
মিঠু মিঠু নরম আলোর শৈশবে রঙধনু ছটার তিতির ছিল
সর্বস্ব বাজী রাখা ন্যাওটা কুকুর টা ও পায়ে পায়ে থাকত ;
এই কুল ও কুল আনন্দ ছাপানো তুমুল কৈশোরে সাদা বেড়াল টা পোষ মেনেছিল খুব
শীতের রাত্তিরে কোলে গুঁজে রাখতাম ;
আর কে না জানে বিড়াল গুলো আবদেরে হয়।
কৈশোরটা যাই যাই কালে কিছু প্রজাপতি পোষ মানানোর
উথাল পাতাল ইচ্ছে বুকের অলিন্দে জমিয়ে রেখেছিলাম।
জানো !!!
তারুণ্যে রয়েল বেঙ্গল টাইগার কে পুরে ছিলাম বুকের খাঁচায়
এরপর !!
কখন একসময় নিজেই হয়ে গেলাম তার সুরে গাওয়া ময়না ;
সেই সময় খুব ক্রীতদাস পোষার শখ ছিল।
আজাকাল আমি বেশ অগোছালো পাথুরে রঙ এর
এক টুকরো পাথর কে পোষ মানিয়েছি
নির্বিকার অবয়য়ে অথচ কি ভীষণ বাঙময়!!!!
মরুভূমির তপ্ত রোদ ,দেশীয় বর্ষা বাদল সয়ে খুব কাছে রইল সে
নিজেকে পরশ পাথর করে ছুঁয়ে দিতে চাইলে;
অভিমানী দৃষ্টিতে প্রশ্ন রাখলোঃ
কুঁড়িয়ে আনা "একেবারেই ব্যক্তিগত একটা পাথর
কে পোষ মানানোর মত ভুলের মারাত্মক খেসারত দিতে হয় জানো ?
আমি বললাম ভেবে দেখিনি ;
পাথরে প্রাণ দিতে পারলে, ঈশ্বর বলে তিরস্কার করা হবে তোমাকে সেকথা ও মনে রেখোঃ
তাকে জানালাম তাহলে আর কাজ নেই ওমন উদ্ভট শখ এর।
প্রশ্ন এলো
পাথরে পাথরে ঘষা দিয়ে আগুন জ্বালাবো , নাকি পাথর ঘষে
শাণিত করব কবি হৃদয় ?
এ ও বুঝিয়ে দিলো "নির্বিকার পাথরে আকার দিতে গেলেই বিপদ "
প্রশ্নবানে জর্জরিত হতে পারি।
কবি সত্ত্বাকে তুমুল ধিক্কারে বিদায় জানিয়ে ফিরলাম প্রতিদিনের গৃহকাজেঃ
নিত্যদিনের থালাবাসনের ঝনঝনানিতে।
অগোছালো কবি আজ
ঝনঝন করা শব্দে নিমগ্ন হয়ে শুধু কবিতার ঝংকার ই শুনতে পেলো !
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



