ভাগ্যকুল হরেন্দ্রলাল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাননীয় প্রধান শিক্ষকের নিকট ১১টি বিনীত জিজ্ঞাসা-
০১। টেন্ডার ছাড়া অনিষ্পন্ন জমিতে শিক্ষার্থীদের বেতনের ষোল লক্ষ টাকায় আপনি কোন ক্ষমতাবলে কিন্ডারগার্টেন (প্রাথমিক শাখা) নির্মাণ করছেন? আমরা বিদ্যালয়ের দখলে থাক জমি কবীর মৃধা গংদের কাছ থেকে উদ্ধার দেখতে চাই কিন্তু এই স্থানে নির্মিতব্য ভবনটিতে কত ব্যাগ সিমেন্ট, কতটি ইট, কত টন রড ব্যবহার করা হয়েছে? এখানে কাজের তদারকী ব্যবস্থা নাই কেন? এই কাজের ক্রয় কমিটি নাই কেন? বিদ্রালয় ভবনটির নকশা কে করেছেন এবং অনুমোদন কে দিয়েছেন?
০২। কেন ২০১৪ সাল থেকে কলেজ চালুর জন্য আবেদন করা হয়নি? কবে নাগাদ কলেশ চালু হবে? আগের কলেজের শিক্ষকদের কে কে মারধর করেছিল?
০৩। কেন হরেন্দ্রলাল রায়ের স্মৃতি বিজরীত প্রত্ন নিদর্শনগুলো বিক্রি করে দেয়া হল?
০৪। বিদ্যালয়ের বর্তমান গাছের সংখ্যা কত এবং কতটি গাছ বিক্রি করা হয়েছে? সে অর্থ কোথায় ব্যয় করা হয়েছে?
০৫। খণ্ডকালীন শিক্ষকদের কেন ভাল বেতন দেয়া হচ্ছে না? কতজন শিক্ষক গত দুই বৎসরে বিদ্যালয় ছেড়েছে? কেন ছেড়েছে? ভাল শিক্ষকদের তাড়াতে কারা ভূমিকা রাখছে?
০৬। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তুলনায় টয়লেট, পানি খাওয়ার ব্যবস্থা এত অপ্রতুল কেন?
০৭।কেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এক বেঞ্চে ৬জন করে বসে? কতটি কক্ষ অব্যবহৃত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে?
০৮। আভ্যন্তরীণ অডিটে যে অনিয়ম উত্থাপিত হয়েছে তা কিভাবে নিষ্পনন করা হয়েছে?
০৯। বিদ্যালয়ের মাঠে ও বিদ্যালয়ের উত্তরের ডোবা বালু ভরাটের জন্য সর্বমোট কত লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়েছে?
১০। বিভিন্ন প্রকাশকদের বই পাঠ্য করার বিনিময়ে ২০১৪ সালে প্রকাশকদের নিকট থেকে কতটাকা গ্রহণ করা হয়েছে?
১১। বিদ্যালয়ের দখলে থাকা জমিগুলো কোথায় কি অবস্থায় রয়েছে?
এই এগারোটি এবং আরো অনেক বিষয়ে আমরা জানি না। মাননীয় প্রধান শিক্ষক এগুলো ভাল জানেন। আমরা চাই তিনি তার দক্ষতার মাধ্যমে বিদ্যালয়কে আরো উন্নতি করবেন। এগুলো জানলে অজ্ঞ মানুষদের ধারণা বৃদ্ধি পাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




