somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অবশেষে সুরত বানু নিজের ঠিকানায় ........গল্প

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বয়সের ভারে নুয়ে পড়া শরীরটাতে রাজ্যের ক্লান্তি ভর করেছে। ক্লান্তিতে রীতিমতো হাঁপাচ্ছে সুরত বানু। তারপরও খুশি সে। সিঁড়ি ভেঙ্গে চার তলায় উঠার কষ্ট স্বার্থক হয়েছে। দরজায় “ভিক্ষা দিবেন গো আম্মা” বলে হাঁক দিয়ে একটু অপেক্ষা করতেই এক আপা দরজা খুলে দুই টাকার একটা নোট বাড়িয়ে দিল তার দিকে। টাকাটা নিয়ে সুরত বানু কন্ঠে মিনতি ঝরায়:

‘চাইড্ডা ভাত দিবেন আম্মা?’

‘বসে খেয়ে যাবেন, নাকি নিয়ে যাবেন?’

‘নিয়া যাইমু আম্মা।’

‘কিসে করে নিবেন খালা? কিছু আছে?’

সুরত বানু ঝোলা থেকে প্লাস্টিকের ঢাকনাযুক্ত বাটিটা বের করে দিল। কিছুক্ষণ পর আপা ফিরে এসে বলল-

‘নেন খালা আপনার বাটি ভরে ভাত দিলাম আর আমি আলাদা একটা বাটিতে তরকারি দিয়ে দিলাম। বাটি ফেরত দিতে হবে না।’

আপাকে দেখে সুরত বানুর মনে হচ্ছিল বেহেশত থেকে কোনো পরী নেমে এসেছে তার সামনে। অবশ্য বেহেশতে কোনো পরী থাকে কি না সেটা তার জানা নেই। তার খুবই ইচ্ছে করছিল তার পরীর মতো সেই আপার মুখটা দুই হাতে নিয়ে একটু আদর করে এবং মন ভরে দোয়া করে। নিজের মেয়েকে এইভাবে আদর করত সে এক সময়। কিন্তু সেটা করল না সুরত বানু। মন ভরে দোয়া অবশ্য ঠিকই করল আপাটার জন্য কিন্তু তা করল মনে মনে। কারণ সে তো আজ ভিখারিণী। ভিখারিণীরা চাইলেই সব কিছু করতে পারে না। তারা কাউকে গালি দিলেও মনে মনে দেয় আবার দোয়া করলেও মনে মনে করে।

সুরত বানু অবশ্য আজ পর্যন্ত কাউকে গালি দেয়নি। কেউ ভিক্ষা দিলে মুখে বলে, আল্লাহ আপনার ভালা করুক। তারপর মনে মনে আরও অনেক দোয়া করে। ভিক্ষা না দিলে চলে আসে। তবে কেউ ধমক দিলে তার খুবই খারাপ লাগে। কিন্তু তখনও সে মানুষকে গালি দেয় না। তার কথা হল মানুষকে বিরক্ত করি। মানুষ একটু আধটু ধমক তো দিতেই পারে। সেই হক তাদের আছে বলে মনে করে সুরত বানু।

সকাল থেকে ঘুরে ঘুরে সতেরটি বাসায় ভিক্ষা চেয়েছে। দশটি বাসা থেকে তাকে কিছুই দেয় নি। কেউ ‘মাপ কর’ বলে বিদায় করেছে আবার কেউ ‘যাও যাও’ বলে বিদায় করে দিয়েছে। বাকি সাতটি বাসা থেকে তাকে দুই এক টাকা করে দিয়েছে। এপর্যন্ত তের টাকা উঠেছে। ফার্মেসী থেকে একটা শরীর ব্যাথার ট্যাবলেট আর একটা গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেট কিনতে লাগবে নয় টাকা। বাকি চার টাকা জমা থাকবে তার কাছে।

যে যে বাসা থেকে টাকা দিয়েছে টাকাটা নেওয়ার পরই সুরত বানুকন্ঠে আঁকুতি ঝরিয়ে বলেছে, ‘চাইড্ডা ভাত দিবেন আম্মা?’ কিংবা ‘বাজান চাইড্ডা ভাত দিবেন?’ ভাত চাইলে সব বাসা থেকেই বলেছে ভাত নেই। একটি বাসা থেকে অবশ্য রাজি হয়েছিল ভাত খাওয়াতে। কিন্তু সুরত বানু ভাত বাটিতে করে নিয়ে আসতে চাইলে দিল না।

‘এখানে বসে খেয়ে যেতে পার, নিয়ে যেতে পারবা না।’ সোজা বলে দিল গৃহকর্তা।

সুরত বানু বসে খেয়ে আসে নি। কী করে খাবে সে, তার নাতনিটা যে অভুক্ত অবস্থায় পলিথিনের ছাউনিতে তার অপেক্ষায় বসে আছে! সে যে নিজের মেয়েকে কথা দিয়েছিল তার মেয়েটাকে দেখে রাখবে!

