
ছোটবেলা থেকেই পাঠ্যপুস্তকের বাইরের বইয়ের দিকেই ঝোঁক বেশি ছিল। এজন্যই বোধকরি একাডেমিক জীবন উন্নত হয়নি। পরীক্ষার পূর্ব রাত্রিরে কি করেছো? কেউ জিজ্ঞেস করলে এখন বলে দেব- ও রাত্রে চিঠি লিখেছিলাম জাতীয় দৈনিকে। যা পরে ছাপাও হয় বক্স করে। যদিও অলসতার দরুণ সংরক্ষণ করা হয়ে ওঠেনি!...ওসব বাদ!
নিজের একটা নেশায় নিজেই অতিষ্ট হয়ে পড়েছি- সেটা হলো কয়েকটা বই একসঙ্গে পড়া। এই মুহূর্তে হাতে তিনটা বই আছে
গড়ে তিনশ’ করে পৃষ্ঠার প্রতিটাই শেষ না করে আরেকটা পড়তে শুরু করেছিলাম। কী যে একটা বদ খাছলৎ!
শেষে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে এনে দুটো বই শেষ করে আরেকটা হাতে নিয়েছি। যেগুলো শেষ করেছি সেগুলো হলো- বিবি গভর্নর ড. আতিউর রহমানের ‘রবীন্দ্রসাধক ওয়াহিদুল হক’ আর সন্ জীদা খাতুনের ‘সহজ কঠিন দ্বন্দ্বে ছন্দে’...এগুলোর ফাঁকে আহমদ ছফা সমগ্রের কয়েকটা বই পড়েছি কিনা!
যাহোক এবার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে বিশ্বগৌরবে ইকবাল বইটা পড়তে বসলাম- সমস্যা হলো সেদিন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে গিয়ে মানিক বন্দোপাধ্যায়ের ‘লেখকের কথা’সহ আরো দুটো বই নিয়ে এসেছি। এখন বই পড়তে নিজের সঙ্গে নিজের রীতিমত যুদ্ধ লেগে যায়...মাঝে মাঝে নিজের কাছ থেকে নিজেকে লুকিয়ে অন্য বইয়ে উঁকি মারি। স্বভাব সেতো বদলাবার নয়!! এর ফাঁকে আবার নিজে দু’চার লাইন লেখা!!!
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



