
আমি ফেসবুক,ইউটিউব কিংবা ছবি দেখে দিব্যি রাতকে দিন বানিয়ে সময়কে খুন করে যাচ্ছি। কোন কারণ ছাড়াই অকারণে গুরুত্বপূর্ণ সময়কে অলস সময়ে পরিণত করতে আমার কোন গাঁয়ে বাঁধে না। বরঞ্চ চক্ষু চড়ক গাছে উঠে তখন,যখন পানি খাওয়ার সময় থাকে না। নাকের ডগায়,ঘাড়ের কাছে এসে যখন নিঃশ্বাস ফেলে তখন জল ঘোলা করে আদাজল খেয়ে উঠে পড়ে লাগি,ফায়দা হাসিল করতে। ফায়দা হাসিল হয় বটে তবে তা তাৎক্ষণিক এবং ক্ষণিকের জন্য। স্থায়ী কিংবা সহিহ কোন হাসিল হয় না। হয় ধর তক্তা মার পেরেকের মতো।
আচ্ছা আমি যে বসে বসে মজা নেয় আত্নচিত্তে ফূর্তিতে মেতে উঠি যা দেখে যা শুনে এর পিছনে গল্প এবং যারা এগুলোকে প্রতিষ্ঠিত রূপ দেয় তারা সময়কে কিভাবে কাজে লাগাচ্ছে? সময়কে কিভাবে গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয় করে তুলছে সেটা নিয়ে কি আমরা ভাবি? চিন্তা করি? নাকি সেগুলো আপনা আপনি হচ্ছে কোন গায়েবি উছিলাতে? আমরা মজা পাচ্ছি, দেখছি,শুনছি গুরুত্বপূর্ণ সময়কে বলি দিচ্ছি।
বেহুদা সময় কাটানো আমরা নিয়মে পরিণত করছি,অভ্যাসে পরিণত করছি। মগজটাকে উপাধি দিচ্ছি অলস শিরোনামে। স্যারের কাছে শুনছিলাম দশ তলার একশোটি বিল্ডিয়ের যে ক্ষমতা থাকে তার চেয়ে বেশি ক্ষমতা আমাদের মগজের। ক্ষমতা,চাপ নেয়া তো দূরের কথা আমরা মগজকে ব্যবহার করতেই পারছি না। ভরে রাখছি অলস আবর্জনায়!
সুস্থ মানুষ,সুস্থ মগজ থাকা সত্বেও আমরা হাঁপানি রোগীর থেকেও বেশি হাঁপিয়ে উঠি শক্ত কোন কাজ দেখে। মনসত্তাত্বিক দূর্বলতায়,অস্থিরতায়,অক্ষমতায়। আমাদের সবকিছুই না একটা শৃঙ্খলার মধ্যে, একটা নিয়মের মধ্যে সাজিয়ে গুছিয়ে তরতাজা বলিষ্ঠ হয়,আক্ষরিক রূপ পায়। যদি আমরা ক্ষমতা অর্জন, চাপ নিতেই না জানি তাহলে প্রয়োগের প্রশ্ন সমীচিন হবে কিভাবে? কিছু অর্জন করতে হলে কিছু বর্জন করতে হয়, সময়ের ফাকফোকর জানতে হয়। সময় তো সময়ের গতিতেই চলবে তার মধ্য থেকে আমাদের সমেয়কে বেঁধে,সময়কে পুঁজি করে সময়ের সদব্যবহার জানতে হবে। অলস সময় কিংবা সময়কে খুন ব্যতিহার,পরিহার পরিত্যাজ্য করে। সময়ের স্রোতে গাঁ না ভাসিয়ে, সময়কে নিজের স্রোতে ভাসাতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৩:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





