somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

এমজেডএফ
পেশা ব্যবসা ও চাকুরি। জ্ঞানভিত্তিক জীবনদর্শনে বিশ্বাসী। নির্জনে ও নীরবে প্রকৃতির নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে ভালোবাসি। বই পড়তে, ভ্রমণ করতে, একলা চলতে এবং জটিল চরিত্রের মানুষ থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করি। –এম. জেড. ফারুক

দেশ-বিদেশের আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব ১ - সান্তা লুসিয়া

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সেন্ট লুসি দিবস (), যাকে সেন্ট লুসি-এর উৎসবও বলা হয়—ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের জন্য একটি বিশেষ দিবস। এই উৎসবটি রোমের শাসক ডায়োক্লেস্টিয়ানিকের নির্যাতনের কারণে তৃতীয় শতাব্দীতে শহীদ সেন্ট লুসিকে স্মরণ করে ১৩ ডিসেম্বর পালিত হয়। কিংবদন্তি অনুসারে রোমান শাসনামলে সেন্ট লুসি ক্যাটাকম্বসে (ভূগর্ভস্থ কবরস্থান ও উপাসনার স্থান) মোমবাতি জ্বালানো পুষ্পস্তবক ব্যবহার করে ক্যাটাকম্বসে লুকিয়ে থাকা খ্রিস্টানদের কাছে "খাদ্য এবং সহায়তা নিয়ে এসেছিলেন"। এই উৎসবটি ক্যালেন্ডার সংস্কারের আগে বছরের শীতকালীন সময়ের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত দিন ১৩ ডিসেম্বর (জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে) পালন হয়েছিল। তাই এই দিবসটি পরবর্তীতে খ্রিস্টীয় আলোর উৎসবে পরিণত হয়েছে। সেইসাথে সেন্ট লুসি দিবসকে ক্রিসমাস ডের আগমনের পূর্ববর্তী সংকেত হিসাবেও গ্রহণ করা হয়।

সেন্ট লুসি দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্নভাবে উদযাপিত হয়। তবে এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়াতে সবচেয়ে বেশি জাঁকজমক সহকারে উদযাপিত হয়। কারণ স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশগুলোতে শীতকালে দীর্ঘ অন্ধকার থাকে। বিশেষ করে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে দিন সবচেয়ে ছোট এবং রাত সবচেয়ে দীর্ঘ হয়। বর্তমান গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে বছরের দীর্ঘতম রাত ২১ ডিসেম্বর হলেও অতীতের জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে এটি ছিল ১৩ ডিসেম্বর। তাই তাদের কাছে হাতে জ্বলন্ত মোমবাতি নিয়ে ধর্মীয় গান গেয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঘুরে বেড়ানোর এই উৎসবটি অনেকটা এই বার্তাই বহন করে—'এখন থেকে আস্তে আস্তে অন্ধকার কমে যাবে, আলো বাড়বে'। সেন্ট লুসিকে স্ক্যান্ডিনেভিয়াতে বিশেষ করে নরওয়েজিয়ান, ডেনিশ এবং সুইডিশ ভাষায় সান্তা লুসিয়া বলা হয়। তাঁকে সাদা পোশাকে একজন মহিলা হিসাবে উপস্থাপন করা হয় (খ্রিস্টানের সাদা ব্যাপটিসমাল পোশাকের প্রতীক), কোমড়ে লাল ফিতা (তার রক্তের প্রতীক শাহাদাত) এবং তার মাথায় থাকে পুষ্পের সঙ্গে মোমবাতির মুকুট। নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডের সুইডিশভাষী অঞ্চলগুলিতে গান গেয়ে সেন্ট লুসির পোশাক পরা মেয়েরা যে শোভাযাত্রা করে তা "বিশ্বব্যাপী অন্ধকার জুড়ে খ্রিস্টধর্মের আলো আনার প্রতীক" হিসাবে দেখা হয়। প্রোটেস্ট্যান্ট এবং ক্যাথলিক উভয় চার্চেই মেয়েদের সাথে ছেলেরাও মিছিলে অংশ নেয় এবং ক্রিসমাসের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন ভূমিকা যেমন সেন্ট স্টিফেনের ভূমিকা পালন করে। বলা হয়ে থাকে যে সেন্ট লুসি দিবসটি পুরোপুরিভাবে উদযাপন করা একজনকে দীর্ঘ আলো দিয়ে শীতের দীর্ঘ রাতগুলিতে বাঁচতে সহায়তা করবে। ইতালির লম্বার্ডি, এমিলিয়া-রোমগনা, ভেনেটো, ফ্রিউলি ভেনিজিয়া গিউলিয়া, ট্রেন্তিনো-অল্টো অ্যাডিজে, দক্ষিণে সিসিলি এবং ক্রোয়েশীয় অঞ্চলে সেন্ট লুসের প্রতি একটি বিশেষ ভক্তি অনুশীলন করা হয়। ডালমাটিয়ার উপকূলীয় অঞ্চল। হাঙ্গেরি এবং ক্রোয়েশিয়ার, সেন্ট লুসি দিবসে একটি জনপ্রিয় ঐতিহ্যের মধ্যে রয়েছে গমের শস্য রোপণ যা ক্রমে ক্রিসমাসে কয়েক সেন্টিমিটার উঁচু হয়ে জন্মের প্রতিনিধিত্ব করে।

