যদি প্রশ্ন করা হয়, বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে আপনি কি গর্ব অনুভব করেন? অনেকেই বিস্ময়ের সাথে উত্তর দিবে কেন নয়! অবশ্যই আমি গর্ব অনুভব করি। যে দেশ ৩০ লক্ষ প্রাণ আর ২ লক্ষ মা - বোনের সম্ভ্রম এর বিনময়ে পেয়েছি, যে দেশে অগণিত বীরের জন্ম হয়েছে,সে দেশে বসবাস করা সত্যিই গর্বের। রক্ত আর সম্ভ্রমের বিনিময়ে দেশ পেয়েই যদি আপনি গর্ব অনুভব করেন তবে আমি মনে করি আপনি ভুলের সাগরে নিমজ্জিত হয়ে আছেন। একজন মানুষ কখন তার দেশের নাগরিক হিসাবে গর্ব অনুভব করতে পারে, সেটা আপনাকে জানতে হবে।
আজকের দিনের দেশপ্রেমিক, জাতীয়তা বাদে বিশ্বাসী তথাকথিত বুদ্ধিজীবি, টকশোজীবি, সরকারীদল বা বিরোধীদল, যাদের সার্বক্ষণিক আলোচনা উন্নত সমাজ ব্যবস্থা বা টেকসই উন্নয়ন, তারা কতটুকু আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা, পারিবারিক পরিবেশের পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পেরেছেন? কতগুলো মানুষের মনে তারা সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সচেতনতা গড়ে তুলতে পেরেছেন? স্বধীনতা পর আমাদের রাজনৈতিক পটভূমিরই বা কতটুকু পরিবর্তন করতে পেরেছেন? আদৌ কি তারা, আমাদের গর্বিত হওয়ার মত কোন কিছু করতে পেরেছেন? নিজের মনে একটু ভেবে দেখুন তো তারপরও আপনি গর্বিত কিনা! আর একটু পরিষ্কার করার জন্য 'অ্যাডলফ হিটলার' এর সামান্য একটু লেখা উল্লেখ করলাম,,,,,
" উন্নত সমাজ গড়ে তুলতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন মানুষের ভিতরে দেশপ্রেম বা জাতীয়তাবাদী আদর্শ জাগরিত করা।যা ছাড়া সমাজকে কিছুতেই উপরে টেনে তোলা যাবে না।কিন্তু সেটা করতে প্রথমেই শিক্ষা এবং পারিবারিক পরিবেশের আমূল পরিবর্তন দরকার।প্রত্যেকের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সচেতনতারও প্রয়োজন।সর্বোপরি দেশের রাজনৈতির পটভূমিও মহৎ হওয়া চাই। একমাত্র তাহলেই সে দেশের নাগরিক হিসাবে গর্ব অনুভব করা যাবে।মানুষ যাকে ভালবাসে তারই জন্য সংগ্রাম করতে পারে।আবার যেটাকে সে শ্রদ্ধা করে, তাকেই সে ভালবাসতে পারে।আর শ্রদ্ধা করার জন্য সেই বিষয়টা সম্পর্কে পুরো না হলেও কিছুটা জ্ঞান থাকা আবশ্যক।"
তারপরও বলি যে, সে দিনটা খুব বেশি দূরে নয়, যেদিন আমার মত করে যারা ভাবছেন বা ভেবেছেন তারাও বুক ফুলিয়ে গর্ব করে পরব " আমি গর্বিত আমি বাঙ্গালী।"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



