আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস
----------------
বিসমিল্লাহ ) আজ ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের আহবানে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস।দুপুরে দেখলাম চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের দিকে একই ধরনের গেন্জি পরা কিছু লোকের ঢোলক শোভাযাত্রা।সাথে দিনটির প্রতিপাদ্য শ্লোগানের, দাবীর পেস্টুন।দিনটি ১৯৫০ থেকে বিশ্বময় পালনের রেওয়াজ শুরু। সে থেকে একটি লোক দেখানো রুটিন প্রোগ্রামের মতো চলছে এটি।সত্যিকারের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠাতো দুরে, বরং মানবাধিকার লংঘন নতুন মাত্রা লাভ করেছে বিশ্বব্যাপী। ভাগ্যের কী নির্মমতা! আজ একদিকে চলে মানবাধিকার দিবস উদযাপনের উল্লাস, আর অপরদিক থেকে শোনা যায় মুসলমান স্মরণার্থিদের বাঁচার আর আশ্রয়ের আর্তনাদ।একদিন যে জাতির কল্যানে বিশ্বমানবাধিকার ধারনার জন্ম হয়েছিল,আজ তাদের এ হাল? জাতিসংঘের মানবাধিকার ঘোষনা ১৯৪৮ সনে, আর আমাদেরটি ছিল ৬৩২ সনে, ১০ম হিজরির ৯ জিলহজ্ব আরাফাতের ময়দানে। আমাদের ইসলাম দিয়েছিল সমগ্র সৃস্টির অধিকার, আর আজ সে অভিজাতদের আত্মতৃপ্তি শুধু মানবাধিকারে? আমাদের খলিফা উমর ফারুখ (রা) ' ই বলেছিলেন,------ যদি ফোরাতের ঐ তীরে একটি কুকুরও না খেয়ে মরে, তারজন্য হাশরের ময়দানে এই উমরকে পাকড়াও করা হবে'। আহা কত ব্যাপক, কত উদার দ্বীনের উত্তরাধিকার আমরা। যেখানে বলা হয় যে, ---যদি কোন মুসলিম দেশে কোন অমুসলিম নির্যাতিত হয়, তবে আমি (নবী--মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সে মুসলিম দেশের শাসকের বিরুদ্ধে হাশরের ময়দানে মামলা দায়ের করবো '। আজ যারা সমগ্র সৃস্টির অধিকার নিশ্চিতের জিম্মাদার হবার কথা, তারাই আজ পৃথিবীজুড়ে সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লংঘনের শিকার।তাদের নিজেদের বাঁচবার অধিকার পর্যন্ত আজ অনেকাংেশ অনিশ্চিত।কেন এমন হলো?
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৩:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