সেন্ট লুসি


কিভাবে এ উৎসবের শুরু তার বিস্তারিত কোনো বর্ণনা নাই। তবে কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা ও তথ্যের ওপর ভিত্তি করে যতটুকু জানা যায় তাতে মনে করা হয় যে ৩য় শতাব্দীতে রোমান সম্রাটদের অত্যাচারের বলি হয়েছিলেন চির কুমারী সেন্ট লুসি ()। ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন কাহিনী অনুসারে, লুসি ২৮৩ সালের দিকে ইটালির সিসিলির সিরাকুসা শহরে ধনী ও সম্ভ্রান্ত পিতা-মাতার ঘরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর বাবা ছিলেন রোমান বংশোদ্ভূত, তবে তিনি লুসির পাঁচ বছর বয়সে মারা গিয়েছিলেন। লুসি এবং তার মাকে দেখাশুনা করার মতো কোনো অভিভাবক ছিলেন না। পরবর্তীতে লুসি একজন খ্রিস্টান সন্যাসীনী হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, সে সময়ে রোমান সম্রাটরা নব্য খ্রিস্টানদের ওপর নির্যাতন চালাতেন। তাঁরা চাইতেন না মানুষ রোমান পৌরাণিক ধ্যান-ধারণা ত্যাগ করে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করুক। সেন্ট লুসি রোমান সম্রাট ডায়োক্লেটিয়ানের () অধীনে সন্ত্রাসের সময় ক্যাটাকম্বগুলিতে (সুরঙ্গ) লুকিয়ে থাকা খ্রিস্টানদের সাহায্য করার জন্য কাজ করেছিলেন। তাদের জন্য খাদ্য ও পানীয় সরবরাহের জন্য তাকে উভয় হাত মুক্ত রাখতে হবে। আবার একইসাথে অন্ধকারে পথ দেখার জন্য আলোও দরকার। তিনি নিজের মাথায় পুষ্পস্তবক দিয়ে মোমবাতি সংযুক্ত করে এই সমস্যার সমাধান করেছিলেন।


লুসির মৃত্যু নিয়ে বিভিন্ন রকমের গল্পের প্রচলন রয়েছে। তবে তাঁকে যে রোমান সম্রাট ডায়োক্লেটিয়ানের আমলে খ্রিস্টানদের ওপর চালানো অত্যাচারে জীবন দিতে হয়েছে এ ব্যাপারে কোনো মতভেদ নেই। ৩০৩ খ্রিস্টাব্দে বিশেষ করে সম্রাট ডায়োকলেটিয়ানের নির্দেশে খ্রিস্টানদেরকে ধরে এনে রোমান পৌরাণিক দেব-দেবীদের জন্য বলি দেওয়ার উদ্দেশ্যে রোমের কলোসিয়ামে () হিংস্র জীবজন্তুর সামনে ছেড়ে দিতেন। এভাবেই মাত্র ২৫ বৎসর বয়সে ১৩ ডিসেম্বর তারিখে চির কুমারী সেন্ট লুসিয়ার মৃত্যু হয়।

