বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়মানুসারে "সকল বিদেশি শব্দে "ঈ বা ঈ-কার বর্জন করা হবে"।
সে হিসাবে অনেকেই ঈদ কে ইদ বলছেন তাদের বলতে হয়....
ঈদ> ই
ঈদ' শব্দটি যেভাবে হাসে, 'ইদ' সেভাবে হাসে না।
মানুষ ভাষাকে যেভাবে ব্যবহার করছে, তার প্রতিটি জায়গায় নিয়ম তৈরি করে নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়াটা ব্যাকরণের কাজ নয়। বরঞ্চ মানুষের ব্যবহৃত ভাষার শিখনে শৃঙ্খলা আনতে কিছু সূত্র খুঁজে বের করা ব্যাকরণের কাজ হওয়া উচিত। এই সূত্র খুঁজে বের করার কাজ করতে গিয়ে 'ভাষা ব্যাকরণের অধীন নয়, বরং ব্যাকরণই ভাষার অধীন' এই নীতিটি মাথায় রাখা দরকার।
বিদেশি শব্দে দীর্ঘ স্বর ব্যবহার করা যাবে না, এটি বাংলা ব্যাকরণের স্বতঃসিদ্ধ নিয়ম নয়, বরং বাংলা একাডেমি কর্তৃক চাপিয়ে দেয়া একটি নিয়ম। এই নিয়মকে যদি মেনেও নেই, তবুও মনে রাখা দরকার যে, 'প্রত্যেক নিয়মের কিছু ব্যতিক্রম থাকবে'। এই ব্যতিক্রম মেনে নেয়াটাও নিয়মের সৌন্দর্য। নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলোকে কি আমরা সন্ধির সাধারণ নিয়মের অধীন করব? আমার মনে হয়, একইভাবে কিছু শব্দের বানানেও ব্যতিক্রম থাকা মেনে নেয়া উচিত।

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



