somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গোবিন্দগঞ্জ, সাঁওতাল, অন্ধকার,আলো

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গোবিন্দগঞ্জের সাঁওতাল পল্লী দেখে এলাম। তারিখটা ছিল ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৬। ক্রিসমাস ছিল সেদিন। অথচ, সন্ধ্যা হতে না হতেই ওখানে ঘুটঘুটে অন্ধকার। কারণ আজ পর্যন্ত ওখানে বিদ্যুৎ পৌঁছায় নাই। বিদ্যুৎ দেয়ার প্রতিশ্রুতি বারবার দেয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ দেয়ার কথা বলে প্রতি পরিবার থেকে ১০০০ টাকা করে নেয়া হয়েছে। ২৫০০*১০০০ = ২৫,০০,০০০ (২৫ লক্ষ) টাকা মেরে দেয়া হইসে। অবশ্য যাদের বাপদাদার জমিই মেরে দেয়া হচ্ছে তাদের কাছে ওটা খুব বেশি ক্ষতি না।

আমাদেরকে গাইবান্ধার পরিচিত মানুষজন ওখানে যেতে নিষেধ করেছিলেন। আমরা তবু গিয়েছিলাম। প্রথমে মুসলিম পাড়া, সেটা অতিক্রম করে যেতে হয় সাঁওতাল পাড়া। ঘুটঘুটে অন্ধকার। অজানা জায়গা। আতঙ্কে কাউকে ঠিকানাও জিজ্ঞাসা করা যায় না। টর্চ জ্বালাতেও ভয়। জোরে পা ফেলতে ভয়।

আমরা হাঁটছি। আমরা হাঁটছি। আমাদের শহুরে অনভ্যস্ত পা। আমরা অসমতল জমিতে হাঁটছি, আমরা আইল ধরে হাঁটছি। পিছলে পড়ে যাচ্ছি। পকেট থেকে পাওয়ার ব্যাংক, কেবল, মোবাইল বের করে পাওয়ার ব্যাংকের ফুঁটো খুঁজে বের করে কেবলের একপ্রান্ত ঠিকঠাক ঢুকিয়ে মোবাইলের ফুঁটো খুঁজে বের করে কেবলের চিকন প্রান্ত সেটায় ঢোকানো – এইটুকু কাজ তখন এক বিশাল যজ্ঞ। সেটা করতে গিয়ে হাত থেকে মোবাইল পড়ে গেলো। মোবাইল খুঁজতে খুঁজতে নিজেকে অসহায় মনে হচ্ছিলো; একটুআগে গোবিন্দগঞ্জ থানামোড় থেকে এখান পর্যন্ত আসার সময়কার অন্ধকার একলা স্বাস্থ্যহীন রাস্তাটা, যার দুইপাশে শুধুমাত্র বিশাল বিশাল আখের খেত কুয়াশার নিচে শ্বাসরোধ হয়ে মরছিলো এবং আমরা শীতে কাঁপতে কাঁপতে এমন একটা টমটমে করে লম্বা পথটা পাড়ি দিচ্ছিলাম যার ব্যাটারি বিকেল থেকে ক্ষুধার্ত এবং যে বারবার রাস্তার মধ্যে থেমে পড়ছিলো – সেই অভিজ্ঞতাটাকে হঠাৎ যথেষ্ট সহজ মনে হচ্ছিলো।

