somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কথিত আইএস এর ঢাকা হামলা ও জাকির নায়েক প্রসঙ্গঃ

০৯ ই জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশের ইতিহাসে এবং বাংলাদেশের মানুষেকে নতুন করে আতঙ্কিত করে গত ১লা জুলাই পবিত্র লাইলাতুল কদরের রাতে ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানে যে জঙ্গি হামলা হয়ে গেল সেটা বাংলাদেশের মানুষ কে নতুন এক বাংলাদেশের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ঘটনার পর বাংলাদেশ কে আরেকবার জানিয়ে দিয়েছে যে এবার একটু সতর্ক হও।নিজেদের মাঝে কাঁদা ছোড়া ছুড়ি টা বন্ধ রেখে দেশ মাতাকে একটু বাঁচাও। আর এটা আমাদের রাজনীতির জন্য সন্ত্রাস দমনের শ্লোগান নিয়ে আবার এক কাতারে এসে এই জঙ্গি বা যে কোন হামলা থেকে দেশ বাঁচানোর উপায় হতে পারত।
কিন্তু দুঃখজনক হলে ও এটাই সত্য যে আমরা তার ছিড়ে ফোটা ও দেখতে পাই নাই।যেটা দেখেছি সেটা বহুকাল আগে থেকে দেখে আসা আমাদের রাজনীতির হর্তা কর্তাদের নিজেদের জ্ঞানহীন এবং জনগনের কাছে বিরক্তিকর বিরোধীদল কে দোষারোপ করে দেয়া বক্তব্য।
যেমনঃএটা শিবিরের প্রশিক্ষিত ছেলেরা করেছে।
অথবা এতে বিরোধী দল জড়িত।ইত্যাদি।

অথচ এটা হওয়া উচিত ছিল যে, প্রধান দু দল এক সাথে বসে বা নিজেদের অবস্থান থেকে এই জঙ্গিদের ধরতে সাহায্য করবে।
জঙ্গিদের হোটেল এর বেতরে মেরে ফেলা হল আর যে দুজন কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে । এর মাঝে নাকি সেই হোটেলের বাবুর্চী বেচারাকে ও আটক করা হয়েছে।আমরা সবাই একে আমাদের জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বিশাল এক সফল অভিযান ঘোষনা দিয়ে নাম দিয়েছি "থান্টার বোল্ট" যা বাংলা করলে অনেকটা অর্থ আসে "সাহসী অভিযান"।যে অভিযানে মাত্র ৬ জন বা ৮ জন জঙ্গির কাছে তাদের টার্গেট অনুযায়ী সব বিদেশীদের মেরে ফেলা হল এরপর উদ্ধারে এসে তাদের কে ও মেরে ফেলা হল।(প্রশ্নবিদ্ধ যে তারা কি নিজেরা আত্মহত্যা করে ছিল নাকি আমাদের সেনাদের হাতে মারা গিয়েছে)। সেটাকে আমরা আসলেই কি কোন সফল অভিযান বলতে পারি(?) যদি না কেহ মারা যেত কিংবা আমাদের দেশ প্রেমিক পুলিশ অফিসারদের হারাতে না হত,তখন এই নাম টা তার প্রতি সুষ্ঠ বিচার করতে পারত।

