বাংলাদেশের কিংবদন্তী সঙ্গীত শিল্পী এন্ড্রু কিশোর নয় মাস ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে মৃত্যুর কাছে পরাজিত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন। আমরা তারঁ এই মহা প্রয়ানে শোকাহত। তিনি কি হুজুগে মাতাল আবেগপ্রবন বাঙালী জাতিকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে গেলেন না কি নিজের জীবন দিয়ে কিছু শিক্ষা দিয়ে গেলেন? তার কালজয়ী কিছু গান যেমন, হায়রে মানুষ , “রঙিন ফানুস, দম ফুরাইলে ঠুস, তবুতো ভাই কারোরই নাই একটু খানি হুস”। “ডাক দিয়েছেন দয়াল আমারে , রইবো না আর বেশি দিন তোদের মাঝারে” বা জীবনের গল্প , বাকি আছে অল্প। এই গান থেকে কি আমরা কোন শিক্ষা গ্রহন করেছি? আমাদের মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও আমরা গঠনমূলক কিছু না করে অনিশ্চিত জীবনের পিছনে ছুটে চলেছি। অর্থ, জশ, নামডাক আরও কত পার্থিব জিনিসের পিছনে ছুটে ছুটে জীবনের আসল লক্ষ্যই ভুলতে বসেছি। জনাব এন্ড্রু কিশোরের খ্যাতি ছিল আকাশ ছোয়া এবং আর্থিকভাবে ছিলেন স্বচ্ছল। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত জীবন ব্যবস্থা (অতিরিক্ত মদ্যপান) তার শরীরে ক্যান্সার বাধতে সহায়তা করে। নয় মাস ক্যান্সারের সাথে লড়াই করতে তার যেমন শারীরিক কষ্ট তেমনি পরিবারের সবার শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক কষ্ট ভোগ করতে হয়। এই ঘটনা থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। তাঁর গান থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। দয়ালের ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে যাওয়ার পূর্বে আমাদের বেহুস হলে চলবে না । অর্থের পিছনে না ছুটে সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে দেশ ও দশের উপকার এবং পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করতে হবে কারন কাফনের তো পকেট নাই অতিরিক্ত টাকা পয়সা মরনের সময় সাথে নেওয়ার সুযোগ নাই।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



