আগের দিন বাড়ি থেকে ঢাকায় এসেছি,অনেক টায়ার্ড, গভীর আনন্দ নিয়ে ঘুমাচ্ছিলাম, তখন বাজে সকাল ৬ টা,হটাৎ মামার ফোন ঢাকা মেডিকেলে যেতে হবে কারন আমাদের এক আত্মীয় স্ট্রোক করেছেন এবং ঢাকা মেডিকেলে আছেন। কি আর করা ছুটলাম ঢাকা মেডিকেলে । বলে রাখি আমি এর আগে কখনও ঢাকা মেডিকেলে আসি নাই, এবারই প্রথম । সাত সকালে মানুষ কম ছিল কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। আমি আমাদের দেশের সরকারী মেডিকেল গুলুর চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে অবগত আছি,অনেক নেগেটিভ কথাই শুনেছি এবং নেগেটিভ কথা শুনছি । যাই হউক আমি আমার আত্মীয় এর খবর নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম মেডিকেলের চারপাশ টা দেখতে ,দেখতে লাগলাম চারপাশ । আমার আসলে একটা কথাই মনে হচ্ছিল তখন যে আমরা চাইলে আমদের জনগন কে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা দিতে পারি এই মেডিক্যাল থেকে। আমাদের অনেক বড় একটা মেডিকেল হাসপাতাল আছে ( যদিও সিঁড়ির পাশে,রাস্তার পাশে অস্থায়ী বেডে রুগী রাখা),অনেক জনবল ( বড় ডাক্তার, বিশেষজ্ঞ ডাক্টার,সিনিয়র ডাক্টার,জুনিয়র ডাক্তার,ইন্টারণী ডাক্তার আর নার্স রা ত আছেনই ), সেবা প্রদানকারী যন্ত্রপাতি (এক্সরে মেশিন,রক্ত পরীক্ষার যন্ত্র ইত্যাদি) আছে কিন্তু একটা জিনিস এর অভাব আছে আর সেটা হচ্ছে ভাল ব্যাবস্থাপনা । যদি হসপিটালের বর্তমান ব্যাবস্থাপনার ৫% উন্নতি করা যেত তাহলে আমদের জনগন আরও ভাল চিকিৎসাসেবা পেতে পারত। পাশাপাশি হসপিটালের নিচের স্তরের কর্মচারীদের অবৈধ লেন দেন (যে সেবা তারা অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে রুগীদের দিয়ে থাকে অথচ যা তাদের কর্তব্য ) বন্ধ করা গেলে আমার মনে হয় হসপিটালের সেবার মান আরও বাড়ানো সম্ভব,তার জন্য যেটা দরকার সঠিক ব্যাবস্থাপনা এবং যথাযথ মনিটর। আমরা চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাই, প্রাইভেট মেডিকেলগুলুতে প্রচুর অর্থের বিনিময়ে ভর্তি হই অথচ তার চেয়ে কম খরচে আমাদের সরকারি মেডিক্যাল থেকে অনেক ভাল সেবা পেতে পারি, আর আমাদের বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা সরকারী মেডিক্যাল এ আরও বেশি সময় ( উনারা দেন তবে আরও ৫% বেশি সময়) যদি ভালভাবে দিতেন তাহলে আমার ব্যাক্তিগত ভাবে মনে হয় আরও ভাল সেবা মনে হয়ত আমরা পেতে পারতাম। আমার মনে হয় সরকারের হাসপাতাল ব্যাবস্থাপনার দিকে নজর দেওয়া উচিত, এবং চিকিৎসা সেবা প্রদানের সাথে যারা জড়িত আছেন তাদের সবার ব্যাবস্থাপনা দক্ষতা বাড়ানোর জন্য কাজ করা উচিত।
ঢাকা মেডিকেল এ কিছুক্ষণ এবং কিছু উপলব্ধি.................
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম
২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল... ...বাকিটুকু পড়ুন
ভাষণময়

বিশ্বাসগুলো হাবুডুবু খাচ্ছে
ভাগ্যের কম দোষটার হাত
ঝাঁকনি কম নেই তো- তাহলে
বিশ্বাসগুলো মরে যাচ্ছে এই;
মাটির আনন্দটা শুধু ফুল গন্ধ
নাকের সুসংবাদ যে দৌড়াচ্ছে
রাতের ঘুমটা যেনো স্বপ্নবিরল কষ্ট
ভোরের শিশির গড়ে না আর শক্ত;
তবু নিশ্বাসে... ...বাকিটুকু পড়ুন
।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন
=শরত তুই যাস নে ! =

ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস জীবনে কেবল বৃষ্টির হাপিত্যেশ,
মেঘ বলেছে আসবো আসবো আমার উদ্দেশ,
শুভ্র মেঘেদের নাচন
উত্তাপ হাওয়ায় যায় না আর বাঁচন,
তবুও স্নিগ্ধ আবেশ মনজুড়ে,
হঠাৎ হাওয়ার ঝাপটা, বাজে পাতার বাঁশি সুরে।
বিকেলের হাওয়ায় দেহ... ...বাকিটুকু পড়ুন
১ কোটি চাকরি: শর্ত প্রযোজ্য, মেধার প্রবেশ নিষেধ !

ভোটের আগে বলা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে প্রথম আঠারো মাসেই এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়া হবে। কথাটা শুনে দেশের বেকার তরুণেরা তো মহাখুশি, কেউ ভাবল সরকারি চাকরি হবে, কেউ ভাবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।