এক সময় সবই ছিল এই সুরত বানুর। ঢাকার একদম কাছেই ছিল তাদের গ্রাম। এই ঢাকার একদম কাছে থাকাটাই যেন কাল হয়েছে তাদের জন্য। ঢাকা গ্রাস কর নেয় তাদের গ্রামটি। তাদের সেই নিতান্ত গ্রামটি এখন অভিজাত ঢাকার একটি অংশ হয়ে গেছে। এখন বুঝার কোনো উপায় নেই যে এখানে কোনো এক সময় আবহমান বাংলার চিরচেনা গ্রামগুলোরই একটি গ্রাম ছিল। খামুনা গ্রূপ আর নসুন্দরা গ্রূপের আবাসন ব্যবসার কল্যাণে সেখানে এখন অভিজাত শ্রেণীর বসবাস। সুরত বানুদের মতো ভিক্ষুকরা সেখানে এখন প্রবেশাধিকারও পায় না। তাদের সেই সোনাকান্দা গ্রামের কোনো অস্তিত্ব এখন আর নেই।



সুরত বানুর এখনও পরিস্কার মনে আছে সেই দিনটির কথা। দিনটি ছিল শনিবার। দুপুর বেলা। সুরত বানু সেদিন পাঙ্গাস মাছ রান্না করেছিল বেগুন আর আলু দিয়ে। মেয়ে আর মেয়ে জামাই দু’জনেরই খুব পছন্দের খাবার। রান্না শেষ করে যখন গোসলের যোগাড় চলছিল তখনই দানবের মতো গোঙ্গাতে গোঙ্গাতে ঘরের সামনে হাজির হয় বিশালথাবাওয়ালাএক বোলডোজার। গামছা দিয়ে চেহারা ঢাকা চারজন লোক এসে ঢুকল সুরত বানুর ঘরে। তাদের কেবল চোখ দুটি দেখা যায়। ঘরে ঢুকেই লোকগুলো বলল, ’খাবুল সাবের নির্দেশ তোমার এক্ষুণি ঘর ছেড়ে চলে যাইবা’

তারপর কোনোকিছু বুঝে উঠার আগেই টেনে হিঁচড়ে তাদেরকে ঘর থেকে বের করে দিল। ঘর ভাঙ্গার আগে সুরত বানুর মাথায় যেন মস্ত আকাশটাই ভেঙ্গে পড়ল। জ্ঞান হারাবার আগে সুরত বানু দেখছিল তার ঘরটির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে খাবুল সাহেবের দানবীয় বোলডোজার। ঘরে বংশানুক্রমে ব্যববহার করা তাদের নানান আসবাবপত্র ছিল, টিভি ছিল, ফ্রিজ ছিল, ছিল আরও দামি দামি নানান জিনিসপত্র। কোনোকিছুই বের করার সুযোগ দেওয়া হয় নি। সবকিছুর ওপর দিয়েই চালান হয় দানবীয় বোলডোজার। সবকিছু ছাপিয়ে এখনও সেই রান্না করা ভাত আর ঝোল ঝোল করে রান্না করা পাঙ্গাস মাছের কথাই বার বার মনে পড়ে সুরত বানুর।

উচ্ছেদ শেষে সুরত বানুদের ভিটেমাটির উপরনতুন ঢাকা নামক একটি আবাসন প্রকল্পের উদ্ভোধনের দিন তারিখ ঠিক হয়। একই সাথে উদ্ভোধন করা হবে হয় আইন সভার স্থানীয় সদস্যের মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত একটি কলেজের। ময়মুনা খাতুন ডিগ্রী কলেজ।

সেদিন ঢাকা থেকে মন্ত্রী-মিনিস্টার আর অনেক বড় বড় মানুষরা গেছেন তাদের সোনাকান্দা গ্রামে। কলেজ আর খামুনা গ্রুপের নতুন ঢাকা প্রকল্পের ইউদ্বোধন করবেন উক্ত আইন প্রণেতা নিজেই। এউপলক্ষে বক্তৃতা মঞ্চ স্থাপন করা হয় নতুন উদ্ভোধন হতে যাওয়া কলেজ মাঠে। খামুনা গ্রূপের কান্ডারী খাবুল সাহেব ঢাকা থেকে আসা দেশের বড় বড় নেতাদের নিয়ে খুবই ব্যস্ত। এখন সোনাকান্দা গ্রামটি নিজেই ঢাকা হয়ে গেলেও তখন মানুষ ‘ঢাকা যাচ্ছি কিংবা ঢাকা থেকে আসলাম’ এভাবেই বলত।

