স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির বলেছেন, ‘ধর্মমতে মুসলমানদের কোনো অকালমৃত্যু নেই। তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীর তাদের জন্য নির্ধারিত সময়েই মারা গেছে। তাদের জন্য দুঃখ লাগতে পারে। তবে এটাই বাস্তব।’
কেউ যদি বলে ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের মৃত্যু নির্ধারিত সময়েই হয়েছে। তাঁদের জন্য দুঃখ লাগতে পারে। তবে এটাই বাস্তব।- তাহলে হত্যার বিচার কি দরকার?
এই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব স্বাস্থ্য আর পরিবারকল্যাণের, আর তিনি ‘বাংলাদেশে জনসংখ্যানীতি যুগোপ-যোগীকরণ জাতীয় কর্মশালা’য় বলে বসেন, ‘মা-বাবা শিক্ষিত হলে সন্তান বেশি হলে সমস্যা নেই। তিনি তাঁর মা-বাবার নবম সন্তান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও তাঁর মা-বাবার নবম সন্তান ছিলেন!’ (প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১)। যে দেশে জনসংখ্যা এক নম্বর সমস্যা, সেই দেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী যদি ঘরে ঘরে রবীন্দ্রনাথের জন্ম দেওয়ার জন্য নয়টা, দশটা, চৌদ্দটা সন্তান জন্ম দেওয়ানোর জন্য নসিহত করতে থাকেন, তাহলে নিজের চোখ-কানকে বিশ্বাস করব, নাকি ভাবব, আমরা উন্মাদাশ্রমে বসবাস করছি। (মন্তব্য প্রথম আলো ১৭.০৯.২০১১)
এদিকে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান আবার বিশেষ আগ্রহ ভরে খোঁজ নিয়েছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ড্রাইভার কী পাস? গত বৃহস্পতিবার মাদারীপুরে জেলা প্রশাসকের কক্ষে সড়ক নিরাপত্তা কমিটির বৈঠকে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গাড়িচালককে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কী পাস? সে বলল, “আমি তো স্যার ফাইভ পাস।” সেও প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি ভালোভাবে চালায়।’ প্রধানমন্ত্রির গাড়ি তো চলে ফাঁকা রাস্তায়। আগে থেকেই পুলিশ তার গাড়ি বহরের জন্য রাস্তা ফাঁকা করে রাখেন একথাও কি মাননীয় মন্ত্রী জানেন না।
স্যার ! (মন্ত্রি সাহেবগণ) আপনারা কি ইচ্ছা করে পাবলিকদের দৃষ্টি আপনাদের দিকে নেওয়ার জন্য উল্টা স্যবক্তব্য লিখেন না কি সত্যিই মাথা খারাপ হয়ে গেছে। সমস্যার সমাধান পাবনা / পরবর্তী নির্বাচন।.....................................

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


