somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মুক্তমনা ব্লগার
আমি বিশ্বাসী, কিন্তু মনের দরজা খুলে রাখাতে বিশ্বাস করি। জীবনে সবথেকে বড় অনুচিত কাজ হল মনের দরজা বন্ধ রাখা। আমি যা জানি সেটাই সত্য, বাকি সব মিথ্যা…এটাই অজ্ঞানতার জন্ম দেয়।

ধীরেন্দ্রনাথ দত্তঃ রাষ্ট্রভাষা, রাষ্ট্রধর্ম এবং আনুষঙ্গিক আলোচনা

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৭:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এক.

১৯৭১ সালের ২৯শে মার্চ হারিয়ে যান একজন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। তিনি হয়তো হারিয়ে যেতে পারতেন আরও আগে। হারিয়ে যেতে পারতেন ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ, ২৫ মার্চ কিংবা ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে। কিন্তু তা হয়নি- তিনি নিখোঁজ হয়েছেন ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ। একজন ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের সাথে বাংলা নামের এই রাষ্ট্র, রাষ্ট্রভাষা এবং রাষ্ট্রধর্মের প্রত্যক্ষ একটা সম্পর্ক আছে।

আজ তাই নিয়ে কিছুটা লিখতে হচ্ছে।

ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে বাঙালী যে চেনে না তা নয়। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কে বাঙালী চেনে ‘না পারতে’, ‘প্রয়োজনে’। কারণ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা আন্দোলনের প্রথম সৈনিক। সেজন্য যে কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কিংবা সাধারণ জ্ঞান পাঠে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত একটা জনপ্রিয় নাম। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত নামটা মানুষ ঠিকই চেনে কিন্তু কি করেছিলেন সেটা জিজ্ঞাসা করলে ভ্রু একটু কুঁচকে আসে, কষ্ট করে মনে করতে হয় মানুষজনের, আর কবে কখন কোথায় কেন মারা গিয়েছিলেন সেটা ক’জন বলতে পারবে সেটা গবেষণার বিষয় হতে পারে। দেশের জন্য অকাতরে কাজ করে যাওয়া মানুষদের আমরা এভাবেই সম্মান জানাই।

জেনে রাখা মঙ্গল বাংলা ভাষার জন্য পাকিস্তানের সূচনায় ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত যে প্রস্তাব করেছিলেন সে প্রস্তাবের আলোকেই ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত রক্তের অক্ষরে বাংলা ভাষার ইতিহাস রচিত হয়। এই ইতিহাসের সূচনাকারী কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। ১৯৪৮ সালের ২৫ আগস্ট পাকিস্তান গণপরিষদে তিনি অধিবেশনের সকল কার্যবিবরণী ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাও অন্তর্ভুক্ত রাখার দাবি উত্থাপন করেন, সেটাই সূচনা। অধিবেশনের শুরুতে আলোচনার সূত্রপাত করে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বলেনঃ

Mr. President, Sir, I move: “That in s-rubule (1) of rule 29, after the word ‘English’ in line 2, the words ‘or Bengalee’ be inserted.”

এরপর তো ইতিহাস, রাজপথে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার সহ আরও অনেকের আত্মত্যাগ এবং অসংখ্য ভাষা সৈনিকের সংগ্রামের ফলে আজ আমরা মায়ের ভাষা বাংলাকে মাতৃভাষা হিসেবে পেয়েছি। কিন্তু সেই মাতৃভাষার প্রথম প্রস্তাবক হলেন কুমিল্লার সূর্য সন্তান শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।

আর বাংলা ভাষার প্রস্তাবের জন্যই স্বাধীনতা যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে মার্চের শুরুতেই প্রাণ দিয়েছিলেন এই ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। এমনকি তাঁর মরদেহটি খুজেঁ পায়নি তার পরিবার। সেই ভাষা সৈনিক ধীরেন্দ্রনাথকে নিয়ে জাতীয় পর্যায়েও তেমন কোন আলোচনা নেই। কথাসাহিত্যিক, প্রবন্ধকার ও গবেষক রশীদ হায়দার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে লিখেছেন-

