somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যের পথে আরিফ
আমি শিখি একসাথে জিকির জিহাদ, শাহ্জালালের কাছে। তাই কি করে তাগুত হয় পরাভূত, সে আমার জানা আছে। আমি শিখেছি লড়াই, দরবেশ ফকির মজনু শাহর। আমি মানুষের চির-কল্যানকামী, অনুসারী আল্লাহর। আমি শক্তি ভক্তি যুক্তিতে খুঁজি, মুক্তির সন্ধান। বাংলাদেশের মুসলিম আমি, বাঙাল

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা!

১৫ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ৮:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মেয়েদের জন্য রাজনীতি ইসলাম সম্মত হয় কিংবা নয়?
জানা এই কথা আপাতত দ্বিতীয় বার বলতে চাচ্ছি না।
তবে ইসলামী রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং ইসলামী হুকুমত কায়েম করতে শরিয়তের গন্ডির ভিতরে থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অবশ্যই করতে হয় অথবা করা যায়।
ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলের মহিলা রাজনীতির কথা বাদ দিলাম।
আসুন আলোচনা করি ধর্মের নামের একটি রাজনৈতিক দলের মহিলা রাজনিতি সম্পর্কে।
"বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা" হলো জামাতে ইসলামের একটি মহিলা সংগঠন।
এই সংগঠনের অধিকাংশ সদস্য আলিয়া মাদ্রাসা (সরকারি মাদ্রাসা)'র ছাত্রী বাকি কিছু এদিকওদিক থেকে।
এই আলিয়া প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীরা এই ছাত্রী সংস্থার 'ফরম' পূরণকালে নিজেরাও বলতে পারে না ছাত্রী সংস্থা মুলত কী?
ক্লাসের বড় বা মেধাবী ছাত্র এবং জামাতপন্থী শিক্ষকদের অনুরোধেই এতে নিজেদের অংশগ্রহণ করান এই সরলমনা ছাত্রীগণ। পড়ালিখার অন্তরালে ধীরেধীরে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় দলীয় কার্যক্রম।
যা সম্পর্কে কোন অবগত নয় ছাত্রীদের মাতা-পিতা কিংবা তাদের পরিবার পরিজন।
আর এইজন্যই মাঝেমধ্যে বিপাকে পড়তে হয় এই ছাত্রীদের, যা পরে সামলিয়ে তুলতে হয় তাদের সংগঠন জামাত-শিবির।।
শরিয়ত পরিপন্থী কাজ না চাইলেও হয়ে যায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে। প্রভাব পড়ে পড়ালিখার উপর। মাতা-পিতার অবাধ্য হতে হয় অনেককেই।
মেয়ে হয়ে মাঠে-ময়দানে এমন রাজনীতি করতে গিয়ে পড়তে হয় তাদের অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে। যা বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়। যদ্দরুণ এই ছাত্রী সংস্থার উপর অনীহা সৃষ্টি হয়ে পড়ে ছাত্রীদের।।
পরিবারের অজান্তে ক্লাসের বড় ভাই ও বন্ধুর দাওয়াতে ইসলামী জাগরণের স্পৃহা নিয়ে মাঠে নামা এই ছাত্রী বোনরা শেষ পর্যন্ত নিজেরাই জেগে থাকতে পারেন না। অনাস্থা সৃষ্টি হয়ে পড়ে সংগঠনের উপর। পরিশেষে বিমুখী হয়ে যায় দল থেকে। ফিরে যায় ঘরের মেয়ে ঘরে। অনেকেই দলকে সমর্থন দিয়ে গেলেও নিজেকে গুটিয়ে নেয় প্রচার প্রচারণা থেকে। যার কারণে এই সংস্থা থেকে আশার আলো দেখতে পাচ্ছে না বাংলাদেশ জামাত ইসলাম।।
তবুও হাল ছাড়ছেন না নেতারা। সফলতা একদিন আসবেই, শিবিরকে দিয়ে না হোক হয়তো এই ছাত্রি সংস্থা দিয়েএককভাবে ক্ষমতায় যাবে জামাত ইসলাম, এই আশা আর স্বপ্ন নিয়েই ছাত্রী সংস্থার হাত ছাড়ছেন না দল।।

তাইতো সকল ইসলাম প্রেমিকা ও ইসলামী হুকুমত পিপাসা বোনদের কাছে অনুরোধ।
কোন দলের পক্ষে বা বিপক্ষে আমার এই লিখা নয়। শুধু আপনাদের পক্ষে এবং সুবিধাবাদীদের বিপক্ষেই আমার এই লিখা।
কোন কাজ বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে হাজার বার ভাবুন।।
ধোঁকা খাওয়ার আগে ধোঁকা না খাওয়ার কাজ করুন।
ভাল কাজ করবেন, তবে করার আগে ভেবে নিন সত্যি এটি কতটুকু ভাল কাজ!!
লাভের চেয়েই যদি ক্ষতি বেশি হয় তাহলে এটা আর ভাল নয়।।

আমার তীক্ষ্ণ অবিজ্ঞতা থেকে কথাগুলো বললাম।। ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

