যৌতুক নিবো না বলে যে পণ করেছি তা কিন্তু অক্ষরে অক্ষরে পালন করবো। ইহা চিরন্তন সত্য বাণী হলেও আমি কিন্তু শশুরের বাড়ির জমির ভাগ ছাড়বো না,এটা বলে দিলাম!!
বিয়ের আগে ছেলে যৌতুক না নিলেও কিন্তু শশুরের কি কি আছে সেগুলো হিসেব করে রেখেছিলো। তাই যৌতুক না নিলেও ছেলে কিন্তু বড় অংকের একটা টাকা ভাগ শশুর বাড়ি থেকে পাবে!!
সমাজে বিত্তবানরা খুজে বিত্তবান জামাই আর গরীবরা খুজে তাদের থেকে একটু উচু জামাই!! জামাই শিক্ষিত আর চাকরিজীবি হলে তো কথাই নেই। জামাই আদর পাবার পাশাপাশি গরু ছাগল,হাস মুরগিসহ বাড়ি চলে যায় মাসে ছয় মাসে!!
বাবার রিটায়ার্ডমেন্টের টাকা আর মায়ের গহনাটুকু কিন্তু ঐ মেয়ের পিছনেই ব্যয় করেন একজন বাবা মা । বর্তমান সময়ে গ্রাম গুলোতে যৌতুকের হার কিছুটা কমলেও বেড়েছে বউকে গার্মেন্টসে চাকরি করার প্রবণতা !! মেয়ের বয়স ১২-১৩ হলেই এলাকার চেয়ারম্যান মেম্বরদের কাছে একটা আঠারো বছরের সার্টিফিকেট নিয়ে মেয়েকে বয়স্ক দেখিয়ে গার্মেন্টসে কাজ করাচ্ছেন।
একদিকে অল্প বয়স অপর দিকে ঝুকির্পূণ কাজ !! এর মধ্যে অধিকাংশ ছেলে মেয়ের গার্মেন্টস এর কোনো অপাপ্ত বয়স্ক ছেলেকে বিয়ে করার দৃশ্য সবচেয়ে বেশি।
জামাই কি করে ? হামার জামাই চাকরি করে !! শশুরের এহান উত্তর হয়ত সাময়িক সময়ে গর্বিত করে কিন্তু অপাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়ে গুলোর জীবনে নেমে আসে এক দুর্বিসহ সময় !! বিয়ের এক বছর পার হতে না হতেই একটা সন্তানের জনক/জননীরা হয়ে পড়েন শারীরিক প্রতিবন্ধীর মত!! এটা অসভ্য কথা হলেও ঘটনা সত্য,বাস্তব!!
মেয়ের অপাপ্ত বয়স আর চেহারার গড়ন যখন ভেঙ্গে পড়ে তখন উঠতি বয়সের ছেলেটা কিন্তু ঠিকই উকি মারে গার্মেন্টসের নতুন কর্মীর উপর !! চলে আসে সংসারে ফাটল,আজ এই ঘটনা তো কাল সেই ঘটনা !! এভাবে নির্যাতিত হতে থাকে একটি অপাপ্ত বয়স্ক মেয়ে। সংসার ভাঙ্গা থেকে শুরু করে আত্মহত্যার মত কঠিন পথ বেঁঁছে নিতে হয় একটি মেয়েকে!!
এসব থেকে কি আমরা পরিত্রাণ পাবো না ? নারী জাগরণের এই দিনেও গ্রাম গুলোতে এসব প্রতিনিয়তই চোখে পড়ে,কানে আসে।
আসুন না একটু সচেতন হই,পাশের বাড়ির এসব অপাপ্ত বয়স্ক মেয়েদেরকে স্কুলে পাঠাই,একটু পূর্ণ বয়স্ক হলে তারপর বিয়ে দেই......
M.a. Momen Khan এর সচেতনতা মূলক লেখা। ধন্যবাদ সবাইকে পড়ার জন্য।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



