়ির মাঝে সে নিজেকে উপভোগ করবে । বিন্তু এগুলো করলে কি ইশ্বরকে পাওয়া যাবে?
আচ্ছা কোনটা প্রাকৃতিক আগে আদিম কামনা । নাকি সভ্য জীবন বা ইশ্বরের দেওয়া জীবন। আদিম কামনা যা এখনো মানুষকে তাড়া করে । মানুষের মধ্যে গোপনে থাকে। সভ্য প্রতিটি মানুষের মাঝে এখনও স্বাধীন সেই ভোগবাদী পশুত্ব ও স্বার্থপরতা জেগে ওঠে। তাহলে মানুষের সভ্য হওয়ার কি দরকার ছিল?
আরণ্যক হিমাকে খুব ভালোবাসে। কিন্তু সে হিমাকে বলবে না । হিমাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা করবে। ভাববে। কেউ একজন ওকে বলেছে যে হিমাকে ও পাবে । ব্যস। আরণ্যক ভাবে কেউ একজন মানে ইশ্বর । এই ইশ্বর কি তার সাথে কথা বলে।এটাই কি আরণ্যকের বড় সমস্যা? মানসিক সমস্যা বা অটিজম?
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১০:১৬
৩টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×