somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

--সময়ের স্থির চোখে--

২১ শে জুলাই, ২০২৫ দুপুর ২:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




সময়ের স্থির চোখে ফিরে দেখি অতীতে সুখ-দুঃখের দিনগুলো-
ফড়িং এর মত চঞ্চলতা ছিল আমারও, ছিল জলের মত গতি
এখন স্থির হতে শিখেছি তোমাকে পেয়ে।
নক্ষত্রের অপার বিষ্ময় নিয়ে তোমার চোখে অপলক তাকিয়ে থাকি,
কখন যে প্রহর কেটে যায় গ্রহণ লাগা সময়ের
তুমি তা মনে করিয়ে দাও আমায় এক চিমটি আঁচড় কেটে।
স্বপ্নময় সময় উপহার দেব বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি যখন;
একপাশে বৃষ্টি আর একপাশে হলুদ রোদ ঢেকে দেয় দিগন্ত
তখন ঘাসের গালিচায় পাশাপাশি বসে চন্দ্রাবান রাতে,
ভালোলাগার ঘোর না কাটুক জীবন ভর আমাদের।

তোমার বুকের জমিনে ফুটাতে দাও ভালোবাসার কিছু রক্ত গোলাপ
আমার স্মৃতির স্থিতিস্থাপকতা রিবাজ করুক তোমার হৃদয় কূলে
রঙিন ঘুড়ি শরতের বাতাসে স্থিতিশীলতা কেটে কেটে এড়িয়ে যায়
তোমার চুলের মত বেপড়োয়ারা হয়ে উড়ে যাবার লোভ সামলাতে পারেনা।
নাটাই ছেড়ে সুদূরে যাওয়ার সাধ্য যখন নাই, ফিরে আসতে হয়, ভালোবাসতে হয়
মধ্যবৃ্ত্তের বহমান জীবনের দিনগুলো এভাবেই কেটে যায় শঙ্খনীল কারাগারে।
আকাশের মত বিশলতা, সাগরের মত গভীরতা কেবল প্রেমিক মনেই
অমরত্বের আশায় ফুটে উঠে পদ্ম, তারপর ঈশান কোনের বায়ু
ঝড় হয়ে বয়ে যায়, যে আপন সেতো রয়ে যায় হয়না কখনও পর
ভুলে না যাওয়ার বর্মই মহান করে ভালোবসার ধর্ম ও ঐশ্বরিক আনন্দ।


ছবি-নিজের তোলা। আর ফুলগুলো সাজিয়েছে আমার কন্যা জাফরিন।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুলাই, ২০২৫ দুপুর ২:২১
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্ব পাঠ

লিখেছেন আবু সিদ, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

I. পড়ার সাধারণ অর্থ
সাধারণভাবে, পড়া বা Reading হলো লিখিত বর্ণ বা চিহ্ন দেখে তার অর্থ উদ্ধার করার উপায়। পড়া কেবল শব্দ উচ্চারণ নয়, বরং লেখার বিষয়বস্তুর সাথে নিজের চিন্তার যোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাতাস ভাড়ি হবে লাশের গন্ধে

লিখেছেন ফেনা, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:২১


ছবিঃ গুগল

আলোচনাটা আপাদত একটা ফাইলে করে টেবিলে তুলা থাক। এসো আগে আমরা একটু ধ্বংস ধ্বংস খেলি।
শত বছর হতে চলল পাইনা বাতাসে তেমন লাশের গন্ধ। জাহানের বাতাসটা ভরে উঠুকনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

এঁনারা কিসের আশায় দালালি করে যাচ্ছেন?

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫



১. ১৫ আগস্ট টাইপ কিছু বা ৭ নভেম্বর টাইপ কিছু না ঘটলে আওয়ামী লীগ সহসা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। জুলাই-এর মত কিছুও বার বার হয় না। তাই ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বমিনং করোনং ইচ্ছং

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১১


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
১৫০।(১) এই সংবিধানের অন্য কোন বিধান সত্ত্বেও ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তনকালে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত বিধানাবলী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ স্বাধীনতা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১২


বাবা পাখিটি গাইছে গান
আমড়া গাছের ডালে।
ছানাগুলো নিশ্চিন্তে
মায়ের বুকের তলে।

রীনা বসে বীনা বাজায়
মীনা গায় গান।
দীনা বলে পুষবো পাখি
একটা ধরে আন।

মা শুনে কয় বনের পাখি
বনেতেই মানায়।
বন্দী পাখি হয় যে দুঃখী
উচিত কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×