‘…এই রক্তগঙ্গার অন্যতম শিকার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। ৮৫ বছরের বৃদ্ধ কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে কী অমানবিক অত্যাচারের শিকার হয়েছিলেন, এক সাক্ষাৎকারে সেই বিবরণ দিয়েছেন কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের নাপিত রমণীমোহন শীল। রমণীমোহন শীল হিন্দু হলেও তাকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছিলো পাকিস্তানী মিলেটারিদের প্রয়োজনেই, কারণ তাদের মৃত্যু হলে পাকিস্তানী সৈন্যদের চুল দাড়ি কাটার মতো কোনো লোক থাকবে না।

শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের উপর যে অমানবিক নির্যাতন হয়েছে তা দেখে কোন সুস্থ ও বিবেকবান মানুষের চোখের জল সংবরণ করা সম্ভব নয়। সাখাওয়াত আলী খান প্রদত্ত এক সাক্ষাৎকারে জানা যায়ঃ “ধীরেন বাবু সম্পর্কে বলতে গিয়ে রমণী শীলের চোখের জল বাঁধন মানে নি। মাফলারে চোখ মুছে তিনি বলেন, ‘আমার সে পাপের ক্ষমা নেই। বাবু স্কুলঘরের বারান্দায় অতি কষ্টে হামাগুড়ি দিয়ে আমাকে জেজ্ঞেস করেছিলেন কোথায় প্রস্রাব করবেন। আমি আঙ্গুল দিয়ে ইশরায় তাকে প্রস্রাবের জায়গা দেখিয়ে দিই। তখন তিনি অতি কষ্টে আস্তে আস্তে হাতে একটি পা ধরে সিঁড়ি দিয়ে উঠানে নামেন। তখন ঐ বারান্দায় বসে আমি এক জল্লাদের দাড়ি কাটছিলাম। আমি বারবার বাবুর দিকে অসহায়ভাবে তাকাচ্ছিলাম বলে জল্লাদ উর্দুতে বলে, ‘এটা একটা দেখার জিনিস নয়-নিজের কাজ কর।’ এরপর বাবুর দিকে আর তাকাবার সাহস পাইনি। মনে মনে শুধু ভেবেছি বাবু জনগণের নেতা ছিলেন, আর আজ তাঁর কপালে এই দুর্ভোগ। তাঁর ক্ষতবিক্ষত সমস্ত দেহে তুলা লাগান, মাথায় ব্যান্ডেজ, চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় উপর্যুপরি কয়েকদিনই ব্রিগেড অফিসে আনতে নিতে দেখি।” (শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মারকগ্রন্থ: পৃষ্ঠা ৩০২)

আজ আমরা নিঃসংশয়ে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি, ১৯৪৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে করাচীতে পাকিস্তান গণপরিষদে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত যে দুঃসাহসিক ভূমিকা পালন করেছিলেন তা পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি তথা সামরিক জান্তা ভোলেনি, ভুলতে পারেনি। তাঁর অকুতোভয় ভূমিকাই যে পাকিস্তানকে দ্বিখন্ডিত করার বীজ বপন করেছিলেন তা পরবর্তীকালে দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে গেছে, প্রমাণিত হয়েছে।’

দুই.

ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে পাকিস্তানীরা যেই নির্মম ভাবে হত্যা করেছিল সেটার উদ্দেশ্য বিধেয় পরিস্কার করে বলে দিতে হয় না। ভাষা আন্দোলনে ভূমিকা রাখার ফলেই এই পুরস্কার পেয়েছিলেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, ৮৫ বছর বয়স্ক প্রবীণ খ্যাতিমান এই ব্যাক্তিতিকে পশুর মত নির্যাতন করতে করতে হত্যা করা হয়েছিলো।

ধীরেন বাবুর ধর্ম পরিচয় নিয়ে কিছু কথা বলবো। কথা সাহিত্যিক আহমদ ছফা তার ‘বঙ্গভূমির আন্দোলন, রাষ্ট্রধর্ম, মুক্তিযুদ্ধঃ বাংলাদেশের হিন্দু ইত্যাকার প্রসঙ্গ’ প্রবন্ধে সহজ কথাটা সহজে বলে গিয়েছন-