বাংলাদেশের যেকোন প্রান্তে ককটেল ফোটা থেকে শুরু করে সাইকেল এর টায়ার ফোটা সব দোষ সর্বদাই একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের দিকে দেয়া হয়,আর সাথে প্রমান করার চেষ্টা হয় এরা মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।যদি এটা প্রমানে ব্যর্থ হয় যে এরা মাদ্রাসার ছাত্র ছিল না, তখন বলা যে,ওই সাইকেলে মাদ্রাসার ছাত্র বসেছিল।সেটা প্রমান না হলে এই সাইকেল কোন মাদ্রাসার ছাত্রের গ্যারেজ থেকে সাড়ানো হয়েছিল । সেটা ও যখন প্রমানিত না হয় তখন বলা হয়,যে রাস্তায় এটা ফুটেছে সেই রাস্তা দিয়ে মাদ্রাসার ছাত্র হেটে গিয়েছিল।
কিন্তু এর মাঝে চতুর জনগন তাদের মিডিয়া দিয়ে বের করে ফেলে যে সেই সাইকেল এ আগে থেকে লিক ছিল আর যেটা করেছিল সাইকেল এর পেছনে সিটে বসে থাকা সাইকেল মালিকের বন্ধুই করেছিল।
কেননা সাইকেল মালিক এই সাইকেলটি ই তার এই বন্ধুর কাছের বিক্রি করার কথা ছিল ।এবার যদি সাইকেল এর টায়ার লিক দেখানো যায় তখন সাইকেল এর দাম কমে যাবে ৫০% আর বেচারা সেটা ২০ টাকা দিয়ে সাড়িয়ে পাংখা হইয়ে চালাবে।কিন্তু সাইকেল এর মালিক বোকা বন্ধু টা তার এই কংস মামা টাইপের বন্ধুটাকে আবার ও বিশ্বাস করে টায়ার বাস্ট এর তদন্তের কাজ টা দিয়েছে। এটাকে বিশ্বাস বলব না অনেকটা চাপেই কারনে। সাইকেল মালিক বন্ধুটি জানে যে এটা তার এই পেছনের মানুষটিরই কাজ।কিন্তু সে এটা জেনে ও তাকে তদন্তের কাজ দেয়া হচ্ছে কারন মালিক বন্ধুটির অতিত ইতিহাস আর প্রেমিকার কথা এই পেছনের জন ই তো জানে।তাই তাকে যদি কাজটা দেয়া না হয় সে তো মালিকের বাবা বা ভাইয়ের কাছে বলে দিবে। আর শেষে তদন্তের ফলাফল তো যা হওয়ার সেটাই সেই মাদ্রাসার ছাত্র দোষী ।কারন মাদ্রাসার ছাত্রটি রাস্তার পাশ থেকে হেটে যাওয়ার সময় তার লম্বা জামা দেখে সাইকেল এর চালক তার দিকে তাকিয়ে সাইকেল চালাচ্ছিল আর সেই কারনে এই দূর্ঘটনা।আর তাকে তো গ্রেপ্তার করা হবেই সাথে এই জাতীয় জামা যারা পরে সাবাই কে গ্রেপ্তার করা হবে।কারন আগামীতে কোন চালক যেন সাইকেল বা অন্যকিছু চালানোর সময়ে এদের দিকে না তাকায়।
তবে সেই তদন্ত জনগন আর মানে না কারন তাদের মিডিয়া দেখিয়ে দিয়েছে যে এটা সবাই ব্রাক মাদ্রাসা(?) নর্থ সাউথ হাফেজী খানা(?) কিংবা রাজউক বা আদমজী কওমী মাদ্রাসার(?) ছাত্র। আর তাদের পরিবার সব একটি বিশেষ দরবার শরিফের খাছ মুরিদ(?)।কেহ কেহ আমার দরবারের খাদেমও আছেন।
আমাদের এই কাঁদা ছোড়া ছুড়ি টা শেষ অব্দি গোবড় ছোড়া ছুড়ি এর দিকে টান করে আর তার মূল বিষয়টা জাতীকে ভুলিয়ে দিতে আমার কোন মাকাল ফল তাদের সামনে দেয়া হয়।যেমন যদি সাম্পতিক কিছু টা তুলে ধরি পুলিশ অফিসার বাবুল এর স্ত্রী হত্যা কে ডেকে দেয়া হল এই গুলশান এর ঘটনা থেকে (এখন বাবুল নিজে ও বোধায় তার স্ত্রী এর নাম ভুলে গেছে)গুলশান কে আবার হারিয়ে গেল শোলাকিয়া্য।কারন গুলশানে যারা ছিল তার প্যান্ট আর শার্ট পড়েছিল।এবং সেই বিশেষ দরবারের ও বিশেষ মাদ্রাসা গুলোর ছাত্র।তাই এটা ঘুরিয়ে দিয়ে লম্বা জামা ওয়ালা কাউকে দরকার ছিল। এটাকে ব্রেন ওয়াস থেকে জঙ্গি তে রুপ দেয়ানো খুব দরকার ছিল।ও আচ্ছা, আপনাদের তো এটা বলাই হয় নাই যে কারা ব্রেন ওয়াসড আর কারা জঙ্গি।আসলে যারা এই বিশেষ মাদ্রাসা গুলো পড়েছে এবং তাদের পরিবার বিশেষ দরবারের মুরিদ তারা যখন হামলা করে এটাকে ব্রেন ওয়াসড বলা হয়।আর যারা লম্বা জামা পড়ে হামলা করে এবং এই সব দরবারের মুরিদ না তাদের কে বলা হয় জঙ্গি।
বাংলাদেশের ব্যাপারে মোদ্দাকথায় যদি আসি এটাই বাংলাদেশের চিত্র যেঃ আটক যারা ছিলেন তাদের একজন গতকাল ঢাকা মেডিকেল এ মারা গেছেন।আগে যারা মারা গিয়েছে তাদের লাশ পরিবার নিতে চাচ্ছে না। বিশেষ দরবার থেকে বিরোধী দরবার কে যে দোষ টা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল সেটা বিটিভি দেখালেও জনগনের মিডিয়া তার মূল বের করার বিরোধী দরবারের খুব একটা ক্ষতি করতে পারে নাই।।