আমরা হাঁটছিলাম। হাঁটতে হাঁটতে আমরা সেই কাটাতারে ঘেরা জমির সামনে থমকে দাঁড়ালাম। এক সহস্র আটশত বেয়াল্লিশ দশমিক তিন শূণ্য একর যার ক্ষেত্রফল। এখন এখানে বসতির চিহ্ন নাই। যন্ত্রদানব এসে মাটি সমান করে দিয়েছে। দ্রুত বুনে দেয়া হয়েছে ধানবীজ। আমরা কাঁটাতার ছুঁয়ে ছুঁয়ে আস্তে আস্তে হাঁটতে থাকি। এবং একসময় আমরা সাঁওতালদের ঘরবাড়ি দেখতে পাই। আমাদের হাঁটার গতি বেড়ে যায়। কাছে গিয়ে টর্চ মেরে আবিষ্কার করি, ঘর নয়, ওগুলো সারি সারি তাঁবু। অনেকগুলো তাঁবু পেড়িয়ে হয়তো একটা অক্ষত মাটির ঘর পাওয়া যাবে। সেই ঘরের প্রতি কক্ষে একাধিক পরিবার, বারান্দায় একটা/দুটো পরিবার, উঠোনে একটা খাট পেতে তার ওপর একটা পরিবার – হয়তো মাথার উপর কাঁথা ঝুলোনোর ব্যবস্থা করে কুয়াশা থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে অর্ধবর্ষী শিশুটিকে।

আমরা স্থানীয় প্রতিনিধি গোছের দুজন মানুষ পেলাম। এখানে তাঁদের নাম না লেখাই ভালো। তাঁরা আমাদের সাথে কথা বললেন। কথাগুলোর বেশিরভাগ হয়তো আমরা আগে থেকেই জানি, কিন্তু তাঁদের মুখ থেকে শুনতে অন্যরকম লাগছিলো। মনে হচ্ছিলো, তাঁদের জমাট বাঁধা কষ্ট তাঁরা কেটে কেটে ছোট ছোট পিস করে আমাদেরকেও একটু করে দিচ্ছেন। বড়দিনের দিনে এইটুকু রসদ-ই তো তাঁদের আছে এখন।

সাঁওতালদের থেকে জমি লিজ নেয়া হয়েছিলো ১৯৬২ সালে – পাকিস্তান আমলে; চিনিকল করবে বলে। স্থানীয় বাঙ্গালীদেরও কিছু অংশ ছিল সেই জমিতে। সেখানেও জোর জবরদস্তি ছিল। সেসময় ওদেরকে জমির দামও দেয়া হয় নি, কেবল জমিতে যে ধান ছিল সে ধানের দাম দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে ওখানে চিনিকল দাঁড়িয়েছে। চুক্তিপত্রে একটা কথা ছিল এমন, যদি কখনো এই জমিতে চিনিচাষ বন্ধ হয়ে যায় তাহলে জমির প্রকৃত মালিকের কাছে জমি ফেরত দিতে হবে।

২০০৩ সাল থেকে সেখানে চিনিকল বন্ধ। সাঁওতালদের জমিতে তাদের চোখের সামনে স্থানীয় এমপি, ইউপি চেয়ারম্যানরা বর্গাচাষ করায়, লিজ দেয়, ব্যবসা করে – সাঁওতালরা তাই বাধ্য হয় তাদের সব সহজ-সরলতাকে একপাশে ফেলে রেখে কঠোর আন্দোলনে নেমে পড়তে। “সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ইক্ষু খামার জমি উদ্ধার সংহতি কমিটি”র নেতৃত্বে তারা এমপির ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিলো। এবং তারা পাশে পেয়েছিলো প্রতিবেশী বাঙ্গালীদেরও।

তবে সমস্যা অন্য জায়গায়। এমপি সাহেব যখন জমি লিজ দিচ্ছেন, তখন তো পাশের মুসলিম পাড়ার প্রতাপশালীরা বেশ সস্তায় ভালো জমি পাচ্ছেন। সুতরাং, তারা আন্দোলনের বিরুদ্ধে। তাদের ভয়ে কিংবা প্রভাবে মুসলিম পাড়ার সাধারণ লোকজন তাদের এতোদিনের প্রতিবেশীদের জন্য খুব বেশি কিছু করতে পারছেন না!

মজার ব্যাপার হচ্ছে, সাঁওতালরা এক্কেবারে শুরু থেকে আওয়ামী লীগের সমর্থক। প্রত্যেকটা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এখান থেকে ‘পরিপূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ এর বার্তা পেয়েছে। এবং, এখনো সাঁওতালরা কেবল গাইবান্ধা – ৪ আসনের ‘দুষ্ট এমপি’ অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদকেই দুষছেন, সরকারকে নয়। হায় সরলতা!