‘পাকিস্থানের ধর্মতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রতি অস্বীকৃতি ছিল বাঙালী তথা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানীদের স্বাধিকার আন্দোলনের মুখ্য দাবী। স্বভাবতই বাংলাদেশের হিন্দুরা এই আন্দোলনের সাথে নিজেদের জড়িত করে ফেলেন। তাঁদের আকাঙ্খা ছিল ধর্মতান্ত্রিক রাষ্ট্র পাকিস্থানের আওতা থেকে বেরিয়ে এসে আলাদা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা করতে পারলে তাঁরা সেখানে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের মত সব রকম নাগরিক অধিকার পাবেন।

এই একটি মাত্র আকাঙ্ক্ষায় তাড়িত হয়ে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। এই যুদ্ধের কাছ থেকে তাঁদের প্রত্যাশার পরিমাণ ছিল অনেক বেশি। তাঁদের জানমালের ওপর যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে একক সম্প্রদায় হিসেবে অন্য কারো সঙ্গে তার তুলনা চলতে পারে না। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রাথমিক যে রোষ তা হিন্দু-সম্প্রদায়কেই সর্বাপেক্ষা অধিক সহ্য করতে হয়েছে।

পাকিস্তানী সেনাবাহিনী বেছে বেছে হিন্দু বস্তিতে আগুন লাগানো, তাঁদের বাড়িঘর নিশ্চিহ্ন করে দেয়া, অধিবাসীদের হত্যা করা, মঠ-মন্দির-দেবালয় ধ্বংস করা, এসবের পেছনে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর একটা সুগঠিত পরিকল্পনা ছিল…’



পাকিস্তানীরা প্রকাশ্যে যেভাবে হিন্দুদের হত্যা করছিলো সেটার সানডে টাইমসের পাকিস্তান-প্রতিনিধি অ্যান্থনি ম্যারেসকানহাসের বিখ্যাত ‘জেনসাইড’ প্রবন্ধে পরিস্কার ভাবে উল্লেখ পাওয়া যায়-

“আবদুল বারী ভাগ্যের ভরসায় দৌড় দিয়েছিল। পূর্ব বাংলার আরো হাজার মানুষের মতো সেও একটা ভুল করে ফেলেছিলো- সাংঘাতিক ভুল-ও দৌড়াচ্ছিলো পাকসেনাদের একটি টহল-সেনাদলের দৃষ্টিসীমার মধ্যে। পাকসেনারা ঘিরে দাঁড়িয়েছে এই চব্বিশ বছরের সামান্য লোককে। নিশ্চিত গুলির মুখে সে থরথরিয়ে কাঁপে। “কেউ যখন দৌড়ে পালায় তাকে আমরা সাধারণত খুন করে ফেলি”, ৯ম ডিভিশনের জি-২ অপারেশনস-এর মেজর রাঠোর আমাকে মজা করে বলেন।

“ওকে খুন করতে হবে কেন?” উদ্বেগের সঙ্গে আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম।

“কারণ হয় ও হিন্দু, নয়তো বিদ্রোহী, মনে হয় ছাত্র কিংবা আওয়ামী লীগার। ওদের যে খুজছি তা ওরা ভালমতো জানে এবং দৌড়ের মাধ্যমে তারা বিশ্বাসঘাতকতা করে।”

“কিন্তু তুমি ওদের খুন করছো কেন? হিন্দুদেরই বা খুঁজছ কেন?” আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম। রাঠোর তীব্র কন্ঠে বলেন: “আমি তোমাকে অবশ্যই মনে করিয়ে দিতে চাই, তারা পাকিস্তান ধ্বংস করার কী রকম চেষ্টা করেছে। এখন যুদ্ধের সুযোগে ওদের শেষ করে দেয়ার চমৎকার সুযোগ পেয়েছি।”

“অবশ্য,” তিনি তাড়াতাড়ি যোগ করেন, “আমরা শুধু হিন্দুদেরই মারছি। আমরা সৈনিক, বিদ্রোহীদের মতো কাপুরুষ নই।”

