somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ড: ওয়াজেদ সাহেব'কে ধাক্কা দিয়ে যারা ফেলে দিয়েছেন তাদের বিচারের আওতায় আনা হোক

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

''ভাসুরের নামটি মুখে উচ্চারণ করা যাবে না'' ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামকে নিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের বক্তব্য, বিবৃতির মাধ্যমে গ্রামঞ্চলের সেই বহুল ব্যবহৃত কথাটির সত্যতাই যেনো আমরা দেখতে পাচ্ছি।১/১১ সরকার গঠনে মুল অবদান যে শেখ হাসিনার এবং তা তিনি নিজের মুখে গর্বভরে সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করলেন।অথচ এখন সবদোষ যেনো বেচারা নন্দঘোষ মাহফুজ আনাম ও মতিউর রহমানের।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গতকালের একুশের অনুষ্ঠানে আবেগ নিয়ে তাঁর গ্রেপ্তারের কাহিনী বর্ণনা করলেন।দেশের মানুষও নিশ্চিতভাবে তাঁর প্রতি সহানুভুতিশীল ।তবে তারা একটা বিষয়ে সন্দিহান শেখ হাসিনা যে ১/১১ পরবর্তী সকল ঘটনার দায় মাহফুজ আনাম ও মতিউর রহমানের উপর চাপাচ্ছেন , আচ্ছা তাঁকে গ্রেপ্তার যারা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে কেন মামলা করেন না। মাহফুজ আনাম ভুল স্বীকার করেও যদি এ পর্যন্ত ৭৮টি মামলার আসামী হন তবে তাঁকে যারা জেলে নিলেন। রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে চাইলেন, তাঁর স্বামীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলেন, তাদের বিরুদ্ধে ১টি মামলাও কেন এখনো করা হল না সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ? ওয়াজেদ সাহেবকে কারা ধাক্কা মেরে ফেলে দিলেন এটা জানার অধিকার সারাক্ষণ যে জনগণের ঘাড়ে বন্ধুক রেখে সব শত্রু নিধণে ব্যপৃত থাকেন তাদের নিশ্চয়ই আছে ?
তাছাড়া বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে একজনকেও পাওয়া যাবে না 'প্রধানমন্ত্রীর ভাষায় ওয়াজেদ সাহেব'কে ধাক্কা দিয়ে যারা ফেলে দিয়েছেন তাদের বিচার প্রত্যাশা করবেন না। তাই এখন সময় এসেছে ''অপরাধী যদি নিজের ভাশুরও হন তবুও তার নাম এখন প্রকাশ করতে হবে।'' অন্যথায় বুঝতে হবে ভাশুরের অপরাধে আমরা সবাই মদদদাতা । তাই মাহফুজ আনাম ও মতিউর রহমানের মত আউটসাইডার নয়, ১/১১ এর মূল ঘটনা যারা সরাসরি পরিচালনা করেছেন , অর্থ্যাৎ সেই সময়কার দায়িত্বপালনকারি ডিজিএফআই , যৌথ বাহিনী, র‍্যাব সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।অন্যথায়, সেইসময় ইনডেমনিটি দেয়ার ঘোষণা মাধ্যমে যে রাজনৈতিক অবস্থান পরিস্কার করেছিলেন তারমধ্যে নিজেদের সীমিত রাখুন।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:৪৩
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×