somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটা অচেনা লোককে বিয়ে করেছি...

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

.
ভয়ে জড়োসরো হয়ে বিছানায় বসে ছিলাম । ডায়েরিটা বের করে চট করে লিখেছি, ‘একটা অচেনা লোককে বিয়ে করেছি’ এবং দ্রুত সেটা বালিশের নিচে লুকিয়ে ফেলেছি। সারা গা থরথর করে কাঁপছিল। নিজেকে প্রশ্ন করেছি, ‘কি করা উচিৎ?’
‘কুমারির অভিনয়?’
‘যদি বুঝে ফেলে? কিছুদিন অপেক্ষা করতে বলবো নাকি? যদি রেগে যায়?’

খট করে দরজাটা খুলে গেল আর আমার হৃদপিন্ড লাফ দিয়ে গলার কাছে উঠে এলো। জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিচ্ছিলাম। গলা শুকিয়ে আসছিল। মাথা নিচু করে শান্ত থাকার চেষ্টা করছিলাম। দেখলাম লোকটা দাঁড়িয়ে গেল।
‘গৌরি’, খুব শান্ত স্বরে আমার নাম ধরে ডাকলেন তিনি। আমি তাকানোর সাহস পেলাম না।
‘গৌরি, আমি পাশের ঘরে ঘুমুতে গেলাম’, বললেন তিনি।
“স্বামী যদি তোমার সঙ্গে ঘুমুতে না চায়, তুমি একজন ব্যর্থ স্ত্রী”, মায়ের কথাটা মাথার ভেতরে বেজে উঠল। তবু আমি তাকালাম না, চুপ থাকলাম।
‘জানতে চাইলে না কেন?’, রসিকতাচ্ছলে বললেন তিনি। যেন আমাকে কথা বলিয়েই ছাড়বেন। আমি কয়েক সেকেন্ডের জন্য তাঁর দিকে তাকিয়ে আবারও চোখ নামিয়ে ফেললাম।
‘তুমি আমার স্ত্রী ... পতিতা নও।’
মাথা ঠিক মতো কাজ করছিল না বলে, তাঁর কথা বুঝলাম না। “যখন বুঝবে না যে স্বামীকে কি বলা উচিৎ, তখন চুপ থেকো”, বাবার কথাটা মনে পড়ে গেল। আমি তাই করলাম।
‘কেউ কাউকে চিনিই না যখন, একসঙ্গে ঘুমালে পতিতার সঙ্গে শোয়া ছাড়া একে আর কি বলবে? যেদিন দুজনের মনে হবে যে একসঙ্গে ঘুমানো উচিৎ, সেদিনই একসঙ্গে ঘুমাবো। সেদিনই না হয় স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হবো। অচেনা কোনো মেয়ের সঙ্গে সেক্স করতে চাই না।’
.
তিনি বাতি নিভিয়ে চলে গেলেন। খানিক পর ফিরে এসে বাতি জ্বাললেন। মজা করে বললেন, ‘আবার যেন ভেবো না আমি সমকামী। হলফ করে বলছি আমি কিন্তু তা না।’
ভয়ে থরকম্প, তবু ফিক করে হেসে ফেলেছিলাম। তিনিও মুচকি হেসে বাতি নিভিয়ে পাশের ঘরে চলে গিয়েছিলেন। আমি তখনও হাসছিলাম। মেক আপ, বিয়ের শাড়ি না ছেড়েই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম সেদিন। চোখে ভিজে উঠেছিল।
.
মানুষ নাকি সুখের সময়ও কাঁদে। কথাটার কোনো মানে হয়? আমার কাছে হয়। যখন খুব গভীরভাবে কোনো কিছু অনুভব করা হয়, তখন নিজের ভেতরের একটা জিনিসকে ঠেকিয়ে রাখা যায় না। আমার তেমনটাই হয়েছে। আমার কাছে আনন্দ-অশ্রু আরও অর্থবহ।
.
ঘুম থেকে উঠে নাস্তা তৈরির জন্য প্রস্তুত হয়েছিলাম। রান্না ঘরে গিয়ে দেখি তিনি খাবার তৈরি করছেন। জানি না, ব্যাপারটায় আমাকে কতটা ভীত দেখাচ্ছিল যে, আমাকে দেখে তিনিই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। দৌড়ে কাছে এসে বলেছিলেন, ‘গৌরি, তুমি ঠিক আছো তো?’ তাঁর কণ্ঠে উদ্বেগ।
নিচু স্বরে বলেছিলাম, ‘আপনি রান্নাঘরে কেন?’
মনে হলো তিনি আকাশ থেকে পড়লেন। পরে বুঝলেন আমি কি বলতে চেয়েছি।
‘শোনো গৌরি, আমি রাঁধতে পছন্দ করি, বুঝেছো? যখন মন চাইবে তুমি রাঁধবে, আমার মন চাইলে আমি।’ অধিকারের স্বরে তিনি বলেছিলেন, ‘তুমি আমার চাকর নও, স্ত্রী।’
“তোমার স্বামীকে যদি রান্নাঘরে যেতে হয়, স্ত্রী হিসেবে তুমি ব্যর্থ”, মায়ের কথাটা মনে করতে করতে রান্নাঘর থেকে সেদিন বেরিয়ে এলাম।
.
ধীরে ধীরে তাঁরে সঙ্গে সহজ হতে চেষ্টা করলাম। খুব গোপন কিছু শেয়ার করা বা সাবেক প্রেমিকের ব্যাপারে কিছু বলিনি। তবে কথা বলতে শুরু করলাম। একবার নিজের অফিসের গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপারে তিনি আমার মতামত জানতে চাইলে আমার চোয়াল ঝুলে পড়েছিল। হঠাৎ মনে পড়ল, বাবাও মায়ের কাছে এভাবেই জানতে চাইতেন। মা কিছু বললেই বাবা ক্ষেপে যেতেন। একবার আমার সামনেই মাকে থাপ্পড় মেরে বসেছিলেন। আমাকে একবার কঠিন স্বরে বলেছিলেন, “স্বামী তাঁর কর্মক্ষেত্র নিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করা মানে তোমার কাছে পরামর্শ চাইছে, তেমন ভেবো না। মুখটা বন্ধ রেখো।” এখানে আসার পর বুঝলাম, তিনি ঠিক বলেননি। আমি পরামর্শ দিতে শুরু করেছিলাম এবং তিনি শুনেছেন। বাড়িতে প্রচুর কান্নাকাটি করতাম আমি, এখানেও তাই। কিন্তু দুই জায়গার কান্নার অনুভূতি একেবারে ভিন্ন।
.
আমার আত্মবিশ্বাস তৈরি হলো। ভাবতেই পারিনি যে, বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার কথা তাঁকে বলার সাহস পাবো। একবার বলেছিলাম, ‘আমি কি ফ্রেন্ডদের নিয়ে একটু বেড়াতে যেতে পারি? মাত্র দুই রাতের জন্য? উল্টাপাল্টা কিচ্ছু করবো না, যত দ্রুত সম্ভব ফিরবো।’

