

লাওসে থেকেছি প্রায় ৬ দিন, ছিলাম রাজধানী থেকে ঘণ্টা খানেকের দূরে অবস্থিত সুন্দর একটা রিসোর্টে। ফেরার পথে রাজধানী ভিয়েন্তিয়েনের মূল কেন্দ্রেই একটা হোটেলে এক দিনের জন্য আবাস গড়েছিলাম জুনের ৯ তারিখ। খুব ছোট একটা শহর। মানুষ খুব কম। লাওসের মোট আয়তন বাংলাদেশের প্রায় দিগুণ, 236,800 বর্গ কিমি! আর জন সংখ্যা? ইন্টারনেটে আমি প্রথমে সংখ্যাটা দেখে বিশ্বাস করতে পারিনি, মাত্র ৬৮ লাখের মতো! প্রতি বর্গ কিমিতে এখানে বাস করে মাত্র ২৬ জন। অবশ্য মাত্র 4.10% জমি চাষযোগ্য, 0.31% জমিতে নিয়মিত ফসল ফলে।
আমার হোটেলের দিকে যাওয়ার সময়ই চোখে পড়লো সাইনবোর্ডটা, হোটেলে কোন রকম ব্যাগ রেখেই দৌড়! ছোট এই শহরেও ঢাকা! ১৪ বছর আগে ফ্রান্সে নিয়ে যাবে বলে দালালরা লাওসে ফেলে রেখে গিয়েছিল বাগেরহাটের এক যুবককে। সেই যুবক এই লাওসেই প্রতিষ্ঠিত করেছে নিজেকে! এখানে এখন তার তিনটি রেস্টুরেন্ট, কাজ করছে প্রায় ১৫ জন্য বাংলাদেশী। কয়েকজনের সঙ্গে কথা বললাম, সবাই এক বাক্যেই বললেন ভাল আছেন। ভাল থাকার প্রধান কয়েকটি কারণ (তাদের ভাষায়), এখানে সারা রাত ১ কোটি টাকা নিয়ে ঘুরলেও কোন সমস্যা নেই, খাবারে ভেজাল নেই, কেউ কারো পিছনে পড়ে নেই, সবাই কাজ করছে-আনন্দ করছে ব্যাস! কষ্ট একটাই, বাড়ি যাওয়া হয় না অনেক দিন। মালিক অবশ্য ওয়াইফাই দিয়েছে, আজকাল তাই বাড়ির সঙ্গে যোগাযোগটা হয় ভালো। তবুও!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

