somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিরোনাম জানা নেই

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


=====================================================================================
-: মা দিবস :-
বাংলাদেশে বড়ই ধুমধামে "মা দিবস" -- "ভালবাসা দিবস" আর ১লা বৈশাখ তথা "বৈশাখী দিবস" পালন করা হয়, আমরা আজীব এক জাতী। যারা বাবা মায়ের ধরে কাছেও থাকেনা, যারা বাবা মাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠায়, যারা বউয়ের ইচ্ছায় বাবা মা থেকে দূরে থাকে বা কষ্ট দেয়, যারা বাবা মাকে গ্রামেগঞ্জে কিংবা শহরের বন্দি ঘরে মাসিক কিছু খরচ দিয়ে বউকে নিয়ে বিশ্ব ভ্রমন করে তারাই মূলত কূঁলঙ্গা, বাবা মায়ের অভীসাপ এবং এই অভীসপ্তরাই বছরে একবার "মা দিবস" পালন করে।
-:ভালবাসা দিবস:-
যেইসব হতভাগা মানুষের সমাজে কূসন্তানের খাতায় নাম লেখাইয়া বাগানে, পাহাড়ে, লেকে, হোটেল মোটেলে গিয়ে কুকুরের মত অবাধ, অবৈধ যৌনাচারে লিপ্ত, যারা পছন্দ ও প্রেমের নামে দেহ ভোগ করে, উলঙ্গ নাইট ক্লাব চালায়, যারা শিক্ষিতের নামে কূশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে লিভটুগেদার করে মূলত তারাই "ভালবাসা দিবস" পালন করে।
-: ১লা বৈশাখ :-
আমরা মাতৃভাষা বংলার আলোকেই বাঙ্গালী। বৈশাখ আমাদের বাংলা বর্ষপঞ্জীর ১ম মাস আর যেদিন থেকে শুরু হবে সেই দিনই ১লা বৈশাখ। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান সকল বাংলা ভাষী সকলে জন্যই বাংলা বর্ষপঞ্জী। আজীব বিষয় হইল, বাংলাদেশে বংলা বর্ষপঞ্জীতে কোনো হিসাব নিকাশ হয়না, যারা আজ ১লা বৈশাখ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারাও বছরের মাঝখানে বাংলার কোন্ মাস চলছে হয়ত বলতে পারবেনা, পঞ্জিকা পত্রিকার আশ্রয় নিতে হবে। ঠাকুর বাকুর, বন্দেপাধ্যয়, চট্টপাধ্যয় ইত্যাদির পান্ডিত্যে হিন্দু তথা সনাতনিদের বিশ্বাসের আদলে গড়ে উঠা সাংস্কৃতি দিয়ে আড়াল করা হচ্ছে বাংলার বৃহত্তর জনগোষ্টি মুসলমানের বিশ্বাস এবং কৃষ্টিকে। খুঁজিলে দেখা যাবে, আজ যারা ১লা বৈশাখ নিয়ে ব্যস্ত তারা সারাবছর কোন্ সাংস্কৃতির চাদর পড়ে জীবনাচার করে। নাইট ক্লাবে তো আছেই দেখা যাবে তারা থার্টিফাষ্ট নাইটেও প্রথম সারিতে থাকে, দেখা যাবে এরা হিন্দু ধর্মাবলম্বীর বিশ্বাসগত সাংস্কৃতিকে ৯২% মুসলমানের জাতীয় সাংস্কৃতি বানাইতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। মূল কথা হইল এরা প্রকৃতপক্ষে কোনো সাংস্কৃতিতেই বিশ্বাসী নয় বরং যাবতীয় কূসাংস্কৃতিই তাদের সাংস্কৃতি, তারাই আজ ১লা বৈশাখ নিয়ে ব্যস্ত।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৮
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নতুন ভোরের গান

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭


নতুন ভোরের গান



কষ্টের দিন পেরিয়ে এবার
আসবে আলোর গান,
নতুন দিনের নতুন সুরে
জাগবে সবুজ প্রাণ।

নষ্ট স্মৃতির আড়ষ্টতা
ঝরিয়ে দেবো অনেক দূরে,
নিজের মনেই ভালোবাসার
নূপুর বাজবে সুরে সুরে।



ভ্রষ্ট পথের আঁধার কেটে
ভোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগে চার বছর একদিন হয়ে গেল । কি আশ্চর্য!

লিখেছেন সামরিন হক, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭

অবজ্ঞা

তোমার বিশেষ ঘৃণা দ্বারা আক্রান্ত আমি
চারপাশ ঘিরে ফেলেছে ঘৃণারা আমাকে
আস্তে আস্তে গ্রাস করে নিচ্ছে আমাকে তোমার ঘৃণা
আমার কথা শোন
আমি কখনই মনুষ্যত্বের সীমা পার করিনি
কিন্তু তোমার ঘৃণায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুপ্ত-গায়েব-গুম এবং পিওর ও শিওর লাভ

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:১৬


৭ মাসে বাংলাদেশে ১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ !!!
এমন রোমহর্ষক, চমকে যাওয়া এবং অন্তরে কাপুনি ধরানোর মতো তথ্য বা কথা বার্তার কোনও মানে হয় ??!!
গরীব পরিবারের শিশুদের কথা বাদ দেই-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারী অফিসারদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:০০

দেশের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সরকারী অফিসারদের হাত ধরেই হয়। সেজন্যে, এই পদগুলো যোগ্য মানুষদের হাতে যাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে, গত কয়েক দশকে দেশের টপ ট্যালেন্টদের বেশির ভাগই কোনক্রমেই সরেকারী অফিসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

টাই চাই

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩১

সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে: অদ্য হইতে কোনো সরকারি বা বেসরকারি কার্যালয়ে ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থানে টাই ও বেল্ট পরিধান দণ্ডনীয় অপরাধ। কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে একবাক্যে: "কর্মক্ষেত্র ও যত্রতত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×