২০০৬ থেকে ২০১০ কে যদি বাংলাদেশ মিউজিকাল ইন্ডাস্ট্রির গোল্ডেন ইয়ার বলা হয় তবে খুব একটা বাড়িয়ে বলা হবেনা....তাহসান, হাবিব, বালাম, অর্ণব, ফুয়াদ, তৌসিফ, হৃদয় খান এবং আরো অনেকের একের পর এক হিট অ্যালবামে বাংলাদেশের মিউজিকাল ইন্ডাস্ট্রির বাজার পুরোই রমরমা অবস্থা....তখন শ্রোতাদের মধ্যে হাবিব সেরা নাকি বালাম সেরা এটা নিয়েই অনেক আর্গুমেন্ট চলতো....কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেটা অনেকটা ঝিমিয়ে পড়েছে...কিছু শিল্পী তো অ্যালবাম করা ছেড়ে স্টেজ পারফর্ম নিয়েই আছে এখন....!! এমন অবস্থার জন্য আমি, আমরা, আপনারাই দায়ী...ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজেও পাইরেসি করা সিডি কিনতাম তখন... ৩০ টাকা দিয়ে এক সিডির মধ্যে ১০ থেকে ১২ টা এলবাম পেয়ে খুশী হয়ে যেতাম…এখন তো তাও করা লাগেনা !! বাসায় বসে বসে ডাউনলোড করা যায়...আর তাতেই রাস্তার উপর সারি করে বসা পাইরেসি সিডির দোকানগুলোও এখন ফতুর!! গান ডাউনলোডের সাইটগুলো হয়তো তাদের এটাই বুঝিয়ে দিলো ‘ চোরের উপরও বাপ আছে !! ‘
ঈদ উপলক্ষে তাহসানের একটা অ্যালবাম বেরোলো সম্প্রতি ‘ উদ্দেশ্য নেই ‘ ব্যানারে...রিলিজের আগে তাহসান তার পেজে খুব করে অনুরোধ করেছিলো পাইরেসি করা সিডি না কিনতে...ভক্তরাও তার অনুরোধে সাড়া দিয়েছে...আমার জানামতে, রিলিজের কয়েকদিনের মধ্যেই এক কোটির টাকার উপর সিডি বিক্রি হয়েছে...আমি নিজেও চারটা সিডি কিনছি...তাহসানের গানগুলো শুনলাম...ভালো লাগলো যদিও সফটওয়্যারের ব্যবহারটা একটু বেশীই ছিল...পাইরেসির এই যুগে হয়তো বাজেট বাড়িয়ে রিস্ক নিতে চাচ্ছেনা...
যাইহোক, সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে, এভাবে ৫০ টাকা বাঁচাতে পাইরেসি করা সিডি কিনে কিংবা ডাউনলোড করে
গানের বাজারটা ধ্বংস করে দিবেননা...!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



