সেই বিখ্যাত হেডবাটের ব্রোঞ্জ মূর্তি: সত্যিই দু:খজনক
২৮ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
ফরাসি ফুটবলের পাতায় জিনেদিন জিদানের নামটা চিরস্থায়ী। প্যারিসের পম্পিডোউ আর্টস সেন্টারের সামনে কিংবদন্তি ফুটবলার জিনেদিন জিদানের প্রকাণ্ড মূর্তিটি দেখলে বিষয়টি বোধগম্য হয়। কিন্তু ফরাসি ফুটবলবোদ্ধারা মনে করেন, ভাস্কর্যটিতে জিদানকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।জিদান ভক্তরাও তাই মনে করেন যে তাকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
২০০৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইতালির ডিফেন্ডার মার্কো মাতেরাজ্জিকে মাথা দিয়ে ঢুঁস মেরে লাল কার্ড দেখেছিলেন জিদান। ওই ঘটনাটি স্মরণীয় করে রাখতে বানানো হয় ব্রোঞ্জের মূর্তিটি। বোদ্ধাদের আপত্তি এখানেই। তাদের মতে, ফ্রান্সের হয়ে জিদানের গাদা গাদা কীর্তিকে দূরে ঠেলে কেন ওই বিতর্কিত ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে মূর্তি বানানো হলো ১৯৯৮ বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে হেডে দুই গোল করে ফ্রান্সকে প্রথম এবং একমাত্র শিরোপা জিতিয়েছিলেন জিদান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভাস্কর্যটি বানানো যেত বলেও মনে করেন ফরাসি ফুটবল সমালোচকরা। জিদানের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ফরাসি ফুটবলের কূটনীতিকরা বলেন, ‘ওই মূর্তিটি বানিয়ে তোমার সব কীর্তিকে দূরে ঠেলা হয়েছে। বিশ্ববাসীর সামনে তোমার ইতিবাচক কিছু ফোটে, এমন কিছু চিন্তা করা উচিত ছিল মূর্তি বানানোর পরিকল্পনাকারীদের।’ আমরা যারা ফুটবলপ্রেমী আমাদেরও সে একই কথা যে একজন বিখ্যাত ফুটবলারকে এভাবে উপস্থাপন করা ঠিক হয়নি । ফুটবলের বিশ্ব সংস্থা আশা করি বিষয়টির একটি শুরাহা করবেন।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
সামিয়া, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৩

চোখ বন্ধ করলেই আমি ধোঁয়া দেখি। ঘন, ধূসর ধোঁয়া। যেন কেউ ভেজা কাঠ জ্বালিয়েছে। তার সঙ্গে মিশে থাকে পোড়া কাপড়ের গন্ধ। কখনও মনে হয় প্লাস্টিক, কখনও মনে হয় পুরোনো...
...বাকিটুকু পড়ুনপাহাড় আমি ভালোবাসি
...........................................

চললাম তবে তোমার সাথে,
হাতটি রেখে হাত বাড়াতে।
পিছুটানের বাঁধন ছিঁড়ে,
হারাবো ওই মেঘের ভিড়ে।
পাহাড় চূড়ায় রোদের হাসি,
শুনছো ! তোমায় ভালোবাসি।
চলবে নদী আপন বেগে,
নতুন কোনো আশার মেঘে।
ইচ্ছেগুলো পাক না ডানা,
আজকে...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাজীব নুর, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১

এই মুহুর্তে আমি গাজীপুর যাচ্ছি।
সময় সকাল দশটা। রবিবার। রাস্তায় জ্যাম যেতে অনেক সময় লাগবে। লাগুক। সমস্যা নেই, হাতে অনেক সময় আছে। আজ আমার কোনো কাজ নেই। বউ বাচ্চা বাসায়...
...বাকিটুকু পড়ুনজাপানের মানুষেরা আজও বুঝতে পারে নাই, কেন তাঁদের ছেলেমেয়েদের এভাবে হত্যা করা হলো। সেই দেশের মুরুব্বীরা এখনো এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে ফেরেন। আক্ষেপ করেন। আমার বোনের জামাই জাপানে পোস্ট ডক... ...বাকিটুকু পড়ুন
উগ্রবাদী আর উদারবাদী, দুটি ইসলামই একই রাজনীতি করে। তাবলীগ জামাতের লোকটি মাঠে এসে বলে মেয়েদের ফুটবল হারাম। তারপর বিশ্বকাপে সৌদি আরবকে সমর্থন করে রাস্তায় নামে। এই দুটি আচরণ পরস্পরবিরোধী নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন