somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশ ড্রাইভিং ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট
আমাদের দেশে বিভিন্ন পেশার মানুষ আছে। তারা বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আয় করেন। এদের মধ্যে কেউ ড্রাইভিং পেশার মাধ্যমে আয় করেন অর্থাৎ তাদের মূল পেশাই হল ড্রাইভিং। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে ড্রাইভিং একটি সম্ভবনাময় পেশা। কিšন্তু‘ গাড়ি চালাতে হলে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সম্পর্কে ধারণা থাকতে হয়। এগুলোর ব্যবহার ভালভাবে শিখলে ড্রাইভিং শিখে দক্ষতা অর্জন করা যায়। আবার রাস্তায় গাড়ি চালানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের নিয়মকানুন , ট্রাফিক আইন ও ট্রাফিক সিগন্যালগুলো সম্পর্কে জানতে হয়। এ সকল বিষয়গুলি সম্পর্কে জানা থাকলে খুব সহজেই ড্রাইভিং শেখা যায় এবং ড্রাইভিং পেশায় যুক্ত হয়ে চাকুরি করে অর্থ উপার্জন করা যায়। বাংলাদেশ ড্রাইভিং ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট ড্রাইভারদের পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক পদ্ধতিতে চালানো শিখিয়ে তাদেরকে স্বনির্ভর করে তোলে এবং তারা যেন অর্থ উপার্জন করতে পারে সে ব্যবস্থা করে দেয়।

বাংলাদেশ ড্রাইভিং ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট এর বৈশিষ্ট্য:
১. বাংলাদেশ ড্রাইভিং বিআরটিএ অনুমেদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
২. অটো ও ম্যানুয়্যাল উভয় গাড়িতে ড্রাইভিং শিখার ব্যবস্থা।
৩. বুয়েটের ইনষ্ট্রাক্টর দ্বারা ম্যাকানিজম ক্লাস ও বি,আর,টি এর ইনষ্ট্রাকটর দ্বারা থিউরি ক্লাস নেয়া হয়।
৪. মহিলাদের প্রশিক্ষণের সু-ব্যবস্থা।
৫. কম খরচে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সুযোগ এবং কোর্স শেষে সার্টিফিকেট প্রদানের ব্যব¯’া।
৬. চাকুরিজীবিদের জন্য ড্রাইভিং শিখার আলাদা ব্যবস্থা।
৭. ড্রাইভিং কার শিখার পাশাপাশি মোটর সাইকেল কোর্স করারও ব্যবস্থা রয়েছে।
৮. ড্রাইভারদের যদি ড্রাইভিং করা অভিজ্ঞতা থাকে এবং লাইসেন্সের মেয়াদ ২ বছর হয় তাহলে তাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় চাকুরি দেয়া হয়।
৯. উবার এর জন্য ড্রাইভার দেয়া ও নেয়া হয়।

খরচ কেমন হবে?
বাংলাদেশ ড্রাইভিং ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট এ ট্রেনিং নিতে খরচ পড়ে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অনেক কম। আমাদের প্রতিষ্ঠানে রয়েছে ১০ দিনের শর্টকোর্স, ২০ দিনের মিডিয়াম কোর্স এবং ৩০ দিনের ফুল কোর্স। কোর্সগুলি করতে খরচ কেমন হবে তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হল:
কোর্স বিবরণী
ফুল কোর্স: ৬৫০০ টাকা, মোট ক্লাস ৩০ টি, এর মধ্যে প্রাকটিক্যাল ক্লাস ২২ টি, ইঞ্জিন ক্লাস ৪ টি ও থিওরি ক্লাস ৪ টি।
মিডিয়াম কোর্স: ৪৫০০ টাকা, মোট ক্লাস ২০ টি, এর মধ্যে প্রাকটিক্যাল ক্লাস ১২ টি, ইঞ্জিন ক্লাস ৪ টি ও থিওরি ক্লাস ৪ টি।
শর্ট কোর্স: ২৫০০ টাকা, মোট ক্লাস ১০ টি, এর মধ্যে প্রাকটিক্যাল ক্লাস ৫ টি, ইঞ্জিন ক্লাস ৩ টি ও থিওরি ক্লাস ২ টি।


যদি কেউ অটো এবং ম্যানুয়াল উভয় গাড়ি এক সাথে শিখতে চায় তাহলে তাদের মোট কোর্স ফি এর সাথে ১০০০ টাকা যোগ করতে হবে। এটি সকল ধরনের কোর্সের জন্য প্রযোজ্য।

