ফেসবুকে, দেশের মিডিয়ায় এখন শত শত কমান্ডো, নিরাপত্তা বিশ্লেষক! মিডিয়া বলেছিলো এতোজন জঙ্গী ভিতরে তবে বাকিরা গেলো কোথায়? আরে বাবারা মিডিয়া তখন কতো দূর থেকে রিপোর্ট করেছে, ভেতরে কেউ গিয়ে দেখেছিলো কী ভেতরে কতোজন আছে না ভিতরে যাওয়া সম্ভব ছিলো! তাই ফার্স্ট হ্যানড রিপোর্টের সাথে চূড়ান্ত রিপোর্টের তথ্যে অনেক গড়বড় থাকতে বা হতেই পারে।
সেনা অভিযান নিয়ে একশত প্রশ্ন! সেনাবাহিনীর এই করার দরকার ছিলো, সেই করার দরকার ছিলো! বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যুদ্ধ ও সংঘাত কোর্সটি পড়ানো হয় কী-না জানি না। এটি পড়া লোকজন এমন সরল প্রশ্ন সব করতে পারেন না। একটা ঘটনা শেয়ার করি। একবার সিলেটের মাগুরছড়া গ্যাস ফিল্ডে আগুন লাগলো। আগুন নেভাতে ফায়ার ফাইটার দল আনা হলো সিঙ্গাপুর থেকে। তারা প্রতিদিন একবার তাদের হেভি সব পোশাক পরে আগুনের পাশ দিয়ে হেঁটে যায় আর আমাদের ফটোগ্রাফাররা ছবি তোলেন। আর আমরা রিপোর্টাররা প্রতিদিন লিখি এতো টাকা দিয়ে ফায়ার ফাইটার আনা হয়েছে, কিন্তু তারা আগুন নেভানোর কোনো কাজ করছেনা! সেই ফায়ার ফাইটার দলের এক সদস্যের সঙ্গে একবার সিঙ্গাপুরে দেখা। দেশে যেহেতু তারা মিডিয়ার সাথে কথা বলতো না, সেই সুযোগে তাকে প্রশ্নটি করেছিলাম। সে বলেছিলো, তাদের প্রশিক্ষণটাই এ রকম। তারা যে প্রতিদিন আগুনের পাশ দিয়ে এভাবে হাঁটতেন এটা লোকজনকে সাইকোলজিক্যাল রিলিফ দেবার জন্য। ওই অবস্থায় ওপর থেকে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলে তাতে ভূগর্ভে ক্ষতিকর বিস্ফোরণও ঘটাতে পারে।
যুদ্ধ ও সংঘাত বিষয়ে আমি যতোটা পড়েছি এমন অভিযানে অফেনডারদের ক্লান্ত করতে সময় নেয়া হয়। জঙ্গীরা প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে যাদের মারার তাদের মেরে ফেলেছে। তারা ক্লান্ত হবার আগে অভিযান চালাতে গেলে ভেতরে যাদের জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে তাদেরও তারা দিগ-বিদিক অবস্থায় মেরে ফেলতে পারতো। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এসব কমান্ডোরা আমেরিকা এবং চীনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। এদের হিংস্রতা-দক্ষতার ওপর যদি আস্থা না রাখা হয় তবে আস্থা কাদের ওপর রাখা সম্ভব? না কেউ কেউ এখানে মার্কিন অথবা ভারতীয় হস্তক্ষেপ আশা করছিলেন?


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

