আজ কবি সম্রাট, রাজার রাজা হুমায়ূন আহমেদ এর শুভ জন্মদিন। বাংলা সাহিত্যের ধ্রুব তারা,আলোকদীপ্ত প্রদিপ হুমায়ূন আহমেদ তার সমস্ত লেখার মধ্য দিয়ে কিছু পাগল সৃষ্টি করে গেছেন। তার সেসকল পাগলদের মধ্যে আমি নিজেকে অন্যতম পাগল মনে করি। প্রিয় লেখকের জন্মদিনে একজন ভক্ত বিশেষ উপহার দিলেন,সেটি হলো হুমায়ূন আহমেদ এর কিছু অপ্রকাশিত লিখা। যে সম্পর্কে কাছের দু একজন মানুষ ছাড়া আর তেমন কেহই জানেনা। তেমনি একটি লিখা নবীজি।
একবার হুমায়ূন স্যার বাংলা বাজারে একটি বইয়ের দোকান উদ্ভোধন করতে গেলেন। সেখানে মিলাদ ও কিয়াম হলো। শেষে একজন আলেম হাত তুললেন আল্লাহর দরবারে,আলেমের মুনাজাত হুমায়ূন আহমেদকে মুগ্ধ করলো। হুমায়ূন স্যার আলেমকে কাছে ডেকে বললেন আপনার মুনাজাতে আমি মুগ্ধ, আলেম বললেন স্যার একটা কথা বলি? হুমায়ূন স্যার মাথা নাড়লেন হ্যাঁ। এবার মাওলানা বললেন আপনি এদেশের একজন শক্তিমান লিখক,আপনার লিখায় মুক্তা ঝরে। নতুন প্রজন্ম আপনার ভক্ত। আমাদের এ প্রজন্ম দয়াল নবীকে ভালোভাবে চিনেনা। আপনি যদি আমার রাসুলে পাক দঃ এর কোন জীবনি লিখতেন তাহলে কতো মানুষ আমার রসুল দঃ কে আপনার মাধ্যেমে জানতে পারতো।
হুমায়ূন স্যার সেই মাওলানাকে কথা দিলেন লিখবেন বলে। হঠাত একদিন লিখতে বসে তাঁর মাথায় চাপলো কতো মানুষ দয়াল নবীকে স্বপ্নে দেখেছে, যতদিন না তিনি দেখবেন ততদিন তিনি লিখবেন না, তবে স্যার লেখার জন্য বিভিন্ন বই,তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে লাগলেন।
হুমায়ূন আহমেদ মৃত্যূর কিছুদিন আগে হঠাত কাগজ কলম হাতে নিলেন। লিখা শুরু করলেন "নবীজি"। কিন্তু ভাগ্য সুপ্রশন্ন হয়নি, ধরাধাম ছেড়ে চলে গেলেন এ শতাব্দীর মহানায়ক, আমার কবি। তবে কয়েক পৃষ্ঠা লিখেছেন , সে লেখাগুলো ছবিতে দেয়া হলো, ভালো করে পড়ে দেখুন তৃপ্তি পাবেন নিশ্চিত।
তিনি তার লেখার একজায়গায় রাসুলের শাফায়াত চাইলেন,দয়া চাইলেন। আচ্ছা আমার রাসুল দঃ কি তাকে সেই দয়ায় সিক্ত করেছেন? জানিনা হয়তো রাহমাতাল্লিল আলামিন এর রহমতের দরিয়ায় তিনি ঝাঁপদেবার সময় সমাগত ছিলো। নাকি আমার দয়াল তাঁকে কদমের আশ্রয় দিয়েই দিলেন, সে প্রশ্ন থেকে যাবে মহাকালের কাছে।
আসুন পড়ি অসমাপ্ত কিন্তু অদ্ভুদ সেই লিখা, নবীজি।
(ছবি গুলো সিরিয়াল করে দেয়া আছে একটির পর একটি পড়

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