কিন্তু প্রশ্ন হল এই ঢাকা হামলার সাথে হঠাৎ করে জনাব জাকির নায়েক কে কেন ডুকিয়ে দেয়া হল? যিনি কিনা নিরন্তন ভাবে ইসলামের সেবা করে যাচ্ছেন,তার কথা ও বানী দিয়ে।যিনি কিনা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।সেই মানুষ টিকে নিয়ে টানা টানি আর ঢাকা হামলার জন্য দায়ী করার পেছনে কারন কি?
কারন হিসেবে যে টা ভারত সরকার এর থেকে দেখানো হচ্ছে বা বাংলাদেশ সরকার ও বুঝাতে চাচ্ছেন তা হচ্ছে সেই সাইকেল আর লম্বা জামার গল্পের মত।তিনি যে কথা বলেছেন যেই কথা থেকে নাকি এই জঙ্গিরা উৎসাহ নিয়েছে আর আইএস এ যোগ দিয়েছে।
তো আবার আসুন জঙ্গি হামলা বা নিরীহ মানুষ কে হত্যার ব্যাপারে জাকির নায়েক সাহেব বক্তব্য কি।
লিঙ্ক ১ঃ https://www.youtube.com/watch?v=iKfOVR3JfPg
এখানে দেয়া তার কথায় স্পষ্ট জানিয়ে দিচ্ছেন যে "নিরিহ মানুষ কে হত্যা পুরো জাতী কে হত্যার সামিল।এটা কুরান ও হাদিসের বিপরিত"।
তো নীরিহ মানুষ হত্যার ব্যাপারে যে মানুষটির দর্শন হচ্ছে তাদের হত্যা করা যাবে না তাহলে তার কথা কিভাবে জঙ্গিদের উৎসাহ দিয়েছে?
তাহলে এবার আসুন দেখা যাক ২০০২ সালে চেন্নাইতে দেয়া তার বক্তব্যে কি ছিল।
লিংক ২ঃ https://www.youtube.com/watch?v=PzOKm4a0wow
এই বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট উল্লেখ করে দিয়েছেন যে, যারা সন্ত্রাস হয় সেটা তাদের নিজেদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত কোন ধর্ম এর জন্য দায়ি না।তিনি এখানে হিটলার এবং মুসোলীনি এর উদাহরন দেন। যারা মুসলিম ছিলেন না।
তো এখন কথা হচ্ছে তা হলে তার পেছনে এই লেপন গুলো দেয়ার কারন কি বা যুক্তি কি?

লিংক ৩ঃ দেখুন বাংলাদেশের টিভিতে করা রিপোর্টঃ https://www.youtube.com/watch?v=O_qolqxM1
এখানে বলা হচ্ছে গুলশানের জঙ্গিরা নাকি জাকির নায়েক এর কথা শুনে জঙ্গি হয়েছিল। তো আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে,যদি আপনি আমার কথা বুঝতে না পারেন আর তার ব্যাখা আপনি ভুল বুঝেন সেই দায় কি আমার?

এবার দেখুন গুলশান হামলার একজন ইমতিয়াজএর যে পোস্ট থেকে নেয়ে হয়েছে যা জাকির নায়েক বলেছিলেন " Every Muslim should be a terrorist" । কি ছিল সেই কথার প্রেক্ষাপটঃ
লিংক ৪ঃ https://www.youtube.com/watch?v=Bxk5AAA5FbI
এখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে তার কথা হচ্ছে "যদি ওসামা বিন লাদেন ইসলামের জন্য লড়াই করে তাহলে আমি তার সাথে কিন্তু আমি জানি না যে সে আসলে
কি করছে।আপনি দেখবেন যে নাইজেরিয়াতে হামলা হয়েছে সেখানে কিছু খুজে দেখার আগেই নাম দেয়া হচ্ছে লাদেন এর সাথে জড়িত।সকল মুসলিম কে টেরটিস্ট হয়ে হবে কিন্তু তোমাকে দেখতে হবে তুমি কার বিরুদ্ধে লড়াই করছ।যদি তুমি টেররিস্ট এর বিরুদ্ধে লড়াই কর তখন আমি তোমার সাথে"।