মেয়েদের জন্য রাজনীতি ইসলাম সম্মত হয় কিংবা নয়?
জানা এই কথা আপাতত দ্বিতীয় বার বলতে চাচ্ছি না।
তবে ইসলামী রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং ইসলামী হুকুমত কায়েম করতে শরিয়তের গন্ডির ভিতরে থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অবশ্যই করতে হয় অথবা করা যায়।
ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলের মহিলা রাজনীতির কথা বাদ দিলাম।
আসুন আলোচনা করি ধর্মের নামের একটি রাজনৈতিক দলের মহিলা রাজনিতি সম্পর্কে।
"বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা" হলো জামাতে ইসলামের একটি মহিলা সংগঠন।
এই সংগঠনের অধিকাংশ সদস্য আলিয়া মাদ্রাসা (সরকারি মাদ্রাসা)'র ছাত্রী বাকি কিছু এদিকওদিক থেকে।
এই আলিয়া প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীরা এই ছাত্রী সংস্থার 'ফরম' পূরণকালে নিজেরাও বলতে পারে না ছাত্রী সংস্থা মুলত কী?
ক্লাসের বড় বা মেধাবী ছাত্র এবং জামাতপন্থী শিক্ষকদের অনুরোধেই এতে নিজেদের অংশগ্রহণ করান এই সরলমনা ছাত্রীগণ। পড়ালিখার অন্তরালে ধীরেধীরে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় দলীয় কার্যক্রম।
যা সম্পর্কে কোন অবগত নয় ছাত্রীদের মাতা-পিতা কিংবা তাদের পরিবার পরিজন।
আর এইজন্যই মাঝেমধ্যে বিপাকে পড়তে হয় এই ছাত্রীদের, যা পরে সামলিয়ে তুলতে হয় তাদের সংগঠন জামাত-শিবির।।
শরিয়ত পরিপন্থী কাজ না চাইলেও হয়ে যায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে। প্রভাব পড়ে পড়ালিখার উপর। মাতা-পিতার অবাধ্য হতে হয় অনেককেই।
মেয়ে হয়ে মাঠে-ময়দানে এমন রাজনীতি করতে গিয়ে পড়তে হয় তাদের অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে। যা বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়। যদ্দরুণ এই ছাত্রী সংস্থার উপর অনীহা সৃষ্টি হয়ে পড়ে ছাত্রীদের।।
পরিবারের অজান্তে ক্লাসের বড় ভাই ও বন্ধুর দাওয়াতে ইসলামী জাগরণের স্পৃহা নিয়ে মাঠে নামা এই ছাত্রী বোনরা শেষ পর্যন্ত নিজেরাই জেগে থাকতে পারেন না। অনাস্থা সৃষ্টি হয়ে পড়ে সংগঠনের উপর। পরিশেষে বিমুখী হয়ে যায় দল থেকে। ফিরে যায় ঘরের মেয়ে ঘরে। অনেকেই দলকে সমর্থন দিয়ে গেলেও নিজেকে গুটিয়ে নেয় প্রচার প্রচারণা থেকে। যার কারণে এই সংস্থা থেকে আশার আলো দেখতে পাচ্ছে না বাংলাদেশ জামাত ইসলাম।।
তবুও হাল ছাড়ছেন না নেতারা। সফলতা একদিন আসবেই, শিবিরকে দিয়ে না হোক হয়তো এই ছাত্রি সংস্থা দিয়েএককভাবে ক্ষমতায় যাবে জামাত ইসলাম, এই আশা আর স্বপ্ন নিয়েই ছাত্রী সংস্থার হাত ছাড়ছেন না দল।।

তাইতো সকল ইসলাম প্রেমিকা ও ইসলামী হুকুমত পিপাসা বোনদের কাছে অনুরোধ।
কোন দলের পক্ষে বা বিপক্ষে আমার এই লিখা নয়। শুধু আপনাদের পক্ষে এবং সুবিধাবাদীদের বিপক্ষেই আমার এই লিখা।
কোন কাজ বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে হাজার বার ভাবুন।।
ধোঁকা খাওয়ার আগে ধোঁকা না খাওয়ার কাজ করুন।
ভাল কাজ করবেন, তবে করার আগে ভেবে নিন সত্যি এটি কতটুকু ভাল কাজ!!
লাভের চেয়েই যদি ক্ষতি বেশি হয় তাহলে এটা আর ভাল নয়।।

আমার তীক্ষ্ণ অবিজ্ঞতা থেকে কথাগুলো বললাম।। ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ৮:০৯
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিয়োগের রূপকথা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩



মা বরাবরই পাতে ভাত কম নিতো , বলতো- ভাতে না-কি  বাত বাড়ে।
বিশেষ বিশেষ দিনে বাড়ি পোষা মোরগের ঝোল কিংবা রুই মাছের তরকারীর সবটুকু  আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দৃষ্টিকটু পোশাক ও দৃষ্টিকটু আচরণ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



আপডেট - হাফপেন্ট আন্দোলন: ৩০/০৯/২০২৬
হাফপেন্ট পরে মেট্রো ট্রেন ও বাসে চলাচল বাংলাদেশের একটি নাগরিক চাহিদা হতে পারে। যেহেতু সমস্যা মেট্রোতে হয়েছে, আমি ধারণা করেছি বাংলাদেশে ফেসবুকে “হাফপেন্ট আন্দোলন” হওয়ার সম্ভবনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কঠিনতম সব চ্যালেঞ্জের মুখে বিএনপির ভবিষ্যৎ কি অন্ধকার??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১০



বিএনপির সামনে অনেক কঠিন সব চ্যালেঞ্জ...

তাদের মোকাবেলা করতে হচ্ছে দ্বিমুখী বিরোধী-দলীয় রাজনীতি বা কর্মকাণ্ড (যেটা কিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগে কখনো দেখা যায়নি)।

জামাত-এনসিপি যতই লীগের ফিরে আসার বিরুদ্ধে বিএনপির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার নানা মরহুম শাহাবুদদীন মাহমুদ জায়গীরদার

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:২৫



আমার আম্মার সেঝ চাচা’র লেখা ‘My life is not mine’ বইটি পড়ছি। বইটিতে ‘মাইজম ভাই’ নামের একটি অধ্যায় আছে। এতে সেঝ নানা আমার নানার বিভিন্ন সত্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×