somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কথা দিলে আপনাকে কথা রাখতেই হবে ...

০৮ ই মে, ২০২৪ রাত ২:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

উত্তর আমেরিকার প্রেক্ষাপটে নিচের কথাগুলো বলছি। বাংলাদেশের প্রাইভেট চাকুরীতে এ পরামর্শ কতটা প্রযোজ্য জানিনা, তবে, সরকারি চাকুরীতে হয়তোবা একদমই না।

ধরুন, আপনাকে আপনার টিম লিডার (বস) একটা কাজ দিয়ে জানতে চাইলেন সে কাজে আপনার কত ঘন্টা ব্যয় হবে। আপনি তাঁকে ১০০ ঘন্টা লাগবে বলে জানালেন। পরে দেখা গেলো কাজটি শেষ করতে আপনি ১২০ ঘন্টা ব্যয় করেছেন। [The company has lost money!]

এমন ঘটনা কয়েকবার ঘটলে আপনি কিন্তু চাকুরী হারানোর ঝুঁকিতে পড়ে গেলেন।

এমন ক্ষেত্রে আপনাকে কেউ বকাঝকা দেবে না, বা আপনার সাথে অপেশাদারী আচরণও করবে না। কেবল, সুযোগ এলেই আপনাকে আপনার প্রাপ্য দিয়ে বেরুবার দরজা দেখিয়ে দেয়া হবে।

এক্ষেত্রে আপনি যা করতে পারতেন তা হলো, ওই কাজে যতটা সময় লাগতে পারে ধারণা করেছেন, তার সাথে আরো কিছু ঘন্টা যোগ করে দিয়ে আপনার দেয়া সময়সীমার আগেই কাজটা বসকে বুঝিয়ে দিতে পারতেন।

কথা দিলে আপনাকে কথা রাখতেই হবে যদি না বড়ধরণের কোন কারন থাকে। এটাই এখানকার (নর্থ আমেরিকা) টিম লিডার, বস বা নিয়োগকর্তাদের প্রত্যাশা।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০২৪ রাত ২:০১
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মুক্তিযুদ্ধা কোটা ব্যাবস্থা কাউকে বঞ্চিত করছে না।

লিখেছেন হাসান কালবৈশাখী, ১৪ ই জুন, ২০২৪ রাত ৩:৩২

কোটা ব্যাবস্থা কাউকে বঞ্চিত করছে না।
সকল যোগ্যতা জিপিএ-্র প্রমান দিয়ে, এরপর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা, সেকেন্ডারি।
এরপর ভাইবা দিয়ে ৬ লাখ চাকুরি প্রার্থি থেকে বাছাই হয়ে ১০০ জন প্রাথমিক নির্বাচিত।

ধরুন ১০০... ...বাকিটুকু পড়ুন

মনা মামার স্বপ্নের আমেরিকা!

লিখেছেন কৃষ্ণচূড়া লাল রঙ, ১৪ ই জুন, ২০২৪ সকাল ১০:২৩

শুরুটা যেভাবে



মনা মামা ছিলেন একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। তার বাবা একজন ব্যবসায়ী ছিলেন, আর মনা মামা তার বাবার ব্যবসা-বাণিজ্য দেখাশোনা করতেন। ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল অনেক টাকা কামানো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেনজীর তার মেয়েদের চোখে কীভাবে চোখ রাখে?

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ১৪ ই জুন, ২০২৪ বিকাল ৩:০৬


১. আমি সবসময় ভাবি দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর যারা মিডিয়ায় আসার আগ পর্যন্ত পরিবারের কাছে সৎ ব্যক্তি হিসেবে থাকে, কিন্তু যখন সবার কাছে জানাজানি হয়ে যায় তখন তারা কীভাবে তাদের স্ত্রী,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের সাতকাহন

লিখেছেন বিষাদ সময়, ১৪ ই জুন, ২০২৪ রাত ৮:০১

অনেকদিন হল জানা আপার খবর জানিনা, ব্লগে কোন আপডেটও নেই বা হয়তো চোখে পড়েনি। তাঁর স্বাস্খ্য নিয়ে ব্লগে নিয়মিত আপডেট থাকা উচিত ছিল। এ ব্লগের প্রায় সকলেই তাঁকে শ্রদ্ধা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আত্মস্মৃতি: কাঁটালতা উঠবে ঘরের দ্বারগুলায় (চতুর্থাংশ)

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৪ ই জুন, ২০২৪ রাত ৯:২৭


আত্মস্মৃতি: কাঁটালতা উঠবে ঘরের দ্বারগুলায় (তৃতীয়াংশ)
আমার ছয় কাকার কোনো কাকা আমাদের কখনও একটা লজেন্স কিনে দিয়েছেন বলে মনে পড়ে না। আমাদের দুর্দিনে তারা কখনও এগিয়ে আসেননি। আমরা কী খেয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×