মা একবার ধর্মীয় এক অনুষ্ঠানে তাঁর ফ্রেন্ডদের সঙ্গে বাইরে যেতে চাইলে বাবার চাহনির কথা আমার মনে আছে। আমার স্বামীও তাই করলেন।
তিনি আমার দিকে বিরক্ত হয়ে তাকালেন, ভীষণ রেগে গেলেন। এই প্রথম খোলাখুলি তাঁকে কিছু বলেছি। কিন্তু বুঝিনি, মন খুলে কথা বলতে সংকোচ করতে নেই।
হতাশ হয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘গৌরি, কতবার বলব যে তুমি আমার স্ত্রী। এভাবে কেন আমার অনুমতি নিতে আসো! তুমি কি কয়েদি নাকি? সব কিছু কেন জিজ্ঞেস করতে হবে? জানিয়ে চলে যাও। অনুমতি নিয়ে যাওয়ার কি আছে?’ এই বলে গটগট করে চলে গেলেন তিনি।
মা-বাবা আমাকে জন্ম দিয়েছেন, বড় করে তুলেছেন। কিন্তু এবার আমি বাঁচতে শুরু করলাম। আমার স্বামী আমাকে বাঁচতে শেখালেন।

আমি তাঁর পেছনে গিয়ে দাঁড়ালাম। বেলকনিতে দাঁড়িয়ে নিচের দিকে তাকিয়ে ছিলেন তিনি। পেছনে গিয়ে দাঁড়িয়ে আমিও নিচের দিকে তাকিয়ে বললাম, ‘আমি তো শিখছি। প্লিজ একটু ধৈর্য ধরেন।’ সম্ভবত মন খুলে সেটাই আমার প্রথম কিছু বলা। বলেছিলাম, ‘কি করলে ব্যার্থ হবো এমন হাজারটা কাজের তালিকা দিয়েছে মা, আর কোন কোন ক্ষেত্রে মুখ বন্ধ রাখতে হবে সেরকম হাজারখানেক মুহূর্তের তালিকা দিয়েছেন বাবা। বুঝতেই পারছ, আমাকে শিখতে হচ্ছে।’
আমি মজা করিনি, কিন্তু তিনি হাসলেন। বললেন, ‘হাসার জন্য আর আগের ব্যবহারের জন্য মাফ করে দিও। তোমার কথাগুলো আমার মনে থাকবে, যদি তুমি মনে রাখো যে, তুমি আর তোমার বাড়িতে নেই। অতীতকে পেছনে ফেলে রাখো গৌরি।’
তিনি এক সেকেন্ডের জন্য খুব ভদ্রভাবে আমার পিঠে হাত রাখলেন, এই বাড়িতে ঢোকার পর প্রথম আমাকে স্পর্শ করলেন তিনি। সত্যি বলতে, সেটা ছিল আমার কাছে “অন্যরকম” আর সেসময় যখন তিনি আমার নাম ধরে ডাকলেন, সেটাও অন্যরকম শোনাচ্ছিল।
.
আমি বন্ধুদের বাসায় দাওয়াত দিতে শুরু করলাম। আমাদের জন্য আনা মদ খেতাম সবাই মিলে। আমি বাঁচতে শুরু করেছিলাম। আমাকে জন্ম দেওয়া আমার মা-বাবার সব থেকে বড় উপহার নয়, তাঁদের সব থেকে বড় উপহার ছিল আমাকে একজন সম্পূর্ণ অচেনা লোকের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া।
.
এক রাতে আমরা দু’জনে মদ খাচ্ছিলাম। তিনি জানতে চাইলেন, আমি কী হতে চাই। আমি প্রায় চিৎকার দিয়ে বলে উঠেছিলাম, লেখক হতে চাই। শুনে তাঁর অভিব্যক্তি হয়েছিলো দেখার মতো, যা আমি কখনও-ই ভুলবো না। আমি আগে তাঁকে কখনও এতো খুশি হতে দেখিনি। বাজি ধরে বলতে পারি, তাঁর চোখে জল এসে গিয়েছলো। তিনিও একসময় লেখক হতে চেয়েছিলেন।
