
প্রচলিত একটি প্রতিষ্ঠিত ধারণা মেয়েরা বয়স লুকোয়...আসলে কথাটা হলো ওটা তারা বলতেই চায় না...বয়স কমানোর চেষ্টাও করে না বলেও না...তবে হ্যাঁ তারা সব সময় সিনিয়র থাকতে বা নিজের বড়ত্ব বা প্রাধান্য পছন্দ করে...
তাই যদি আপনি কোনো ভদ্রমহিলা/নারীর সঙ্গে পরিচয়ের পরই বলেন, আপনাকে আমার সিনিয়র মনে হচ্ছে- আমার ডেথ অব বার্থ এত সালে...তখন দেখবেন সে যদি সিনিয়র হয় তাহলে বলবে; ‘হুম’ আর জুনিয়র হলে বলবে; আপনি ভুল বলছেন- আমি আপনার এত বছরের ছোট...আর বড় হলে কত বছরে বড় তাও বলতে ভুলবে না...যদিও কিছুটা কৌশল করবেই তারপরও ঠিকই জেনে যাবেন- কত হতে পারে তার বয়স...
এটা ঠকে শিখেছি- একবার এক কোর্সমেটকে সিনিয়র মনে করেছিলাম সব সময় তার ‘হুকুম’ তামিল করতে হতো এমন অবস্থা....ঊনারা আবার সিনিয়র হলে ভাবেই টেকা দায়!...
একদিন এসএসসির সাল জিজ্ঞেস করেই দেখি- ঊনি আমার দুই বছরের ছোট! বিষয়টা বলাতে বেচারি বললো- থাক যেভাবে সম্বোধন করছ সেভাবেই চলুক...তারপর থেকে কিছুটা কৌশলী হই...
এই কৌশল রপ্ত না করতে পারলে দেখবেন যাকে বিয়ে করছেন সে আপনার ১১ বছরে বড়! বাস্তব উদাহরণ আমার কাছেই আছে!
পুনশ্চ : ইদানিং একটা বেয়াদব সম্প্রদায় গড়ে উঠছে সেটা মেয়ে-ছেলে দুটোই...ভার্সিটিতে ইয়ারে বড় হলেই বিরাট বড় হয়ে যায়...বয়সের বিষয় না জানলে ভালো কথা- জেনেও একজন বয়সে বড় মানুষকে ‘তুমি’ বলা আর তার উপর বড়ত্ব দেখানো অযৌক্তিক...বেয়াদবিও বটে! কারো ৫ পাস করতে ৮ বছর লাগতে পারে যেমন; সে যদি প্লে আর নার্সারি পড়ে...তাই জেনেও কাউকে ‘তুচ্ছ’ করাটা অনৈতিক..
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