যেভাবে পালন করা হয়
এ উৎসবটি বিভিন্ন দেশে বিভিন্নভাবে পালন করা হয়। তবে স্ক্যান্ডানেভিয়ান দেশগুলোতে এ উৎসব প্রায় একইরকম। আমি এখানে সুইডেনের উৎসবের একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করবো।


Lucia শব্দটি ল্যাটিন যার অর্থ আলো। সুইডেনে এই ঊৎসবকে সংক্ষেপে 'লুচিয়া' বা 'লুসিয়া' বলা হয় এবং ১৩ ডিসেম্বর সকাল বেলা পালিত হয়। এই উৎসবের মূল চরিত্রের নাম 'সান্তা লুসিয়া'। সুইডেনে লুসিয়া উৎসবের মধ্য দিয়ে ক্রিসমাস উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়। তারিখটি যেহেতু ১৩ তাই অনেকে এই রাতটিকে বিপজ্জনক রাত হিসাবে মনে করে এবং অতিপ্রাকৃত শক্তির ধ্বংস থেকে নিজেদেরকে বাঁচাবার জন্য এই উৎসবটি পালন করে। মধ্যযুগে এই উৎসবটি শূকর জবাই করে সারা রাত জেগে ধর্মীয় লেবাসে পালন করা হতো। এখন নর্ডিক দেশগুলোতে যেভাবে লুসিয়া উদযাপন করা হয় তার সাথে ধর্মের খুব একটা সম্পর্ক নেই। এটি এখন কোনো সরকারি ছুটির দিন নয়। অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ সবকিছুতে স্বাভাবিক দিনের মতো কাজকর্ম চলে। কাজের পাশাপাশি একটা লম্বা বিরতিতে সবাই একসাথে বড় হলরুমে বসে এবং তখন লুসিয়া সেজে একটি মেয়ে মাথায় আলোর পাগড়ি পরে সঙ্গি-সাথীদের নিয়ে বিশেষ কিছু গান গাইতে গাইতে এখানে প্রবেশ করে। তারা এখানে কিছু পারফরমেন্স করে আবার একইভাবে গান গাইতে গাইতে চলে যায়। এটিই উৎসবটির মূল আকর্ষণ। এরপর সবাই মিলে বিশেষ কিছু খাওয়া-দাওয়া করে। উত্তর ইউরোপের এই দেশগুলোতে শীতের এই দিনে রাত খুবই বড় (প্রায় ১৮ থেকে ২০ ঘন্টা)। দীর্ঘ অন্ধকারে মানুষ যখন ক্লান্ত তখন লুসিয়া তথা আলোর এই শোভাযাত্রা মানুষের মনে নতুন করে আলোর আশার সঞ্চার করে।


লুসিয়া উপলক্ষে সাফরান সহকারে তৈরি বিশেষ রুটি, একে সুইডিশ ভাষায় বলা হয় 'লুচিয়া কাট'।

সুইডেনের প্রতিটি জেলা শহরে প্রতি বছর লুসিয়া নির্বাচনের জন্য পত্র-পত্রিকায় বিজ্ঞাপণ দেওয়া হয়। আবেদনকারী সুন্দরী ও আকর্ষণীয় মেয়েদের থেকে একজনকে লুসিয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়। তার সাথে সঙ্গ দেওয়ার জন্য আরো কয়েকজন মেয়েকেও নির্বাচিত করা হয়। উৎসবের আগে কয়েকদিন এদেরকে বিশেষভাবে নির্মিত পোশাক পড়িয়ে গান ও শোভাযাত্রার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। জেলা পরিষদ নির্বাচিত লুসিয়া দলটি উৎসবের দিন প্রথমে স্থানীয় গির্জায় গিয়ে প্রথম অনুষ্ঠানটি করে। তারপর বড় বড় সরকারি অফিস এবং উল্লেখযোগ্য স্থানগুলোতে তাদের শোভাযাত্রা নিয়ে প্রদক্ষিণ করে। আবার স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, অফিস এবং প্রতিষ্ঠানে নিজেদের মধ্য থেকে লুসিয়া নির্বাচন করেও এই উৎসবটি পালন করা হয়। সুইডেনের এই উৎসবটি দেশ-বিদেশের দৃষ্টি আকর্ষণের অন্যতম কারণ হচ্ছে নোবেল পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানটির আয়োজন হয় ১০ ডিসেম্বর। তাই ১৩ ডিসেম্বর বিভিন্ন দেশের অতিথি এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ীরা সুইডেনে থাকেন। এইসব বিশেষ অতিথিদেরকে হোটেলে গিয়ে লুসিয়া শোভাযাত্রার মাধ্যমে ঘুম থেকে জাগানো হয়। তাই অনেক নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের আত্মজীবনীতে লুসিয়া উৎসবের এই চমক বা বিস্ময়ের কথা উল্লেখ থাকে।



