
দুদিনের মধ্যেই বাংলাদেশে তিনজন গুরুত্বপূর্ণ সরকার দলীয় রাজনৈতিক নেতা করোনাভাইরাস সংক্রমণে মারা গেলেন। মোহাম্মদ নাসিম, বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ। এছাড়াও মারা গিয়েছেন বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তা, বহু পুলিশ, ডাক্তার, অধ্যাপক, ব্যাংকার, গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী। অনেকে অপ্রতুল চিকিৎসা ব্যবস্থার দিকে আঙুল তুলছেন। যারা সামান্য অসুস্থতাতেই নিদেনপক্ষে সিংগাপুর, থাইল্যান্ড যেতেন চিকিৎসা করাতে তারাও মারা যাচ্ছেন হোটহাট করে। সাধারণ মানুষও মারা যাচ্ছে। শনাক্ত ছাড়াও করোনা উপসর্গ নিয়েও মারা গেছেন বহু মানুষ।

এখন যদি উপলব্ধি আসে- সবার আগে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন করাতে হবে তবেই মঙ্গল। চিকিৎসা শিক্ষার মান বাড়াতে হবে। তৈরি করতে হবে বৃহদাকার ও সকল সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতাল। ঢাকার বাইরে একটি হাসাপাতালেই যেনো থাকে হাজার হাজার বেড, শত শত আইসিইউ, শত শত ভেন্টিলেটর, ভাল ভাল ডাক্তার। নইলে ভবিষ্যতেও শুধু শ্রমিক-কৃষক ও মেহনতি মানুষই মরবে না, মৃত্যুর কাতারে নাম লেখাতে পারেন এমন গুরুত্বপূর্ণ মানুষও। এখনই ঘোষণা দেয়া দরকার- কেরাণীগঞ্জে ২ হাজার সজ্জার একটি আন্তর্জঅতিক মানের হাসপাতাল নির্মাণের। বাংলাদেশেও নির্মিত হোক ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক, জন হপকিন্স মেডিসিন বা মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের মতো হাসপাতাল। উন্নয়ন হোক স্বাস্থ্য খাতেন। জীবন না বাঁচলে অন্য উন্নয়ন দিয়ে মানুষ কি করবে?
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



