somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গরমকাল, পাগলা বিদ্যুৎ ও ব্যক্তিগত আশঙ্কা

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শীতকালে ভালোয় থাকে। গরম বাড়লে বিদ্যুৎয়ের মাথাগরম রীতিমতো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। এইযে বসন্তঋতু এসেছে। শীত কমছে। তো, বিদ্যুৎবাহীর মতো বিদ্যুৎয়ের পাগলামিও বাড়ছে। কয়েকদিন ধরে মাঝেমধ্যে উধাও হচ্ছে। আজকেও সকালবেলা হঠাৎ উধাও। গেলো রাতে প্রায় সাড়ে চার ঘন্টা হাওয়া। গরমের বাড়াবাড়ি মানে বিদ্যুৎয়েরও মাথাগরম চরমে। অনেক আগের গরমকালের কথা মনে পড়ছে। সেই যে হঠাৎ উধাও ফিরবার কোনো খোঁজখবর নেই। মাঝেমাঝে আসতো, থাকতেই চায়তো না। পাগলামি এমন বাড়বাড়ন্ত যে শেষমেশ দুঃসহ পর্যা‌য়ে পৌঁছেছিল। পরিস্থিতি এমন হলো যে, সারাদেশে মানুষজন যারপরনাই ত্যক্তবিরক্ত। বিদ্যুৎয়ের সীমাহীন পাগলামির নিত্য খবর আঞ্চলিক সংবাদপত্র ছাপিয়ে প্রায় নিয়মিত জাতীয় সংবাদপত্র এমনকি বেসরকারি টেলিভিশনগুলোরও প্রায়শই সংবাদ শিরোনাম হচ্ছিল। সারাদেশের মানুষজনের ছিঃ ছিক্কার-নিন্দা-বাদ- প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল। এসময় পাগলা বিদ্যুৎ পরিবারের মানসম্মান ধুলোময়লায় লুটিয়ে পড়ে। বিদ্যুৎয়ের সীমাহীন বেলেল্লাগিরিতে পরিবারপরিজনের মতোই খোদ সরকারের সবাই দীর্ঘশ্বাস ফেলেছেন। একপর্যায়ে, পাগলা বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক গুরুত্বারোপ করা হয়েছিল। এজন্য কঠোরভাবে নজরদারী, উৎপাদন বৃদ্ধিকরণ, নতুন নতুন প্লান্ট স্থাপন, অর্থ লোপাটের কুইক রেন্টাল, আমদানি, এমনকি সংসদে দায়মুক্তি বিল পাশ করা হয়। এককথায়, যতকিছু করা হয়েছিল দেশবাসী তা আগে কখনওই দেখিনি। এব্যাপারে আর বিস্তারিত না বলি। বিদ্যুৎসহ সরকার পরিবারবর্গের কারোরই শুনতে ভালো লাগবেনা। অতশত শুনবেনও না। এইযে যেমনি সারাদেশের মানুষজন বলছে বিশ্ব ঐতিহ্য, বাংলাদেশের গর্ব রামপালে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি বন্ধ কর। কে শোনে কার কথা! দেশমান্য বহু জ্ঞানী-গুনি ব্যক্তির কন্ঠে কন্ঠ মিলিয়ে গতবার লংমার্চে অধম আমিও শত শতবার আওয়াজ তুলেছিলাম। উল্টো দাঁত কিড়‌মি‌রি। ভা‌লোয় ভা‌লোয় চেপে যাও। নয়তো রেগে গেলে কিলোবে। ঢিলোবে। তারপরও সামলাতে ঝামেলা মনেজাগা মাত্র মামলাতে জরজর। আরো আরো বহুবিধ প্রোগ্রাম তৈরি আছে।

এইযে গরমের আগমন মুহূর্তে বিদ্যুৎয়ের পাগলামি বাড়ছে। যা দেখে অনেক আগেকার কথা মনে পড়ছে। পাগলা বিদ্যুৎ সত্যি কি বদলেছে? নাকি গরমকালে আবারও আগের মতো যখনতখন ঘর পালাবে?
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৭
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×