মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম সাহেব হুজুরের আটক করানোর পর তারা যেভাবে মিথ্যাচারে মেতে উঠেছিল, আঙ্গুল
কেটে ফেলার গল্প লিখছিল, এখন আবারো একই কায়দায় ইসলামী আন্দোলন, চরমোনাই ও হযরত মুফতি সাহেব হুজুরকে নিয়ে নানা অপপ্রচার এবং গালগল্প লিখে আসছে। চুলকানির সিমানেই শয়তানী শক্তিগুলোর। আর তৌহীদি জনতার এখনি সময় তাদের সমুচিত জবাব দেয়ার। এদের মিথ্যাচারের কঠিন জবাব ও মিথ্যাচারী এইসব কুলাঙ্গার গুলুরে মুগুর দেওয়ার। এই তথাকথিত বেজন্মা, ইহুদি-খ্রিষ্টান, শিয়াদের দালালদের জায়গায় জায়গায় জুতাপেটা করে শাহজালাল/শাহপরান এর পবিত্রভুমি থেকে উচ্ছেদ করার।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির আল্লামা মুফতি সৈয়দ মুহম্মদ ফয়জুল করিম সাহেব
হুজুরের বিরুদ্ধে একটি ইসলামী নামধারী শয়তানী শক্তি মিথ্যা তথ্য দিয়ে আটক করাতে সক্ষম হয়েছিল।
কিন্তু তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পর সৌদি সরকার হুজুরকে ছেড়ে দেয়ার পাশাপাশি ঘটনার জন্য লিখিতভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
সৌদি রাজকীয় মেহমান হিসেবে সরকারী খরচে ওমরা পালন এবং ৫ তারকা হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করে। তারা সেখানে যত দিন মনে চায় হুজুরকে থাকার আহবান জানায়। এতেকাফ থাকতেও অনুরোধ করে।
শেষ পযর্ন্ত হুজুর শনিবার দেশে ফিরে আসে। আসার বিমান টিকিটও সৌদি সরকার করে দেয়। শনিবার ঢাকার বিমান বন্দরে লাখো জনতা হুজুরকে সংবর্ধনা জানায়।
আজও চলছে বরিশালে সংবর্ধনা। হুজুরের এই রাজকীয় বরণে হতাশ সেই গোষ্টি।
তারা সৌদি আরবে হুজুরকে অপমান গিয়ে এভাবে সম্মানিত হয়ে যাবে তা চিন্তাও করতে পারেনি। দেশেও হুজুরের এই বিরোচিত আগমন এবং সম্মাননার কারণে চরমভাবে হতাশ ইসলামের নামধারী আহলে খবিস ও তাদের দোষররা।
তৌহীদি জনতার এখনি সময় তাদের সমুচিত জবাব দেয়ার।

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




