আমি কখনো মেয়ে শিশুদের হাঁড়ি-পাতিল বা গৃহ সংসারের তৈজসপত্র কিনে দেই না বা আমি এর ঘোর বিরোধীতা করি ।
আমরা বাঙালীরা নারীদের গৃহ অভ্যন্তরে দেখতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি ।
এইজন্য একটি মেয়ে শিশুর হাতে কলম,পেন্সিল তুলে না দিয়ে আমরা তুলে দেই তৈজসপত্র ।রান্নাবান্নায় অভ্যস্ত করতে চাই,কারন তাকে জীবনভর রান্নাঘরেই কাটাতে হবে স্বামী ও সংসারের মন যোগাতে ।
মেয়েদের সুখের জন্য তাই আমরা তাদের হাতে তুলে দেই খুন্ত্যি আর কড়াই !
আর এক ধরনের বর্বর চিন্তার মানুষ আছে যারা মেয়ে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই উরনা পরতে অভ্যস্ত করে,বোরখা পরায় ।
এর মানে হচ্ছে,
তুমি মেয়ে,তোমাকে ঘরেই শোভা পায় ।
এইসব চিন্তাভাবনার কারনেই দেশটা পিছিয়ে আছে ।
বিশাল সংখ্যক নারী পিছিয়ে আছে অথবা তাদের অক্ষম করে রাখা হয়েছে ।
মুজিব শতবর্ষে রাষ্ট্রের গলায় শিকল পরানো এইসব দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রথা সবার আগে ভাঙা হোক,তারপর বলা হোক-
বাঙলাদেশ উন্নত হবে ।সমৃদ্ধ হবে ।এগিয়ে যাবে ।
আমরা কি আদৌ জানি একটি উন্নত দেশের সংজ্ঞা !!এগিয়ে যাওয়া !
বিশাল সংখ্যক নারীকে পিছিয়ে রেখে,রান্নাঘরে ফেলে আমরা কোন উন্নয়নের পথে হাঁটবো ভেবেছি কখনো ??

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



