
চলছে মুসলমানদের সিয়াম সাধনার মাস রমজান মাস । সকল মুসলমান মানে হোক সে জন্মসূত্রে, পৈত্রিক বা সুন্নাতের মাধ্যমে অথবা কালেমা পড়ে মুসলমান , সবাই ব্যস্ত নিজেকে শ্রেষ্ঠ ধার্মিক প্রমানে । কে কার চাইতে কতো বড় ধার্মিক, সেটা নির্নয় করাতে,বোঝাতে,অন্যকে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চলছে মহাযজ্ঞ । চলুক না হয় এমন করে একটা মাস । অন্তত নিজেদের ধার্মিক প্রমান করতে গিয়ে দান খয়রাত করুক কিছুটা ,সুদ-ঘুষ নেয়া , খাওয়া থেকে নিজেদের বিরত রাখুক কিছু সময় । পুণ্যি কামাইয়ের অজুহাতে তাদের দেয়া ভুরিভোজে আহার করুক কিছু অনাহারী ,ভুবুক্ষ মানুষ । সে আমিও চাই এবং প্রচন্ড ভাবে চাই । অন্তত এই একটা মাস ধার্মিক নামধারীরা বিবেকের কাছে লজ্জিত হোক কিছুটা । কিছু একটা হোক তবুও । তবে হোটেল গুলোর, পাড়ায় পাড়ায় চা-বিস্কুটের দোকানগুলো ধার্মিক হয়েছে ঢের বেশি । আগের চাইতে ধার্মিক হয়ে তাদের বেচাকিনি বেড়েছে কয়েক গুণ সে কথা একেবারে হলফ করে বলতে পারি । তার প্রমান করতে খুব বেশি গবেষণার দরকার আছে বলে মনে করি না । হোটেল আর ছোট ছোট চা-বিস্কুটের দোকানগুলো এই মাসে পর্দা করে । লাল ,কালো কাপড়ে মুড়িয়ে নেয় নিজেদের । আর ধার্মিক হবার গুণেই বেচাকিনি বাকী এগারো মাসের চাইতে কয়েকগুণ বেড়ে যায় । কারন এ সমাজ বড্ড ধার্মিক । ধর্মের প্রতি তাদের প্রচন্ড আকুতি আর তাইতো পর্দানশীল হোটেল, দোকানগুলোতে তাদের আনাগোনা বেড়ে কয়েকগুণ হয়েছে । এগারো মাস নিজের দেহ ,নিজের যৌনাঙ্গ উন্মুক্ত রেখে ব্যাবসা করে দোকানগুলো । উন্মুক্ত দেহ ,যৌনাঙ্গ তখন কিছুতেই আকৃষ্ট করতে পারে না ধার্মিকদের । কিন্তু রমজান মাসে তাকে তার লজ্জাস্থান ঢাকতেই হয় । নইলে তার যৌনাঙ্গে আগুনের কয়লা ঢেলে দেবে ধার্মিকের দল ।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মে, ২০১৮ রাত ১০:৪৫