''গোলাম ফারুক অভি'' বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির এক বিতর্কিত অথচ অসম্ভব জনপ্রিয় চরিত্রের নাম।যাকে নিয়ে তৈরি বহু মিথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র-নেতা-কর্মীদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।তবে অস্বীকার করার জো নেই, গোলাম ফারুক অভি'র মত অসম্ভব মেধাবী ছাত্রের রাজনীতিতে এতটা এক্সট্রিম লেভেলে জড়িয়ে পড়াদের সংখ্যাও খুব বেশি খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ আছে।অভি শুধু যে ছাত্রদের কাছেই জনপ্রিয় ছিলেন, তা বলা যাবে না। তখনকার সময়ের নামীদামী সব পত্রিকার কাছে তাঁর নিউজভ্যালূ ছিল আকাশচুম্বী।একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টা পরিস্কার হবে। একবার অভি আহমেদ গ্রেপ্তার হলে অন্যান্য নিউজের সাথে ছাপা হলো '' এঞ্জেলা ''নামীয় জার্মান এক সুন্দরী তরুনীর সাথে তাঁর রোমান্সের গল্প। এক কথায় অভি ছিলেন ছাত্ররাজনীতির এক সেনসেশনাল তরুন ব্যক্তিত্ব। যে নিজেকে সৃজনশীলতার আচঁরে আলাদাভাবে তুলে ধরার বিশেষ যোগ্যতাও পুরোটাই ধারন করতেন অভি।
সেই অসম্ভব মেধাবী ছাত্রনেতা গোলাম ফারুক অভি'র একটি কথা (হয়ত এটাও তাঁর সম্পর্কে প্রচলিত মিথ ) আজ খুব করে মনে পড়ছে। কথাটি ছিলো অনেকটা এরকম'' ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্স বুঝতে হলে অবশ্যই তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌকাঠ পেরোতে হবে।’’
হয়ত কথাটা সত্যি নয়, অথবা সত্যিই ছিলো।কিন্তু কথাটার স্পিরিট নিয়ে কোনোই ভুল নাই সেটা সবাই বিশ্বাস করত।সম্ভবত এখন যারা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আছেন তারা আরো বেশি করে অনুভব করছেন। তারা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন বাস্তবিক অর্থেই সারাজীবন বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বরে পা মাড়ায়নি ,তাদের দ্বারা কেবলমাত্র একঝাঁক বশংবদ কার্ডধারী নেতা নিয়োগ দেয়া সম্ভব। কিন্তু ছাত্রসংগঠনের রাজনৈতিক নীতি নির্ধারণ সম্ভব নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