সান্তা লুসিয়া গানের কথা

Santa Lucia
Night walks with a heavy step
Round yard and hearth,
As the sun departs from earth,
Shadows are brooding.
There in our dark house,
Walking with lit candles,
Santa Lucia, Santa Lucia!

Night walks grand, yet silent,
Now hear its gentle wings,
In every room so hushed,
Whispering like wings.
Look, at our threshold stands,
White-clad with light in her hair,
Santa Lucia, Santa Lucia!

Darkness shall take flight soon,
From earth's valleys.
So she speaks
Wonderful words to us:
A new day will rise again
From the rosy sky…
Santa Lucia, Santa Lucia!

Ref: Click This Link

তথ্যসূত্র:
উইকিপিডিয়া, ইন্টারনেট, সুইডিশ টিভি

আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব ২ - ক্র্যাম্পাস ►
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ভোর ৪:০৪
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভালবাসার হাত বদল

লিখেছেন ঢুকিচেপা, ০৮ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১:৩৭





ধবধবে সাদা বিশাল এক খন্ড বরফ।

নদীর তীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা ডুপ্লেক্স বাড়ীটাকে দুর থেকে দেখলে এমনই মনে হয়। তিনদিন আগে রং করা হয়েছে। দুধ সাদা রং। বাড়ীর দুপাশ দিয়ে দেখা যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

খুকু ও মুনীরের পরকীয়ার বলি শারমীন রীমাঃ হায়রে পরকীয়া !!

লিখেছেন নূর মোহাম্মদ নূরু, ০৮ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩১


পরকীয়া একটি নিষিদ্ধ সম্পর্কের নাম। মানবসমাজে কত ধরণের প্রেমই তো আছে! তবে যত ধরণের প্রেমই থাকুক না কেন ‘পরকীয়া’ প্রেমকে সবাই একটু ভিন্ন চোখে দেখে। নিষিদ্ধ জিনিষের প্রতি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেয়েটি চলল প্রবাসের পথে - আগমনী বার্তা (সামু পাগলার নতুন সিরিজ :) )

লিখেছেন সামু পাগলা০০৭, ০৮ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪০



এই পোস্টটি মূলত নতুন সিরিজ আসার আগমনী বার্তা। আবার একদিক দিয়ে দেখলে আমার জীবনে প্রবাসের আগমনী বার্তাও বটে।
আমি সাধারণত কোন সিরিজ শুরু করলে শেষ করতে পারিনা। সেজন্যেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

বৈরুত – হিরোশিমার মিনি ভার্সন

লিখেছেন শাহ আজিজ, ০৮ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৭



বৈরুতকে একসময় প্রাচ্যের প্যারিস বলা হত । ৪০এর দশকে আমাদের এই অঞ্চলের ছেলেরা বৈরুতের আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যেত । ওখানে চিকিৎসা এবং হাসপাতাল ব্যাবস্থা খুব উন্নত ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্ঘুম রাত

লিখেছেন মিরোরডডল , ০৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৫২





আবারও আসলাম কিছু প্রিয় গান নিয়ে ।
সাধারণত মেল ভোকালে বেশী গান শোনা হয় কিন্তু আজ কিছু ফিমেল ভোকালে গান শেয়ার করছি ।

আমি কেমনে কাটাই এ রাত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×