প্রতারক সাহেদ বা সাবরিনারা যখন আদালতে হাজিরা দিতে আসেন তখন তাঁদের চেহারার ফুরফুরে ভাব দেখে বুঝতে বেগ পেতে হয়না তাঁরা জেলখানায় কতটা সুখে আছেন। এঁদের কাউকে কখনো খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায় না, বা কারো কাঁধে ভার দিয়ে তাঁরা আদালতে আসেন না। হাজিরা শেষে জেলখানায় ফিরে যানও একপ্রকার হাসিমুখেই। কারণ, তাঁরা জানেন ওখানে তাঁরা সেইফ। প্রতারকদের কেউকেউ আবার কারাগারে ডিভিশনও পান!
আর, ওদিকে কার্টুনিস্ট কিশোর, লেখক (পুলিশ হেফাজতে মৃত) মুশতাক বা শিল্পী শহিদুলের মতো সৃজনশীল মানুষগুলোকে জেলখানা হতে আদালতে আনলে দেখা যায় পুরোপুরি ভিন্ন চিত্র। কেউ খুঁড়িয়ে হাঁটেন, কেউ সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেন না, কারো চোখেমুখে রাজ্যের দুশ্চিন্তা, ভীতি, কতো কি! অভিযোগ রয়েছে, আটকের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নির্যাতনের অংশ হিসেবে লেখক মুশতাক আহমেদকে বৈদ্যুতিক শকও দেয়া হয়েছিল।
তবে কি ডিজিটাল বাংলাদেশে আপোষহীন লেখক-শিল্পী হবার চেয়ে প্রতারক হয়ে জন্মানোই সৌভাগ্যের?
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মার্চ, ২০২১ রাত ১২:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