এই ভিডিওটির ১ ঘন্টা ১৩ মিনিট থেকে ১৯ পর্যন্ত দেখেন।
লিংক ৫ঃ https://www.youtube.com/watch?v=GCsV8oQX7qA
সেখানে কাকে বা কিভাবে সন্ত্রাসী বলা যাবে বা যাবে না কি এর কারন সেটা তুলে ধরেছেন।

এখন যদি আপনি তার কথা না বুঝে সেটা থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিয়ে সন্ত্রাস হন তাতে দায়ভার কি তার? যদি তাই হয় তাহলে হিটলার এর কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে তার নাৎসি বাহিনী যে প্রায় ৩ লক্ষ ইহুদীদের মেরেছিল তার বিচারে তো তাকে কবর থেকে তুলে আবার ফাঁসিদেয়ার উচিত।কারন সেখানে হত্যার স্পষ্ট নির্দেশ ছিল।
টনি ব্লেয়ার এর শাস্তি তো সবার আগে হওয়ার কথা কারন ইরাকে হামলা তার স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল।আর কিছুদিন আগে সে তার ভুল মেনে ও নিয়েছেন,যে ইরাকে হামলা তার ভুল ছিল।এখন আমেরিকায় মৃত সেনাদের পরিবার এর বিচার চাচ্ছে ,তারাই ঠিক।

কাজী নজরুল কে ফাসি দেয়া উচিত। কারন সে তো জেল ভাঙ্গতে উৎসাহ দিয়েছিল।কেন ওই যে লিখেছিল "লাথি মার ভাঙ্গরে তালা আগুন জ্বালা জ্বালা"।আপনি সেখানে তাকে হিরো বানাবেন আর নিজের স্বার্থে যখন লাগবে তখন সেটাকে নিজের উপোযোগী করে চালিয়ে দিবেন(!)।এটা কেমন বিচার?

আসুন তাহলে এবার দেখি এই জঙ্গিরা কি আসলে কারো ই কথা থেকে উৎসাহ নেয় না।নাকি কেহ আছেন যার থেকে এরা উৎসাহ পেতে পারেন।
লিংক ৬ঃ Click This Link
আমাদের মত যুবকদের বিপথগামী করতে যদি কোন ভিডিও থেকে তার একটি এটি। এখানে তিনি স্পষ্ট আইএস এর পক্ষ নিয়ে কথা বলেছেন।
আর তিনি নিজে ও একজন আল কায়েদা নেতা। তার নাম আনোয়ার আল-আওলাকি (Click This Link;)
এই লিংক এ তার জীবনী পাবেন।যদি বন্ধ করতে হয় এই জাতীয় মানুষদের ভিডিও বা প্রচার বন্ধ করুন।পিছ টিভি কেন?

পিছ টিভি বা জাকির নায়েক কেনঃ
এই কেন এর উত্তর আমাদের সবার কাছে অল্প আদটু জানা আছে।
ভারতের মোট জনসংখ্যার ১৩ঃ৪% মুসলিম।আর সেটা বেড়েই চলছিল নিত্য। এর প্রধান ২ টা কারন হতে পারে।
১/কোন মুসলিম নেতা বা বক্তা যিনি সঠিক ভাবে এই মানুষ গুলো ইসলাম ধর্মের দিক্ষা দিচ্ছিলেন আর তাতে তারা তাদের হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম হচ্ছিল।
২/হিন্দু ধর্মের জাত বৈষম্য বা নিচু জাতের হিন্দুদের জীবনকে নিপেরিত করছিল এবং তারা এর থেকে মুক্তির ভাল একটা সমাধান চাচ্ছিল।তো সেই সমাধান ইসলাম ধর্মে থেকে নিশ্চয়ই আর কোন ধর্ম দেয়নি।
আর এই দু এর মিশ্রনে যখন হিন্দুরা ইসলাম ধর্ম গ্রহন শুরু করল তখন উগ্র হিন্দুবাদী ভারতের কেহ এটা মেনে নিতে পারছিল না।তাই এর গোড়া কাটা দরকার।তো দিলাম জাকির নায়েক কে ঢাকা হামলার নায়ক বানিয়ে।

