ব্উ এর এক্সাম ছিল আজকে । বেচারি এখন কুমিল্লায় । আমার ও এক্সাম চলতাছে । তাই ওকে দিয়েই চলে আসছি গতকাল ।
সকালে ওর ফোন পাইলাম,
-জানু ,কেমন আছো ?
-এইতো ব্উ । তুমি নাই মনডা ভালা না
-আহালে জানটা আমার । আই মিচ ইউ ।
-কি ক্ইলা ?
-ক্ইলাম আই মিচ ইউ । সেই সকালে আম্মা আইসা ঘুম ভাঙায়া দিছে । কতদিন পর সকালে ঘুম থেকে উঠলাম ।
-শোন, হিসাব ক্ইরা রাইখো কয় ঘন্টা ঘুম মিস হ্ইলো । এখানে আইসা পোষাইয়া নিও।
-আচছা, এবার চট্রগ্রাম গেলে ১২ টার সময় ঘুম থেকে উঠব ।
-আচ্ছা ঠিক আছে ব্উ । একটা কথা বলি । রাগ ক্ইরো না
-বল গো আমার কুটুমণি
-আমার মানিব্যাগটা কোখায় রাখছো ?
-কেন ? তোমারে তো হাত খরচের টাকা দিয়া আসছি । বাংলাদেশে কত মানুষ। ১০০ টাকায় মাস পার করে তুমি পারবা না ? আর তোমারে ১০০ টাকা দিছি ১ সপ্তাহের হাতখরচ।
-আরো ৫০ টা টাকা যদি দিতা.......
সাথে সাথে শুরু হয়ে গেল গালির গোলা বর্ষণ ।
ওফ আমার কান গরম হয়ে গেল । এইটা ব্উ না কাচাঁ মরিচ ?
-তুমি জানো এই মাসে কত খরচ ? আমার মাত্র ৫ টা জামদানি । নিলয় ভাবীর ৭ টা, অনিকদার বৌয়ের ৭টা । তাই এ মাসে ঠিক করছি একটা জামদানি কিনব। তারপর পার্লারের খরচ বেড়ে গেছে । মুখে একটা স্পট পড়লেই তো রাস্তায় মেয়েদের দিকে হা ক্ইরা চাইয়া থাকবা । মাছি ঢুকলেও টের পাবা না। বলবা ব্উ আমার দেখতে ভালা না
-না ব্উ । আমি আর সবার মতো না ।
তোমারে দিল সে পেয়ার করি ।
-সত্যিতো?
-হুম
-তাইলে একটা কাজ করো । কাচ্চিরান্নাটা শিখে ফেলো । আমার ফেবারিট ডিশ ।
-ওইটা মিতু ভাবীর কাছে শিখতাছি । তুমি বলা লাগবে না ।
-গুড গুড । এবার কুমিল্লা থেকে আসার সময় তোমার জন্য একটা জিনিস নিয়া আসবো
-কি আনবা ?
-(একটা ভিলেন মার্কা হাসি )
একটা জালি বেত
-কেন ?কেন ?
-তুমি যেন আর কোন মেয়ের দিকে না তাকাতে পারো
-এইটা কি ঠিক ?
-ঠিক বেঠিক জানিনা । যতবার তাকাবা ততোগুলা বাড়ি । আর এতো কথা বলবা না । ঘরের কাজ সব ভালো করে করবা । আমার আবার পরীক্ষা আছে। এখন রাখি ।
লাইন কেটে গেল । ব্উ আমার জন্য গিফট আনতাছে । হোক না সেটা জালিবেত । গিফট তো গিফট ই । ব্উয়ের হাতের জালি বেতের বাড়ি ও মধু!!
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৩:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



