একটা সময় পদ্মা সেতুর বিপক্ষেও অনেককে ফেসবুক, ব্লগ, টুইটারে ব্যাঙ্গাত্মক পোস্ট দিতে দেখেছি; স্যাটেলাইট ক্যামেরার সামনেও তাঁদের অর্ধউলঙ্গ হাসি দিতে দেখেছি
প্রাইমারী বয়সে অনেক ক্যালেন্ডার কিনে কিনে ঘর সঁজাতাম ! পিকচারগুলোর ধরণ ছিল বিভিন্ন কবি, সাহিত্যিক, ফুল, ন্যাচারাল সিনারী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব, জিয়াউর রহমান ইত্যাদি ! যথানিয়মে একদিন দুই টাকা দিয়ে জিয়াউর রহমানের খাল কাঁটা দৃশ্যের একটা ক্যালেন্ডার কিনলাম ! উল্লেখ্য ওই সময় ননডিজিটালাইজড ক্যালেন্ডারের দাম এরকমই ছিলো ! যাহোক, তখন ছবির ইতিহাস কি না বুঝলেও এখন বুঝি চোখটাই ছিল তখন ইতিহাস ! সিনেমাতে নায়ক-নায়িকা বা অন্য কারো দুঃখ-কাঁন্না দেখে দেখে কত কাঁদতাম, এখন যা মনে পড়লে হাসি পায় !
কারণ, এখন আমাকে সময় টেনে বড় করে তুলেছে !!!!!!
সুরঞ্জিত সেন গুপ্তকে আমি সরাসরি দেখিনি, তিনি আমার এলাকার ব্যক্তিত্ব নন, এমনকি আমি তার ভক্ত না ! আমি তাঁকে চিনি বাংলাদেশের একজন বয়জেষ্ঠ প্রবীণ নেতা হিসেবে ! তাঁর নামে কতগুলো স্কুল,কলেজ,হাসপাতাল,রাস্তাঘাট,ব্রিজ কালভার্ট আছে জানিনা তবে এগুলো কোনো নেতা নির্বাচনের মাপকাঠি বলে মনে করিনা ! চীনদেশে কোনো ব্যক্তির নামে কোনো প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো নেই !
আজ যারা প্রয়াতঃ সুরঞ্জিত সেন গুপ্তকে নিয়ে উলঙ্গ হাসি দিয়ে অনলাইন মিডিয়া ফেসবুক, ব্লগ মেখে ফেলতেছেন; সত্যিই তাঁদের জন্য করুণা হয় !
হ্যালো ম্যান ! শের-ই-বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক, মাওলানা ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভক্ত অনুরাগী কর্মী ছিলেন সুরঞ্জিত সেন, আব্দুল জলিল, আব্দুল রাজ্জাক, শাহ এএমএস কিবরিয়া, হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী প্রমুখ ! এসকল নেতারা সমগ্র বাংলাদেশ নির্মাণের কারিগর ছিলেন ! যে দেশের সংবিধান আপনারা ড্রেনে ছুড়ে ফেলে দিবেন সেই দেশ এবং সেই সংবিধানের কারিগর এরা; খাল কাঁটার না ! নেতারা খাল কাটে না; খাল কাঁটার যাবতীয় পথ প্রশস্থ করে দেয় ! তবেই না তাঁরা নেতা !
সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত জমিদার ঘরের সন্তান ছিলেন ! সৎ, যোগ্যতার কারণেই হয়তো জনগণ তাকে সাত বার নির্বাচিত করে পার্লামেন্টে পাঠিয়েছিলো !
অতএব সমালোচনা করার নামে পাগলের প্রলাপ ছেড়ে দিন !
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