“যদিও আমাকে খুব ব্যস্ত থাকতে হয়, কিন্তু আমরা দু’জনে মিলে কি লিখতে পারবো?’, আনন্দ-বেদনামিশ্রিত স্বরে মুচকি হেসে তিনি জানতে চেয়েছিলেন। আমি শুধু কাঁধ নেড়েছিলাম। ওই রাতের মতো আমি আর কখনও কাঁদিনি। কান্নার শব্দ ঠেকাতে মুখে বালিশ চেপে ধরতে হয়েছিলো। জানি না কেনো এতো কেঁদেছি সেদিন। কিন্তু আমার চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে করছিলো। দেখলাম, দরজার ওপাশে একটা কালো ছায়া। তিনি বাইরে দাঁড়িয়ে আমাকে দেখছিলেন। আমি কাছে গিয়ে তাঁকে চুমু খেলাম। জড়িয়ে ধরে চুমু খেলাম। টেনে বিছানায় নিয়ে ফেললাম।
তিনি বললেন, ‘তুমি নিশ্চিত যে, এসব অ্যালকোহলের প্রভাব না?’
আমি চোখ বড় বড় করে বললাম, ‘তুমি নিশ্চিত যে, তুমি সমকামী না?’
তিনি হাসলেন, আমাকে বিছানায় চেপে ধরে বিবস্ত্র করতে করতে বললেন, তুমিই যাচাই করো।
এসব আমার কাছে নতুন নয়। মনে হলো, ব্যাপারটা তাঁকে বলা দরকার। আমি তাঁকে থামালাম। বললাম, ‘আগে একটা কথা বলে নিই; আমি কিন্তু কুমারি নই। তিনি আমার শরীর থেকে হাত সরিয়ে নিলেন। বললেন, ‘আমি তো ভাবলাম তুমি বলবা যে, তোমার এইডস আছে।’
আমি হেসে তাঁকে কাছে টেনে চুমু খেতে শুরু করলাম। আমরা মিলেছিলাম। বিয়ের সাড়ে তিন মাস পর আমরা মিলিত হয়েছিলাম।
মনে করে নিই, হ্যাঁ বিয়ের সাড়ে তিন মাস পরই আমরা মিলিত হয়েছিলাম এবং তিনি ছিলেন স্বাভাবিক। পরদিন ঘুম ভেঙে দেখি, তিনি প্রশান্তি নিয়ে আমার পাশেই ঘুমুচ্ছেন। বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে আমি ডায়েরিটা বের করে ওই পাতায় গেলাম, যেখানে নীল কালিতে লিখেছিলাম ‘একটা অচেনা লোককে বিয়ে করেছি’। এবার কালো কলমে সেখানে লিখলাম, ‘এবং আমি তাঁর প্রেমে পড়েছি, কারণ আমি সত্যিই গভীরভাবে তাঁর প্রেমে পড়েছি। হাসলাম আর সিদ্ধান্ত নিলাম, যে প্রতিজ্ঞা আমি তাঁর কাছে করেছি, সেটা রাখবো। আমি লিখবো, সে ব্যাপারে নিশ্চিত-ই ছিলাম। কিন্তু জানতাম না যে, কি লিখবো। এখন জানি। আমি আমাদের কথাই লিখবো।
লেখক : #TenzinCheda

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০০
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×