অন্য কারন হতে পারে এটা যেঃ
অল্প আদটু ইসলাম বুঝা মানুষ গুলোকে পীর পুজা আর মাজারের দিকে যুক্ত করে একটা মহল হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।তাদের এই ব্যাবসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল জাকির নায়েক এর কারনে।কারন তিনি মানুষ কে এই সব শিরক থেকে ফিরে আসতে শিখাচ্ছিলেন।
তো যদি যাকির নায়েক এর টিভি আর তার নিজের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া যায়,হিন্দুদের আর সাথে এই পীর সাহেবদের সবার স্বার্থ রক্ষা।

এই প্রথম কারন টা বাংলাদেশে না থাকলে ও ২য় কারন টা বাংলাদেশে ভারতের থেকেও বেশী।উল্লেখ করে দিলে চট্রগ্রাম এর সুন্নী সাহেবদের,আবার দেওয়ান বাগী তো আছেই।সেই সাথে নাম না বললে ও আরো বহু প্রতিষ্ঠিত দরবারের ও এই লস টা হচ্ছিল।তাই জাকির নায়েক কে বন্ধ করা আবশ্যক ছিল।এবার ভারতে হয়েছে আর তার জন্য পীর সাহেবগন এই মানুষটির বিরুদ্ধের আন্দোলন করিতেছেন।
লিংক নং ৭ঃ (http://ebdupdate24.com/?p=2972)
আর এই সুযোগটির অপেক্ষাতেই তো তীর্থের কাকে মত অপেক্ষায় ছিলেন আমাদের পীর সাহেবগন।এবার তাদের ইচ্ছের পূরনের প্রান্তে।

সর্বোপরি কথা হচ্ছেঃ লেখাটা একটু বর হলে ও তথ্য দিয়ে এটাই তুলে দেখানোর চেষ্টা করেছি যে গুলশান হামলা এর পেছনে আর জাকির নায়েক কে দোষ দিয়ে কারা কারা ফায়দা নিতে চাচ্ছেন।তবে শেষ বেলার এই একটি কথা দিয়ে শেষ করি, পীর সাহেবরা "এদিনে দিন নয় আরো দিন আছে,এদিনেরে নিয়ে যাবে সেদিনের কাছে"।
তাই ইসলাম কারো নিজের পৌত্তিক ধর্ম না।এটা নিয়ে ব্যাবসা বন্ধ করে এই মহান মানুষটির পেছনে না লেগে চিন্তা করুন যারা আজ আপনাদের এই মানুষটির পেছনে লাগিয়েছে তারা আপনার পেছনে যে কাউকে লাগাবে না তার গ্যারান্টি কে দিবে??

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩২
৯টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশ কি মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হবে?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৩২

বাংলাদেশ কি মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হবে?

প্রশ্নটি এখন আর নিছক কল্পনা নয়।
গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান Makkah Joint Defence Agreement-এ স্বাক্ষর করেছে। চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা জানেন না তাদের জন্য! কফি এনিমা (Coffee Enema)!

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩

কফি এনিমা হলো মলদ্বার দিয়ে কোলন বা বৃহদন্ত্রে তরল কফি প্রবেশ করিয়ে পেট পরিষ্কার করার একটি বিকল্প পদ্ধতি। নিচে এটি শরীরে দেওয়ার সাধারণ প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে উল্লেখ করা হলোঃ

প্রয়োজনীয় উপকরণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ একটি পরিচ্ছন্ন শৌচাগার

লিখেছেন রাজসোহান, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮



বাড়িটা দেখতে বাড়ির মতো না, যেনো একটা ঘোষণা। দ্যাখো, আমি কে।

গেটে দুইটা সিংহ, পাথরের, মুখ হাঁ করা; সিংহ দুইটা কী পাহারা দিচ্ছে তারা নিজেরাও জানে না। ভিতরে উঠান... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসায় শিশুর নিরাপত্তা কোথায়?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০

মাদ্রাসায় শিশুর নিরাপত্তা কোথায়?
====================
একটি ১১ বছরের শিশু যার বয়স খেলাধুলা, পড়াশোনা আর স্বপ্ন দেখার। সেই শিশুকে যদি যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তার গর্ভে একটি সন্তান জন্ম নেয়, তাহলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মক্তব চালু করলে শিশুরা ফিরে আসবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪২


ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×