কী ঘটেছিলো ৬ নভেম্বর? নিতান্ত কূপমণ্ডুক ছাড়া সবার জানা থাকার কথা। তবু আমরা ভূক্তভোগীদের কাছে জানতে চাইলাম। দাদা, একবার বলুন!

সেদিন একসাথে প্রবেশ করেছিল পুলিশ-র‍্যাব-বিজিবি এবং স্থানীয় মাস্তান বাহিনীর বিশাল বহর। সেদিন এতো পরিমাণ গুলি ছোড়া হয়েছিলো যতোটা একাত্তরেও সাঁওতালদের দেখতে হয় নি। সবচে’ দু:খের কথা হচ্ছে, মানুষগুলোকে একটাবারের জন্য নোটিশও দেয়া হয় নি। অকষ্মাৎ তারা দেখলেন, যারা রাস্তায় ছিল তারা গুলি খেয়ে কাতড়াচ্ছে। মঙ্গল মার্ডি লাশ। শ্যামল হেমব্রমের লাশের পা ওল্টানো। অকষ্মাৎ তারা দেখলেন, ঘরবাড়ি-হাঁস-মুরগি-গরু-বাছুর-সহায়-সম্পত্তি সব দাউদাউ করে স্বর্গে চলে যাচ্ছে!

আমরা চরণ সরেনের বাড়ি গিয়েছিলাম, যিনি ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি আমাদেরকে দেখিয়েছেন তাঁর পায়ের গুলির ক্ষত। তাঁরা দু:খ করছিলেন, বড়দিনের দিন আমাদের কোনোরকম আপ্যায়ন করতে পারছেন না! আর, আমরা মনে মনে নিজেদের গালি দিচ্ছিলাম – কেন খালি হাতে এখানে চলে এলাম? আসলে আমরা খুব আত্মতৃপ্তিতে ছিলাম – চুয়েট ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আমরা প্রচুর শীতবস্ত্র সংগ্রহ করে আগেই পাঠিয়ে দিয়েছিলাম, এজন্য। কিন্তু ওদের সাথে সরাসরি কথা বলার পর বুঝতে পারলাম, ওদের আসলে এখন শীতবস্ত্র প্রচুর হয়ে গেছে, ওদের এখন চালডাল দরকার। এবং, বেশ ভালোভাবেই দরকার।

ওদের ফসল ধ্বংস করা হয়েছে, জমি দখল করে কাঁটাতার দেয়া হয়েছে, আক্রমণের পরদিনই ওদের বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে হাঁস-মুরগি-গবাদি পশু-সহায় সম্বল লুটে নেয়া হয়েছে, পিলার নিয়ে গেছে ৯ টা, শ্যালা মেশিন নিয়ে গেছে ১৬ টা, পুকুরের মাছ নষ্ট করা হয়েছে যেখান থেকে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা আসবার কথা, ৪৫ একর জমিতে পাট কর্পোরেশনের পাট নষ্ট করা হয়েছে যেখান থেকে সাঁওতালদের ৮-৯ লক্ষ টাকা আসবার কথা। এবং এখনো, প্রতিনিয়ত তাদের হুমকিধামকি দেয়া হচ্ছে। কিছুদিন পর পর মাইকিং করে জায়গা ছাড়ার হুকুম দেয়া হচ্ছে।

তবে ওদের সাথে কথা বলে আমরা বিমুগ্ধ হয়েছি। এতকিছুর মধ্যেও ওরা সংকল্প থেকে সরে আসে নি। ডিসি এসেছিলো তাদের কাছে। তিনি বলেছেন, ১৪ একর জমির ওপর পুনর্বাসন কেন্দ্র করে দেবেন। সাঁওতালরা বলেছে, তারা নিজেদের বাপদাদার জমির জন্য লড়াই করেছে, তাদের তিনজন প্রাণ দিয়েছে; তারা পুনর্বাসন কেন্দ্রের জন্য লড়াই করে নি। ডিসি বলেছেন, তোমরাও জমি লিজ নিয়ে থাকতে পারবে। সাঁওতালরা বলেছে, নিজের জমিতে তারা নিজের অধিকারেই থাকবে, লিজ নিয়ে নয়। সরকার থেকে ত্রাণ এসেছিলো; সাঁওতালরা সেটা ঘৃণাভরে ফিরিয়ে দিয়েছে। স্যালুট! স্যালুট!