উপস্থিত জনতার মধ্যে কিছু মানুষকে দেখা গেল স্থানীয় আইন প্রণেতা আবুল ভাইয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। আবুল ভাই কলেজটি উদ্বোধন করতে শত ব্যস্ততার মাঝেও ছুটে এসেছেন সোনাকান্দা গ্রামে। গ্রামের মানুষের সাথে তাঁর আত্মার সম্পর্ক। তাইতো সুযোগ পেলেই নিজের সকল কাজকর্ম ফেলে তিনি ছুটে আসেন গ্রামের মানুষের টানে।

ঢাকা থেকে আসা জননেতা আবুল ভাইয়ের গাড়িবহর দেখা দেওয়ামাত্র শুরু হয়ে গিয়েছিল জনতার শ্লোগান। মুহূর্মুহু শ্লোগানে কলেজমাঠ ছাপিয়ে আশপাশের গ্রামগুলিও যেন কেঁপে কেঁপে উঠছিল।

বিশেষ করে কলেজটি নিয়ে আবুল ভাইয়ের সমর্থক কিছু মানুষের কথা এখনও পরিস্কার মনে আছে সুরত বানুর। ‘চল্লিশ বিঘে জমিতে কলেজে হইতেছে। এখানে তার নিজের জমি তো হবে মাত্র বিঘে পাঁচেক’-পেঁচার বাপ হাসতে হাসতে বলে।

সাইফুল বখত বলে, ‘হ্যাঁ, দেখেছিস নেতার করিৎকর্ম! ত্যাঁদড়গুলি একাট্টা হইছিল জমি দিবে না। দেখেছিস সবগুলাকে কীরকমে সাইজ করেছে!’

রসু খাঁ বলে, ‘আরে ঐ ফাজিল সাংবাদিক ব্যাটার ঘটনাটা বেশি সরস! পত্রিকায় রিপোর্ট করছিল-‘ভুমিদস্যুর দৌরাত্ম্য’। আমাদের খাবুল সাবের পত্রিকায় পাল্টা রিপোর্ট হইছে, ‘সাংবাদিক থেকে মাদক সম্রাট’। পরের দিনই নিউজ আসল,‘মাদক সম্রাট গ্রেফতার’। এখন বুঝ মজা! কার সাথে লাগতে গেছো বাছা? স্বাক্ষ্য-প্রমাণসহ ইয়াবা নিয়া ধরা খাইছ। এইবার জেলের লাল দালানের ভিতরে পঁচে পঁচে মর বাপধন!’

‘ফাঁসিও হইতে পারে, মাদকের কেস, সাক্ষী আছে কয়েক শ’- বলে খলিল সিকদার।

‘ভাল কাজে বাধা আসবই, এই জন্য পিছায়া গেলে তো হইব না মিয়ারা!’- ব্যস্তসমস্ত হয়ে ছুটতে ছুটতে বলছিল হাশেম চেয়ারম্যান। কোনোকিছুই ভুলে যায় নি সুরত বানু।



সোনাকান্দা গ্রাম থেকে বিতারিত সুরত বানুরা ঢাকার একটি বস্তিতে আশ্রয় নেয়। নিজে বাসায় বাসায় বুয়ার কাজ করে। স্বামী ছিল চির রোগা। রিকশা চালাতে শুরু করে। এক দিন চালালে দুই দিন বসে থাকে। হঠাৎ একদিন মরে গেল স্বামীটি। এর কিছুদিন পর ছোট্ট নাতনিটা রেখে মরে যায় মেয়েটাও। মেয়ের জামাই কোথায় চলে যায় আর ফিরে আসে না। এক সময় শরীরের সব শক্তি যেন নিঃশেষ হয়ে যায় সুরত বানুরও। নিজে আর কাজ করতে পারে না। দুইটা পেটের ক্ষুধার জ্বালা মিটাতে ভিক্ষা করতে নামে সুরত বানু। ভিক্ষে করে বস্তির ঘর ভাড়া দিতে পারে না। বস্তি ছেড়ে রাস্তার পাশে পলিথিনের ছাউনী দিয়ে বসত গড়ে নানি নাতনি।

অন্যদিকে নসুন্দরা গ্রূপ আর খামুনা গ্রূপ ছোট ছোট এলাকা নিয়ে কাজ শুরু করে তাদের থাবার আয়তন বাড়াতে থাকে এবং এক সময় সোনাকান্দা এবং তার আশপাশের সকল গ্রামই তাদের দখলে চলে যায়। কিছু কিছু জমি কিনে নেয়, কিছু জবর দখল করে নেয়। কেউ জমি দিতে না চাইলে তাকে উচ্ছেদ করা হয় অমানবিকভাবে। এভাবেই এখানে গড়ে উঠে অভিজাত আবসিক এলাকা, বাণিজ্যিক ভবন, ঝলমলে শপিংমল এবং পাঁচতারকা হোটেল মারিয়ত।

