somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সময়কে খুন !

২২ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৩:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




আমি ফেসবুক,ইউটিউব কিংবা ছবি দেখে দিব্যি রাতকে দিন বানিয়ে সময়কে খুন করে যাচ্ছি। কোন কারণ ছাড়াই অকারণে গুরুত্বপূর্ণ সময়কে অলস সময়ে পরিণত করতে আমার কোন গাঁয়ে বাঁধে না। বরঞ্চ চক্ষু চড়ক গাছে উঠে তখন,যখন পানি খাওয়ার সময় থাকে না। নাকের ডগায়,ঘাড়ের কাছে এসে যখন নিঃশ্বাস ফেলে তখন জল ঘোলা করে আদাজল খেয়ে উঠে পড়ে লাগি,ফায়দা হাসিল করতে। ফায়দা হাসিল হয় বটে তবে তা তাৎক্ষণিক এবং ক্ষণিকের জন্য। স্থায়ী কিংবা সহিহ কোন হাসিল হয় না। হয় ধর তক্তা মার পেরেকের মতো।
আচ্ছা আমি যে বসে বসে মজা নেয় আত্নচিত্তে ফূর্তিতে মেতে উঠি যা দেখে যা শুনে এর পিছনে গল্প এবং যারা এগুলোকে প্রতিষ্ঠিত রূপ দেয় তারা সময়কে কিভাবে কাজে লাগাচ্ছে? সময়কে কিভাবে গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয় করে তুলছে সেটা নিয়ে কি আমরা ভাবি? চিন্তা করি? নাকি সেগুলো আপনা আপনি হচ্ছে কোন গায়েবি উছিলাতে? আমরা মজা পাচ্ছি, দেখছি,শুনছি গুরুত্বপূর্ণ সময়কে বলি দিচ্ছি।
বেহুদা সময় কাটানো আমরা নিয়মে পরিণত করছি,অভ্যাসে পরিণত করছি। মগজটাকে উপাধি দিচ্ছি অলস শিরোনামে। স্যারের কাছে শুনছিলাম দশ তলার একশোটি বিল্ডিয়ের যে ক্ষমতা থাকে তার চেয়ে বেশি ক্ষমতা আমাদের মগজের। ক্ষমতা,চাপ নেয়া তো দূরের কথা আমরা মগজকে ব্যবহার করতেই পারছি না। ভরে রাখছি অলস আবর্জনায়!
সুস্থ মানুষ,সুস্থ মগজ থাকা সত্বেও আমরা হাঁপানি রোগীর থেকেও বেশি হাঁপিয়ে উঠি শক্ত কোন কাজ দেখে। মনসত্তাত্বিক দূর্বলতায়,অস্থিরতায়,অক্ষমতায়। আমাদের সবকিছুই না একটা শৃঙ্খলার মধ্যে, একটা নিয়মের মধ্যে সাজিয়ে গুছিয়ে তরতাজা বলিষ্ঠ হয়,আক্ষরিক রূপ পায়। যদি আমরা ক্ষমতা অর্জন, চাপ নিতেই না জানি তাহলে প্রয়োগের প্রশ্ন সমীচিন হবে কিভাবে? কিছু অর্জন করতে হলে কিছু বর্জন করতে হয়, সময়ের ফাকফোকর জানতে হয়। সময় তো সময়ের গতিতেই চলবে তার মধ্য থেকে আমাদের সমেয়কে বেঁধে,সময়কে পুঁজি করে সময়ের সদব্যবহার জানতে হবে। অলস সময় কিংবা সময়কে খুন ব্যতিহার,পরিহার পরিত্যাজ্য করে। সময়ের স্রোতে গাঁ না ভাসিয়ে, সময়কে নিজের স্রোতে ভাসাতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৩:০৮
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিয়োগের রূপকথা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩



মা বরাবরই পাতে ভাত কম নিতো , বলতো- ভাতে না-কি  বাত বাড়ে।
বিশেষ বিশেষ দিনে বাড়ি পোষা মোরগের ঝোল কিংবা রুই মাছের তরকারীর সবটুকু  আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দৃষ্টিকটু পোশাক ও দৃষ্টিকটু আচরণ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



আপডেট - হাফপেন্ট আন্দোলন: ৩০/০৯/২০২৬
হাফপেন্ট পরে মেট্রো ট্রেন ও বাসে চলাচল বাংলাদেশের একটি নাগরিক চাহিদা হতে পারে। যেহেতু সমস্যা মেট্রোতে হয়েছে, আমি ধারণা করেছি বাংলাদেশে ফেসবুকে “হাফপেন্ট আন্দোলন” হওয়ার সম্ভবনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কঠিনতম সব চ্যালেঞ্জের মুখে বিএনপির ভবিষ্যৎ কি অন্ধকার??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১০



বিএনপির সামনে অনেক কঠিন সব চ্যালেঞ্জ...

তাদের মোকাবেলা করতে হচ্ছে দ্বিমুখী বিরোধী-দলীয় রাজনীতি বা কর্মকাণ্ড (যেটা কিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগে কখনো দেখা যায়নি)।

জামাত-এনসিপি যতই লীগের ফিরে আসার বিরুদ্ধে বিএনপির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার নানা মরহুম শাহাবুদদীন মাহমুদ জায়গীরদার

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:২৫



আমার আম্মার সেঝ চাচা’র লেখা ‘My life is not mine’ বইটি পড়ছি। বইটিতে ‘মাইজম ভাই’ নামের একটি অধ্যায় আছে। এতে সেঝ নানা আমার নানার বিভিন্ন সত্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×