আওয়ামীলীগ এত খারাপ সবসময় সামরিক সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেয়। ৭০ এ ইয়াহিয়ার অধীনে নির্বাচন করে দেশের স্বাধীনতার ভিত্তি স্থাপন করেছিল । এই নির্বাচনে অংশগ্রহনের সময় মাওলানা ভাসানী সমালোচনা করেছিলেন। আবার ১৯৭৯ তে সামরিক জান্তা জিয়ার অধীনে নির্বাচন করে। এবার ইয়াহিয়ার মতো ভূল জিয়া করেন নাই। নির্বাচনের আগের দু-বসর আওয়ামী সাপোর্টারদের এমন সাইজ করেছিলো কাউকে মাঠেই পাওয়া যায় নাই। তারপর ও এদেশের মানুষকে জরুরী শাসন থেকে মুক্ত করেছিলো। আবার ৮৬ সালে সামরিক জান্তা এরশাদের অধীনে নির্বাচন করছিলো। আওয়ামীলীগ যে নির্বাচন ছাড়া অন্য কোন পথে ক্ষমতায় যেতে জানে না। তবে এবার ষাঁড়ের চেঁচিয়ে ঊঠলো তৎকালীন সুশীল সমাজ যারা নাকি সামরিক জান্তা জিয়ার সাথে কোদাল হাতে খাল কেটে এদেশে কূমীড় এনেছিল। উল্লেখ্য এই সুশীল সমাজ ও কমিউনিস্টরা ৭৯ এর নির্বাচন নিয়ে কিছু বলেন নাই। কারণ তারা সেদিন ভেবেছিলো এটাই শেষ সামরিক অভ্যুত্থান। আর বিএনপি তো জানে সামরিক সরকাররা নির্বাচন কিভাবে ম্যানুপুলেসন করে তাই স্বাভাবিক ভাবে তারা নির্বাচনে অংশ নিবেনা। তবে ওই সংসদ থেকে আওয়ামীলীগ পদত্যাগ করার করার পর ওই সরকারের ভিত দুর্বল হয়ে যায় এবং সামরিক অধ্যায়ের পতন শুরু হয়। আবার ও ২০০৯ এ ছায়া সামরিক সরকারদের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেয় কিন্তু বিএনপি এবার আর ম্যানুপুলেসন করতে পারে নাই। বিএনপি অন্য কোন সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চায় না বা করে নাই। তারা তত্বাবধায়ক কে পছন্দ করে এই জন্য সুশীলরা এক সরকারকে দুবার চায় না কারন সুশীলরা খায় এদেশে চলে বিদেশীদের কথায়। আওয়ামীলীগ সারাজীবন নির্বাচনে বিশ্বাস করে তাই তারা ইয়াজ উদ্দিনের অধীনের নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলো। আর বিএনপি একবার ক্ষমতার ছাড় দিয়েছে তবে দুবার দেবার ইতিহাস নাই। তাই যে সকারের অধীনে তাদের জয় নিশ্চিত, তাদের অধীনে নির্বাচনে যাবে। নির্বাচনে কারচুপি হলে তাঁর বিরুদ্ধে আন্দোলন করার মত সাংগঠনিক অবস্থা তাদের নাই। তাই নির্বাচনে অংশ না নেওয়া ই শ্রেয়। এই সরকারের পতন এমনি গঠবে যদি আর বেশী স্বৈরচারী হয়। খামাখা আন্দোলন করে সুখ নিদ্রা নষ্ট করার ইচ্ছা বিএনপির নাই।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