যে আপাকে সুরত বানু বেহেশতের পরী ভাবছিল সেই আপা বেহেশতের পরী না হলেও সুরত বানুর জীবনের অন্তিম সময়ে এক মহা আশির্বাদ হয়েই এসেছিলেন। আরেক দিন সেই বাসায় গেলে আপা তার খোঁজ খবর নেন। আরও কিছুদিন যাতায়াতের পর তাদের মধ্যে এক ধরনের সখ্যতা গড়ে উঠে। সব কিছু জেনে সুরত বানুর নাতনীর দায়িত্ব তিনি নিজে নিয়ে নেন এবং একটি স্বনামধন্য কর্পোরেট হাউজ কর্তৃক পরিচালিত একটি বৃদ্ধাশ্রমে সুরত বানুর থাকার ব্যবস্থা করে দেন।

নাতনিটাকে নিয়ে সুরত বানুর চিন্তা ছিল সীমাহীন। জগতে কেউ নেই মেয়েটার। সে মরে গেলে কী হবে মেয়েটার সে চিন্তায় ঘুমাতে পারত না সুরত বানু। পথ-ঘাট তাদের আশ্রয়। এর মধ্যেই এতটুকুন বাচ্চা মেয়েটার দিকে শকূনদের দৃষ্টি পড়েতে শুরু করেছে। নাতনিটার একটা ব্যবস্থা হওয়াতে এখন শান্তিতে মরতে পারবে সুরত বানু।

কিন্তু একমাত্র বিধাতা ছাড়া আর কেউ জানে না যে, অবশেষে সুরত বানুর আশ্রয় তার ভিটাতেই হল। এখানেই একদিন তাদের ঘর ছিল, সংসার ছিল, ছিল সাচ্ছ্বন্দের এক জীবন যেখানে এখন গড়ে উঠেছে এই বৃদ্ধাশ্রমটি। আপন বোন জোহরা বানু আর তাদের জ্ঞাতীগোষ্ঠীর জমিজমাও এখানেই ছিল। আশপাশেই ছিল।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪৯
৯টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Somewhereinblog.net: বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ থেকে ডিজিটাল পাবলিশিং এ পরিনত করে সাবলম্বি করার লক্ষ্যে একটি খসড়া প্রস্তাবনা ।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯


একজন নিয়মিত ব্লগার হিসেবে প্রতিদিনই লক্ষ্য করি, Somewhereinblog.net (সামু) বাংলা সাহিত্য, অভিজ্ঞতা ও তথ্যভিত্তিক লেখার এক বিশাল আর্কাইভে পরিণত হয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে একটি কঠিন বাস্তবতাও সামনে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অটো কে বন্ধ করা যাবে না।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫১




অনেক দিন আগের কথা। ২০১৫ সালের ঘটনা। তখন আমি মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়ায় থাকি এবং অনার্সে পড়াশোনা করি। পড়তাম পাশের উপজেলা সোনারগাঁওয়ের সোনারগাঁও সরকারি কলেজে। প্রতিদিন কলেজে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

পদ্মা ব্যারাজের ডিজাইনার : খাল বাবা স্বয়ং

লিখেছেন অপলক , ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৮

আসন্ন বিসিএস পরীক্ষার কমন প্রশ্ন ফাঁস করে দিলাম। পদ্মা ব্যারাজের ডিজাইনার মহাপ্রতিভাবান খাম্বা/খাল বাবা। তিনি HSC ডিগ্রীধারী হলেও তার প্রতিভা আকাশচুম্বী। রবিঠাকুর বা নজরুলের সাথে তার কোন তুলনা হয় না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ ডেভেলপমেন্টে করণীয় কি?

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬



গত কয়েক বছর ধরে সামহোয়্যারইন ব্লগ সহ দেশের সকল পত্রিকা ও টিভি চ্যানলে রাজনৈতিক লেখা বেশি আসছে যা সকলের কাছে ভালো লাগার বিষয় না। রাজনীতি ভালো লাগবে শুধুমাত্র জেনজি’দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফ্যাসিবাদ মোকাবেলায় এআই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫৬


ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করা গেছে, কিন্তু পুরোপুরি নির্মূল করা যায়নি। অন্তত প্রযুক্তির দিকে তাকালে এমনটাই মনে হচ্ছে। যে আওয়ামী লীগ এতদিন মানুষের ভোট, মতামত, রাজপথ, রাষ্ট্রযন্ত্র সবকিছুর ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×