
গতকাল ঘটে গেছে তাবলগ জামায়াতের ইতিহাসে মারাত্মক ঘটনা। একজন মাত্র ব্যক্তির ক্ষমতার লোভ যে দেশ, জাতী, সমাজ-কে ধ্বংস করে দিতে পারে তা আমারা দেখেছি সিরিয়া, লিবিয়া, ইরাককে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া ঘটনা থেকে।
এবার দেখলাম একজন মাত্র ব্যক্তির ক্ষমতার লোভ দ্বীনী ও দাওয়াতী কার্যক্রমকেও ধ্বংস করে দিচ্ছে। মাওলানা সাদ কান্ধলভী-কে নিয়ে ২০১৫ সাল থেকেই শুরু হয় তাবলীগকের নতুন অধ্যায় তার পক্ষে ও বিপক্ষে দুটি দল দাড়িয়ে যায় এবং আজ অবধি চলতে থাকে আলোচনা, সমালোচনা ও বিবিধ কার্যক্রম।
মাওলানা সাদ কান্ধলভী-কে মানা না মানা নিয়ে দুটি দলই কাজ করে গেছে এতদিন কিন্তু গতবারই বাংলাদেশে মাওলানা সাদের আগমন ঠেকাতে প্রকাশ্যে অবস্থান নেন সাদ বিরোধীরা। এবার আরও ভংঙ্কর ঘটনা ঘটেছে যা হৃদয় বিদারক ও দু:খজনক।
তাদের এই সংকটের কারণে নির্বাচনের জন্য সরকার সিদ্ধান্ত নেয় ইজতেমা স্থগিত থাকবে। কিন্তু সাদ বিরোধীরা গত কয়েকদিন ধরে টঙ্গীর ময়দানে জমায়েত হওয়ার খবর পেয়ে সাদ পন্থীরা দলে দলে এসে উপস্থিত হয়। তাদের আগমন দেখে সাদ বিরোধীরা সবকটি গেইট বন্ধ করে দেয়। গতকাল সকাল থেকে রাস্তা ও আশে পাশের গলিতে অবস্থান নেয় সাদ পন্থীরা তারা ১ নম্বর গেইট ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকার চেষ্টা করে এবং সফল হয় আর তার পরই শুরু হয় দুপক্ষের দাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও তান্ডব । রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবাতদের ও আমলের ময়দানটি। একজন নিহত ও অনেকে আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ছোট ছোট মাদ্রাসা পড়ুয়া বাচ্চারা রাস্তার পাশে দাড়িয়ে কাঁদতে থাকে এহেন দৃশ্য দেখে। খবর পেয়ে আইনশৃংখলাবাহিনী সবাইকে বের করে দিয়ে অবস্থান নেন ময়দানে।
আমি নিজেও তাবলীগে সময় দিয়েছি। কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি এমনটা হবে একদিন। ক্ষতমার লোভ দুনিয়াকে জাহান্নামে পরিনত করছে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সহী বুঝ দান করুন এবং হদায়েত দান করুন।
ছবি- নিজের তোলা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

