আজকে বউ নিয়া বাহির হইছি বিকালের দিকে । ধর্মসাগর পাড়ে হাঁটছিলাম দুজন । ও একটা নীল শাড়ি পড়ে এসেছে । ওকে সব সময় ই সুন্দর দেখায় । তাই নতুন করে আর কিছু বললাম না । ঠান্ডা বাতাসে হাঁটতে হাঁটতে প্রায় ই হাতের সাথে হাত ঠেকছিল । সে এক অদ্ভুত শিহরণ । হাতটা ধরতে ইচ্ছা করছিল খুব । কিন্তু পারছিলাম না লোকজনের উত্সুক চোখের জন্য । পকেটে হাত দিয়ে দেখি স্বর্ণপাতা ফেলে এসেছি । ওকে একটু দাঁড়াতে বলে আমি গেলাম স্বর্ণপাতার খোঁজে । খুব বেশি দূর যেতে হলো না । পেয়ে গেলাম । তারপর আয়েশ করে শেষ করলাম একটা স্বর্ণপাতার জীবন ।
বৌয়ের কাছে র্ওনা দিলাম । ওকে যেখানে রেখে গিয়েছি এসে দেখি সেখানে ছোট খাট একটা জটলা । একটু ভয় পেলাম । টেনশনে ঘামতে শুরু করলাম । তাড়াতাড়ি ভীড় ঠেলে দেখি বৌয়ের রণমূর্তি । সামনে দুইটা ছেলে । বৌয়ের হাই হিলের বাড়ি খেয়ে একজনের কপাল ফেটে রক্ত পড়ছে আরেকজনের ঠোঁট কেটে গেছে । ছেলে দুইটা হাত দিয়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করছিল । তাড়াতাড়ি ওকে টেনে নিয়ে আসলাম । বুঝতে পারছি জটলার লোকজন আমার উপর বিরক্ত ।
তাদের পিউর বিনোদনে আমি বাগড়া দিলাম । ওকে নিয়ে একটায় রিকশায় উঠলাম ।তারপর জিঙ্গাসা করলাম কি হয়েছিল ?
ও বলল,
ওকে নাকি ছেলেগুলো টিজ করছিল । কয়েকবার ইগনোর করেছিল সে । কিন্তু এতে ছেলেদের সাহস বেড়ে যায় ।ওরা আরো এগিয়ে আসে । প্রথমে চারজন ছিল । ওর হাতের রেন্জে আসার সাথে সাথেই কষে চড় লাগায় একটা কে । চড় খেয়ে ওইটা আর সাথের একটা ভাগে । বাকি দুই বলদা আমার কংফু জানা ব্উকে সাইজ করতে এসে নিজেরাই ওর জুতার বাড়ি খেয়ে পাসপোর্ট সাইজ হয়ে গেছে ।
এসব শুনে ওর পিঠ চাপড়ে দিয়ে বললাম
এই না হলে আমার বউ !!
ও চোখ গরম করে তাকাল আর আমি বেশি না একটু ভয় পেলাম । আফটার অল ও নিজেকে একটু লেডি রংবাজ ভাবতে বেশ ভালোবাসে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