সবশেষে দুটো বাক্য উচ্চারণ করতে চাই। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের সূচনা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ নামক একটা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে। সেই যুদ্ধে তিরিশ লক্ষাধিক মানুষ শহিদ হয়েছে, চার লক্ষ নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, এক কোটি মানুষ শরণার্থী হয়েছেন, দেড় কোটি মানুষ বাড়িঘর হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন এবং এই নিপীড়নের শিকার মানুষদের বড় অংশ ইসলাম ধর্মের অনুসারি ছিলেন না।

বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের ধর্ম বিশ্বাস ইসলাম এই যুক্তিতে যদি রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম হয় তাহলে বলতে হয় বাংলাদেশ গঠনে যারা জীবন দিয়েছিলেন তাদের বেশিরভাগের ধর্ম বিশ্বাস ইসলাম ছিলো না। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় ধর্ম-বিদ্বেষ থেকে মুক্ত হতেই অকাতরে তাঁরা নিজেদের জিবন-ইজ্জত-সম্মান-সম্পদ বিলিয়েছেন। তাঁরা একটা আকাঙ্খাতেই এতোটা করেছিলেন-বাংলাদেশে তাঁরা হারানো সম্মান ফেরত পাবেন।

ঐ তিরিশ লাখ লাশ পাকিস্তানীরা ফেলেছিল ধর্মের নামে, ধর্ম রক্ষার নামে, ঐ লাখ লাখ ধর্ষণ হয়েছিলো ধর্মের নামে। আর ৪৫ বছর পর ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের প্রতি কি গভীর সম্মান প্রদর্শন করে চলেছে স্বাধীন বাংলাদেশ।
যদি ধীরেন্দ্রনাথ এতসব জানতেন,
তাহলে কি এতোটা করতেন এই মাটির জন্য…?

সুত্রঃ
১)purbashabd24.com/bn/2015/02/23/বাংলা-ভাষার-প্রথম-প্রস্ত/#.VvoYlNJ97rc

২)bn.banglapedia.org/index.php?title=দত্ত,_ধীরেন্দ্রনাথ

৩)opinion.bdnews24.com/bangla/archives/4582

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:০৪
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নতুন ভোরের গান

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭


নতুন ভোরের গান



কষ্টের দিন পেরিয়ে এবার
আসবে আলোর গান,
নতুন দিনের নতুন সুরে
জাগবে সবুজ প্রাণ।

নষ্ট স্মৃতির আড়ষ্টতা
ঝরিয়ে দেবো অনেক দূরে,
নিজের মনেই ভালোবাসার
নূপুর বাজবে সুরে সুরে।



ভ্রষ্ট পথের আঁধার কেটে
ভোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগে চার বছর একদিন হয়ে গেল । কি আশ্চর্য!

লিখেছেন সামরিন হক, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭

অবজ্ঞা

তোমার বিশেষ ঘৃণা দ্বারা আক্রান্ত আমি
চারপাশ ঘিরে ফেলেছে ঘৃণারা আমাকে
আস্তে আস্তে গ্রাস করে নিচ্ছে আমাকে তোমার ঘৃণা
আমার কথা শোন
আমি কখনই মনুষ্যত্বের সীমা পার করিনি
কিন্তু তোমার ঘৃণায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুপ্ত-গায়েব-গুম এবং পিওর ও শিওর লাভ

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:১৬


৭ মাসে বাংলাদেশে ১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ !!!
এমন রোমহর্ষক, চমকে যাওয়া এবং অন্তরে কাপুনি ধরানোর মতো তথ্য বা কথা বার্তার কোনও মানে হয় ??!!
গরীব পরিবারের শিশুদের কথা বাদ দেই-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারী অফিসারদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:০০

দেশের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সরকারী অফিসারদের হাত ধরেই হয়। সেজন্যে, এই পদগুলো যোগ্য মানুষদের হাতে যাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে, গত কয়েক দশকে দেশের টপ ট্যালেন্টদের বেশির ভাগই কোনক্রমেই সরেকারী অফিসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

টাই চাই

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩১

সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে: অদ্য হইতে কোনো সরকারি বা বেসরকারি কার্যালয়ে ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থানে টাই ও বেল্ট পরিধান দণ্ডনীয় অপরাধ। কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে একবাক্যে: "কর্মক্ষেত্র ও যত্রতত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×