কোন কোর্স কার জন্য:
১. যদি কেউ কখনো ড্রাইভিং না শিখে থাকে তাহলে তার জন্য ফুল কোর্স প্রযোজ্য। তবে কেউ চাইলে সর্ট কোর্স বা মিডিয়াম কোর্স করতে পারে।
২. যারা অনেকদিন আগে ড্রাইভিং শিখেছেন কিন্তু হাত বসে গেছে তাদের জন্য সর্ট বা মিডিয়াম কোর্স ।

ড্রাইভিং লাইসেন্স:
বাংলাদেশ ড্রাইভিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে লাইসেন্স করতে লাগে সর্ব মোট ১০০০০ টাকা। ড্রাইভিং শিখতে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে ট্রাফিক সার্জেন্টের কাছে হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য তাদেরকে শিক্ষাণবীশ লাইসেন্স করতে হয়। শিক্ষাণবীশ লাইসেন্স ফি ২০০০ টাকা। এই লাইসেন্সের মেয়াদ থাকে ৬ মাস। পরবর্তীতে শিক্ষার্ত্রীগণ কখনও পুরো লাইসেন্স অর্থাৎ প্রফেশনাল/ নন প্রফেশনাল করাতে চাইলে বাকি ৮০০০ টাকা দিলেই হবে।

শিক্ষাণবিশ লাইসেন্স করতে যা লাগে:
শিক্ষাণবীশ লাইসেন্স করতে গেলে একজন শিক্ষার্ত্রীকে কিছু কাগজ প্রদান করতে হয়। যেমন:
১. ছয় কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি;
২. চার কপি ষ্ট্যাম্প সাইজের ছবি;
৩. ব্লাড গ্রুপ জানা থাকতে হবে;
৪. বয়সের প্রমাণপত্র;
৫. স্থায়ী/ অস্থায়ী ঠিকানার প্রমাণপত্র।
বি.দ্র: শিক্ষাণবীশ লাইসেন্স করার জন্য অপেশাদার চালকের নূন্যতম বয়স ১৮ বছর এবং পেশাদার চালকের বয়স নূন্যতম ২০ বছর হতে হবে।

ড্রাইভারদের চাকুরি:
বাংলাদেশ ড্রাইভিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকে পেশাদার ড্রাইভার যাদের লাইসেন্সের বয়স ২ বছর তাদেরকে বিভিন্ন কোম্পানি অথবা মালিকের বাড়িতে তাদের গাড়ি চালানোর জন্য চাকুরি দেয়া হয়।

কিভাবে চাকুরি দেয়া হয়:
বাংলাদেশ ড্রাইভিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে প্রতিদিন বিভিন্ন মালিকের পক্ষ থেকে ড্রাইভার নেয়ার জন্য আবেদন পড়ে। তখন কোম্পানি থেকে একটি অটো এস এম এস প্রতিটি ড্রাইভারের মোবাইলে যায়। তখন কোন ড্রাইভার ফোন করে চাকরির কথা বললে তাদের অফিসে এসে একটি মেম্বারশিপ ফরম ফিলাপ করার পর গাড়ির মালিকের সাথে কথা বলে তাদেরকে চাকুতে প্রেরন করা হয়।

যোগাযোগ: বাড়ি: ০১, সড়ক # ০২ (৩য় তলা), ধানমন্ডি, ঢাকা।
হটলাইন:
01613118833
01813118833
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৬
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা: (দ্বিতীয় পর্ব)

লিখেছেন মৃত্যুঞ্জয়, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:০০

কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম?

দ্বিতীয় পর্ব: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার বিভাজন এবং অসম প্রতিযোগিতা

একটি শিশুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় প্রাথমিক স্তর থেকে। কিন্তু মাধ্যমিক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর থেকেই শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

লিখেছেন মেহবুবা, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৮


প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩




যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।

সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কেমনের দিনে

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫



মাঝেমধ্যেই মনের ক্যানভাসটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে যায় অচেনা পথের বাঁকে। কোনো সংকেত ছাড়াই একরাশ এলোমেলো বিষণ্ণতা এসে জেঁকে বসে মনের কার্নিশে। চারপাশের চেনা জগৎটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি, যার অর্থ খারাপ বা অন্যায়কারীকে শাস্তি দেওয়া এবং ভালো বা সৎ মানুষকে রক্ষা করা। এটি মূলত সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×