জন্মসনদ অনু্যায়ী এদেশের ৯২ ভাগ মানুষ মুসলমান দাবি করে। কিন্তু বর্তমানে তার সিংহভাগই প্রায় ইহুদি-খ্রিষ্টিয় শিক্ষায় সন্তানকে পড়িয়ে ধন্য মনে করে। দেদারসে টাকা বিলায় সকালের কোসিং, দুপুরের টিপিন, বিকালের প্রাইভেট.........শুধু ইহুদি-খ্রিষ্টানদের চেহারার/সিারতের "মানুষ" বানানোর জন্য। কেমন শিক্ষত হয় তার প্রতিরুপ ঘরে ঘরে দেখাই যাচ্ছে। সন্ত্রাসী,কালোবাজারি,ঘুষখোর, মদখোর,দেশখোর, ধর্ষনের সেঞ্চুরিয়ান কওমী মাদ্রাসা থেকে বেরহ্য়না। আর তথাকথিত মুসলমান জন্মসনদে নামধারী ওয়েস্টার্ন পন্থি অভিবাবকরা মাদ্রাসাকে ভাবে মিসকিনি শিক্ষালয়, ভিক্ষা করে খাবে। আর তাদের নিয়োজিত আমিরুল মুসলিমিনারা(সরকার) জনগনের বায়তুল মাল(টাক্স) দিয়ে সেই ইহুদি-খৃষ্টিয় শিক্ষা খাতে সম্পদের একটা বড় অংশ ব্যায় করে। কিন্তু যারা ইসলামের পতাকাবাহী, সরদারে দো আলম, রহমাতুল্লিল আলয়ামিন(স
কিন্তু হবার কথা ছিল বায়তুল মালের টাকায় হবে ৯২ভাগ মুসলমানের কোরয়ানের/হাদিসের শিক্ষা। এই গ্রহের ২য় বৃহত্তম মুসলমান দেশের আমির হবে নবির ওয়ারিসেরা। দেশ চলবে ইসলামিক নীতিতে।
মুসলমানদের বেইমান আব্রাহাম লিংকনের কুপরী মত হতে মুসলমানের নিতীর নেতা মুহাম্মদ স: এর মতে আনার জন্য আমরা কি করছি?
আমরাতো আল্লাহর খলিফা না?
সামনে আরো কঠিন সময় আসছে। তখন হয়তো তালবে এলেমদেরও প্রচন্ড অনিহা থাকবে মাদ্রাসা আবাদ করার। বেতন না পেয়ে, .......প্রতিকুলতায় হয়তো শুনবো আত্মহত্যা করছে কোন মাদ্রাসা শিক্ষক।
[জানি এই মুহুর্তে ইসলাম কায়েম করেফেলা সম্ভব না। কিন্তু সবার ঐক্যমতের ভিতরে এগুলে বাংলাদেশের দুই পরিবারের কাছে বন্দি জনগন গুলারে ইসলামের পতাকাতলে আনা যায়। ৩য় তো আছিই, ইসলামী দলগুলা একত্রিত হয়ে এগুলে ২য় হওয়া বর্তমান পরিস্থিতিতে অসম্ভব না। দরকার তাওয়াক্কুল, তাকওয়া, ঈমানী শক্তি, সহমর্মিতা আর এগিয়ে যাওয়া]
আল্লাহ আমাদের তঅফিক দিন। আমিন।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১২:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




