আমার এই লেখাটি দেখে অনেকেই অনেক কিছু ভাবতে পারেন ! হয়তো আমাকে মুক্তিযুদ্ধ কিংবা মুক্তিযোদ্ধা বিরোধী ভাবতে পারেন কিন্তু সেটা আপনার ব্যাপার ! আমি কেবল গত কয়েকদিন ধরে বিগত দিনে বাদ পরা মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্তি করণের ব্যাপারে ইন্টারভিউ বোর্ডে যতটুকু দেখেছি; সেই আলোকে মনে হলো-
মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধকালীন সর্বনিন্ম বয়স বিশ বছর ধরা হলে অথবা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী বেতন-ভাতা দশ হাজার বাদ দিয়ে এক হাজার করলেই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরীর কোম্পানিতে লাল বাত্তি জ্বলতো ! সেই সাথে নকল মুক্তিযোদ্ধা ব্র্যান্ডটি নিরাশ হয়ে কপাল ঠুকে ঠুকে বিলুপ্ত হয়ে যেত ! দেখা যেত কে আসল কে নকল ! স্বস্তি ফিরে পেতো দেশের মানুষ ! 'প্রতিমাসে এতোগুলো টাকা ফাও পাওয়া যাবে' এবং 'ভবিষ্যতের স্থায়ী গ্যারান্টি' এই লোভ থেকেই মানুষ যেমন এই সেক্টরের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে তেমনি সেক্টরের নেতারাও ক্রমশ ঘুষ-দুর্নীতির শীর্ষ স্থানে চলে এসেছে ! অদূর ভবিষ্যতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) জরিপে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় ঘুষ-দুর্নীতির শীর্ষ সেক্টর হিসেবে উঠে আসলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না !
মুক্তিযোদ্ধারা দেশের সূর্য্য সন্তান অথচ তাদের হাতেই চলছে হরদমে মিথ্যা সাক্ষী, প্রত্যয়নপত্র সহ অন্যান্য দলিলাদী কেনা-বেচার বাণিজ্য !!!!!!! এ কি লোভের কাছে বিবেক-আদর্শ, ন্যায়-নীতি বিসর্জনের বাণিজ্য ?? একজন দেশ প্রেমিক সৈনিক কি এজন্যই দেশকে স্বাধীন করেছিল ?? বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কি শিক্ষা পেলো এই স্বাধীনতা ও মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে ??
হ্যালো মুক্তিযোদ্ধা কাকু মামাগন ! চোরের পক্ষে, মিথ্যার পক্ষে সাক্ষ্য দিয়া আপনারা কোনটা শিক্ষা দিলেন এ প্রজন্মকে ? এ জন্যই কি অনেক মুরব্বিদের আক্ষেপের সুরে বলতে শুনি "--------ওই সময় করেছে চুরি-ডাকাতি, লুটপাট আর এখন হইছে মুক্তিযোদ্ধা" !
বর্তমান খাই খাই মুক্তিযোদ্ধাদের দেখে একটা কথাই উপলব্ধি হচ্ছে যে, এরা তখন ভারতে আছ্রয় নেয়া শরণার্থী শিবিরের যাত্রী ছিলো ! যুদ্ধ শেষে সকলে মুক্তিযোদ্ধা
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