আমরা বিজয় দেখতে পেয়েছি। সাঁওতালরা বিজয় ছিনিয়ে আনবেই। তবে ওদের সাহায্য প্রয়োজন। অনেক সাহায্য। সবরকমের সাহায্য। কেননা ওদের প্রতিপক্ষ অনেক শক্তিশালী। ওদের প্রতিপক্ষ কতটা শক্তিশালী সেটা টের পেয়েছিলাম ফেরার পথে। টমটমের ড্রাইভারকে বললাম, দাদা, এখানে তো কিছুদিন আগে সাঁওতাল পাড়ায় একটা ঘটনা….। ড্রাইভার সাহেব হড়বড় করে বলে উঠলেন, “না বাপু, আমি কিচ্ছু জানি না। কিচ্ছু শুনি নাই। গাড়ি চালাই। ঘরসংসার করি। বাচ্চাকাচ্চা আছে। কোনো ঝঞ্ঝার মধ্যে নাই!”

আমি চুপ মেরে গেলাম। কিছুক্ষণ পর ড্রাইভার সাহেব নিজেই আবার কথা বলতে শুরু করলেন, “আসলে দুনিয়াটা আর ভালোর নাই। ধর্মকর্ম কিছু নাই। গরিবের কথা বলার কেউ নাই। গরিবের সামান্য যা আছে সেইটাও কাইড়া নেয়ার দিকে সবার খেয়াল।…”


সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৮
৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রবীন্দ্রনাথের নামে কত শত অভিযোগ

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫


*রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা চুরি করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন! বাস্তবতা হলো, রবীন্দ্রনাথ যখন নোবেল পান, নজরুল তখন লেখালেখেই শুরুই করেননি। তাঁর বয়স সবে ১৪ ছিল।

প্রাপ্ত বয়সে নজরুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

এ আগুন আপনাদেরও একদিন গ্রাস করবে।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১৩


আজ যারা ধর্ম, জাতীয়তা ইত্যাদির ভিত্তিতে ও তাঁর কথিত “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধিতা”, “মুসলিম বিদ্বেষী” সহ নানা মিথ্যা অভিযোগ আর অজুহাতে রবীন্দ্রনাথ বিদ্বেষের ব্যাপারে চূড়ান্ত বাড়াবাড়ি ও ইতরামি দেখিয়ে বেড়াচ্ছে তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাটায় - পুটায় ঘষাঘষি, মাঝখানে মরিচদের জীবন শেষ?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩১

আওয়ামী তথা ভারতীয়দের নমস্য রবী বাবুর চিত্রে কালিমা লেপন।
দুই দিন পরে, আওয়ামী বিরোধীদের 'রবী' ইউনুস সাহেবকে গালাগালি!!!
এ যেন পাটাপুটায় ঘষাঘষি করে অভাগা মরিচদের জীবন শেষ করার চেষ্টা?
কিন্তু, রবী বাবু কিংবা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাসূল (সা.), আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) অনুচিত কাজের সমালোচনা ও সমর্থন করা যাবে না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৪১




সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান... ...বাকিটুকু পড়ুন

রঠার মুসলিম বিদ্বেষ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:১৮



রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর সংক্ষেপে রঠা এর ছোট গল্প "রীতিমত নভেল" এ রঠা মুসলমান শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করেছেন ‘যবন’। যবন অর্থ অসভ্য, ম্লেচ্ছ, অপবিত্র, বর্বর জাতি, যেকোনো বিদেশি ইত্যাদি ইত্যাদি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×