
পড়ে আছি এই সবুজ দ্বীপে,
বৃক্ষশোভন উদ্যান পাশে,
পাখির কলতান বৃক্ষের শাখে,
গাঙচিল ডানা মেলে দূরের আকাশে;
মনে হয় থেমে আছে, তাড়া নেই হারাবার
কিংবা প্রস্থানের নেই কোন বাসনা।
আমি চেয়ে থাকি, দেখি প্রান্তরের সবুজ বনানী
উড়ন্ত গাঙচিল, বিকেলের রঙমাখা সোনালী ঘাস
যেন শতাব্দীর আলস্য নিয়ে মোনালিসা ঝুলে আছে
ল্যুভরের পাথর দেয়ালে।
প্রান্তরের ঘাস শিশিরের চাঁদরে ঢেকে ঢেকে
অপেক্ষমাণ আরেকটি ভোরের;
আঁধার ঘনিয়ে আসে, জাগে চাঁদোয়া রাত,
মৃদুমন্দ বাতাসেও
এই সোয়ানসি শহর ছুঁয়ে যাওয়া সমুদ্র-স্রোত
অতটা ভদ্রতার মুখোশ পড়েনি এখনও।
এই ঢেউ, প্রান্তর ছুঁয়ে থাকা মানুষের লোকালয়
সুরের মূর্ছনা তোলে রাতের বাতাসে।
ঐ দূরের আলো মাখা ঘরে
সহাস্য রমণীর সুচিকণ কোমর ছোঁয়া ভারী নিতম্বে
হাত রাখা উন্মত্ত যুবক জানে না
আমিও তার কি ভয়ানক প্রতিপক্ষ এই আলোআঁধারিতে।
বেহুলা ওখানেই থেক, নেচে যাও এই খোয়াবী রাতে
আমি এই আলোজ্বালা ঘরেও
নিঃসঙ্গতার আঁধারের নিয়েছি শপথ।
যখন কমে আসে রাতের ব্যাপ্তি
টেবিলের খালি শিশি উপহাসে মেতে ওঠে
আমি নির্বিকার হেঁটে যাই
মেঝেতে পড়ে থাকা ফোটা ফোটা রক্ত মাড়িয়ে।
২০শে জুন ২০১৭
যুক্তরাজ্য।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




